শিরোনাম:
●   ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির কারখানা সিলগালা ●   রাঙ্গুনিয়ায় ১৭ মামলার পরোয়ানাভুক্ত যুবলীগ নেতা গ্রেফতার ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা,মধ্যপাড়া পাথর খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন : মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ●   বিনা ধান-২৫ এর প্রচার ও সম্প্রসারণে কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ●   মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দালাল আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ●   পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সুষম উন্নয়নে কাজ করবে সরকার : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ●   পেশার মর্যাদা রক্ষায় আত্রাইয়ে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন ●   পার্বতীপুরে সাংবাদিকদের সাথে ভূমিহীনদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মতবিনিময় সভা ●   তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের ●   ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ●   আত্রাইয়ে হেরোইনসহ ২জন মাদক কারবারি গ্রেফতার ●   রাঙামাটি জেলা চ্যাম্পিয়ন রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল দল ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী হাসপাতালে ভর্তি ●   পার্বতীপুরে ব্রক্ষোত্তর সোনাপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তার বেহাল অবস্থা ●   গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা ●   গাঁজাসহ আটক যুবককে কোস্টগার্ডের মারধরের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ●   বিজিবির আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মারিশ্যায় নবনির্মিত রিভারঘাট পোস্ট উদ্বোধন ●   ঝালকাঠিতে বোরো ধানে ধস, ঝড়-বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ক্ষেত ●   নদী রক্ষায় ঈশ্বরগঞ্জে পিএফজি’র মানববন্ধন ●   খাগড়াছড়িতে ইমন নামে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার ●   বিজয়ী বিজেপি নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশবিরোধী উসকানি থেকে বিরত থাকার আহবান ●   ঝালকাঠিতে আমির হোসেন আমুর পরিত্যাক্ত বড়ির প্রধান ফটক কেটে উন্মুক্ত করে দিয়েছে ●   ঝালকাঠি সদরে হাম-রুবেলা : ৭৩ সন্দেহভাজন চিকিৎসা নিয়েছে, বাড়ছে নতুন ভর্তি ●   হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি ●   তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে রাঙামাটি জেলা কমিটি অনুমোদন ●   সন্ত্রাসী, দূর্বৃত্ত ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করুন ●   ঝালকাঠিতে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ●   ঝালকাঠির সড়ক টেন্ডার হলেও কাজ শুরু না করায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ ●   নবীগঞ্জে কাভার ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাত বৃদ্ধ নিহত ●   পার্বতীপুরে ডেইরি খামার উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প’র সহায়তা
রাঙামাটি, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
মঙ্গলবার ● ৬ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » পরবাস » নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি
প্রথম পাতা » পরবাস » নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি
মঙ্গলবার ● ৬ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি

--- শহিদুল ইসলাম, সিলেট :: দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তিদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে সংবিধান কী বলে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশি ফোরাম’ নামের একটি সংগঠন।

“দ্বৈত নাগরিকত্বের সঙ্গে আইন প্রণয়ন সাংঘর্ষিক হলে সংবিধানে বিচার বিভাগীয় পদে দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নিষেধাজ্ঞা থাকত,” বলা হয় চিঠিতে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লেখা একটি চিঠিতে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে লন্ডনভিত্তিক সামাজিক সংগঠনটি।

চিঠিতে বলা হয়, “দ্বৈত নাগরিকদের, বিশেষ করে ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের জাতীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতার বিষয়ে সাংবিধানিক ও আইনি ব্যাখ্যা প্রার্থনা করছে ব্রিটিশ বাংলাদেশি ফোরাম।”

৬ জানুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার চিঠি’র নিচে সংগঠনটির আহ্বায়ক, বিশিষ্ট ব্রিটিশ-বাংলাদেশি আইনজীবী মনোয়ার হোসেন এর স্বাক্ষর রয়েছে।
চিঠিতে লেখা হয়েছে, “বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। এটি প্রণীত হয় মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বিশেষ রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার আলোকে।

“ওই সময় সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদটি যুক্ত করা হয় একটি উদ্বেগ থেকে। এর লক্ষ্য ছিল, যারা বাংলাদেশ ত্যাগ করেছে বা পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছে, তারা যেন সংসদের সদস্য হতে না পারে। ওই সময় বাংলাদেশে দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল না।”

চিঠিতে লন্ডনভিত্তিক সংগঠনটি বলেছে, “১৯৭২ সালে ডিসেম্বরে সংবিধান অনুমোদনের অল্প সময়ের মধ্যেই ‘বাংলাদেশ নাগরিকত্ব (অস্থায়ী বিধান) আদেশ, ১৯৭২’ জারি করা হয়। এটি প্রমাণ করে, বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতেই সংবিধান অনুমোদনের পরপরই নাগরিকত্ব নীতিতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

“বাংলাদেশ নাগরিকত্ব (দ্বিতীয়) আদেশ, ১৯৭৮ প্রবর্তিত হয়, যেখানে বলা হয়েছে, বিদেশি নাগরিকত্ব নিলেই বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বাতিল হবে না। সরকারকে বৈধ দ্বৈত নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষমতাও দেওয়া হয় তাতে।”

চিঠিতে বলা হয়, “এই ক্ষমতাবলে জারি হওয়া এসআরওর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে দ্বৈত নাগরিকত্ব দেওয়া দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে ব্রিটিশ-বাংলাদেশিরা আইনিভাবে স্বীকৃত বৈধ দ্বৈত নাগরিক, যাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকে।

“২০১০ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৬৬(২ক) ধারা সংযোজন করা হয়। যেখানে এটা নিশ্চিত করা হয় যে, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ কেবল সেই ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যেখানে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বাস্তবে পরিত্যাগ করা হয়েছে। যেখানে নাগরিকত্ব ত্যাগ করা হয়নি, সেখানে সাংবিধানিক অযোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না।”

সংগঠনটি বলেছে, “কখনো কখনো যুক্তি দেওয়া হয় যে, সংসদ সদস্যরা আইনপ্রণেতা। এ কারণে তাদের সংসদ সদস্য হওয়া উচিত নয়। তবে এ যুক্তি সাংবিধানিক বিচারে গ্রহণযোগ্য নয়।”

বাংলাদেশের সংবিধান দ্বৈত নাগরিকদের বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি দাবি করে চিঠিতে বলা হয়, “দ্বৈত নাগরিকক্বের সঙ্গে আইন প্রণয়নের বিষয়টি সাংঘর্ষিক হলে সংবিধানে বিচার বিভাগীয় পদে দ্বৈত নাগরিকদের জন্য স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতো।”

সংগঠনটি বলেছে, “ব্রিটিশ-বাংলাদেশিরা কখনোই বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেননি কিংবা বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ত্যাগ করে অন্যত্র স্থানান্তর করেননি। সুতরাং তাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতা অস্বীকার করা সাংবিধানিক অভিপ্রায়, প্রচলিত আইন এবং গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

“অতএব আমরা বিনীতভাবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, একটি সুস্পষ্ট সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হোক, যেন এটা নিশ্চিত হয় যে, বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ধরে রাখা ব্রিটিশ-বাংলাদেশিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য।”





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)