শুক্রবার ● ১৪ এপ্রিল ২০২৩
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » রাউজানে ঐতিহ্যবাহী মহামুনি মেলায় পাহাড়ি-বাঙালীর ঢল
রাউজানে ঐতিহ্যবাহী মহামুনি মেলায় পাহাড়ি-বাঙালীর ঢল
আমির হামজা, রাউজান প্রতিনিধি :: চট্টগ্রামের রাউজানের ঐতিহ্যবাহী ১৮০ বছরের পুরনো পাঁচদিনব্যাপী মহামুনি মেলা শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে মেলা শুরু হয়। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসতে শুরু করেন বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের আধিবাসী ও বাঙালীরা। তাদেও পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে প্রাচীন এ মেলা। মেলার প্রধান আর্কষণ হলো ‘পানি খেলা’। পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসী নারীর-পুরুষেরা রং মিশ্রিত পানি একে অন্যের গায়ে ছুড়ে মেরে উৎসবে মেতে উঠেন। যা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। মেলাকে ঘিরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটকসহ গ্রামের মেয়েদের নৃত্যানুষ্ঠান সহ নানা কর্মসূচী পালন করা হয়। বসানো হয় গ্রামীণ মেলা। জানা যায়, উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের মহামুনি গ্রামের একটি মন্দিরকে কেন্দ্র করে ১৮৪৩ সালে প্রথম মং সার্কেল রাজা বাংলা বর্ষের চৈত্রের শেষ তারিখে মেলার আয়োজন করেন। পরবর্তীতে মেলাটি মহামুনি মেলা নামে পরিচিত লাভ করে। চৈত্র সংক্রান্তির দিন তিন পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুণ্যার্থীরা সারাদিন অবস্থান শেষে সন্ধ্যায় বুদ্ধের পুণ্য লাভের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেয় নতুন বছরকে। একই সাথে তারা সেখানে রাত্রি যাপন করেন। উপজেলার বিভিন্ন প্রান্থসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের আধিবাসীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠে এ মেলা। স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতি বছর মহামুনি গ্রামে মেলাকে ঘিরে উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সেখানে তিন পার্বত্য জেলার চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা এবং বাঙালীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। রাউজান থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, ‘মেলার নিরাপত্তার জন্য বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাউজান থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তারপরও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’





পরকীয়ার জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কে’টে দিলেন স্ত্রী, মনি বেগমকে গ্রেফতার
জুমার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ২০০তম মসজিদ সফর করলেন শিমুল
লাল পেইন্টার পাসপোর্ট পেলেন রাঙ্গুনিয়ার সাকিব
রনি’র চলন্ত গাড়িতে ফিল্মি স্টাইলে গুলি
চুয়েটের প্রয়াত শিক্ষার্থী অর্ণব সাহার স্মরণে শোক সভা
রাউজান মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের আত্মপ্রকাশ