শিরোনাম:
●   কাইন্দ্যা এগজ্যাছড়িতে মহা সংঘদান পূণ্যানুষ্ঠানে জুঁই চাকমার অংশ গ্রহন ●   ৩০ বছরের বন্দি জীবনের অবসান বৃদ্ধা রাহেলার ●   ওসমান হাদীকে বিজয় করতেই গণভোটে “হ্যা” জয়যুক্ত করতে হবে ●   নানিয়ারচরে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ ●   মিরসরাইয়ে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাক উল্টে পথচারী নিহত ●   ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক ●   নবীগঞ্জে এলপি গ্যাস অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে ডিস্ট্রিবিউটরকে অর্থদণ্ড ●   ঈশ্বরগঞ্জে মুহুরী রতনের দাপটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ●   কাপ্তাইয়ে গণভোট নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ●   সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির মধ্যেই বাংলাদেশের সম্ভাবনা : সাইফুল হক ●   পরিকল্পিত নগরায়ণ ও জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিতে রাজনৈতিক ঐক্যমত্যের বিকল্প নেই ●   আত্রাইয়ে রাতের আঁধারে ফসলি জমির মাটি কাটার মহোৎসব ●   আত্রাইয়ে সরিষা ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা ●   সেবার মান বাড়লেও জরাজীর্ণ কাপ্তাইয়ের ১০ শয্যা হাসপাতাল ●   বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় গাবতলীতে মিলাদ মাহফিল ●   কাউখালীতে মরহুমা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা ●   ঝালকাঠিতে ‘নির্বাচনী সৌহার্দ্যের সংলাপ’ অনুষ্ঠিত ●   কাউখালীতে ২০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ০৩টি ঝুঁকি পুর্ন ●   ঈশ্বরগঞ্জে দুর্নীতিবিরোধী মানববন্ধনে হামলা ●   সাংবাদিকদের সাথে কাপ্তাই জোন কমান্ডারের মত বিনিময় ●   পার্বতীপুরে বস্তাবন্দি নারীর মরোদেহ উদ্ধার ●   চলন্ত গাড়িতে কুপিয়ে সিগারেট ডিলারের দেড় লাখ টাকা ছিনতাই ●   নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন : নিলামে বিক্রি ●   মিরসরাইয়ে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস উল্টে প্রাণ গেলো বৃদ্ধার ●   কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ স্কাউট ব্যাজ কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠিত ●   খাগড়াছড়িতে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর বাসায় ককটেল হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ●   প্রয়াত মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা’র প্রতি জুঁই চাকমা’র শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন ●   ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু উত্তোলনে দেড় লাখ টাকা জরিমানা ●   চিরিরবন্দরে আত্রাই নদী থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার ●   চুয়েট এর ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে সমন্বয় সভা
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
মঙ্গলবার ● ৬ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » পরবাস » নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি
প্রথম পাতা » পরবাস » নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি
মঙ্গলবার ● ৬ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি

--- শহিদুল ইসলাম, সিলেট :: দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তিদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে সংবিধান কী বলে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশি ফোরাম’ নামের একটি সংগঠন।

“দ্বৈত নাগরিকত্বের সঙ্গে আইন প্রণয়ন সাংঘর্ষিক হলে সংবিধানে বিচার বিভাগীয় পদে দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নিষেধাজ্ঞা থাকত,” বলা হয় চিঠিতে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লেখা একটি চিঠিতে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে লন্ডনভিত্তিক সামাজিক সংগঠনটি।

চিঠিতে বলা হয়, “দ্বৈত নাগরিকদের, বিশেষ করে ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের জাতীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতার বিষয়ে সাংবিধানিক ও আইনি ব্যাখ্যা প্রার্থনা করছে ব্রিটিশ বাংলাদেশি ফোরাম।”

৬ জানুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার চিঠি’র নিচে সংগঠনটির আহ্বায়ক, বিশিষ্ট ব্রিটিশ-বাংলাদেশি আইনজীবী মনোয়ার হোসেন এর স্বাক্ষর রয়েছে।
চিঠিতে লেখা হয়েছে, “বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। এটি প্রণীত হয় মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বিশেষ রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার আলোকে।

“ওই সময় সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদটি যুক্ত করা হয় একটি উদ্বেগ থেকে। এর লক্ষ্য ছিল, যারা বাংলাদেশ ত্যাগ করেছে বা পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছে, তারা যেন সংসদের সদস্য হতে না পারে। ওই সময় বাংলাদেশে দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল না।”

চিঠিতে লন্ডনভিত্তিক সংগঠনটি বলেছে, “১৯৭২ সালে ডিসেম্বরে সংবিধান অনুমোদনের অল্প সময়ের মধ্যেই ‘বাংলাদেশ নাগরিকত্ব (অস্থায়ী বিধান) আদেশ, ১৯৭২’ জারি করা হয়। এটি প্রমাণ করে, বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতেই সংবিধান অনুমোদনের পরপরই নাগরিকত্ব নীতিতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

“বাংলাদেশ নাগরিকত্ব (দ্বিতীয়) আদেশ, ১৯৭৮ প্রবর্তিত হয়, যেখানে বলা হয়েছে, বিদেশি নাগরিকত্ব নিলেই বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বাতিল হবে না। সরকারকে বৈধ দ্বৈত নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষমতাও দেওয়া হয় তাতে।”

চিঠিতে বলা হয়, “এই ক্ষমতাবলে জারি হওয়া এসআরওর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে দ্বৈত নাগরিকত্ব দেওয়া দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে ব্রিটিশ-বাংলাদেশিরা আইনিভাবে স্বীকৃত বৈধ দ্বৈত নাগরিক, যাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকে।

“২০১০ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৬৬(২ক) ধারা সংযোজন করা হয়। যেখানে এটা নিশ্চিত করা হয় যে, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ কেবল সেই ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যেখানে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বাস্তবে পরিত্যাগ করা হয়েছে। যেখানে নাগরিকত্ব ত্যাগ করা হয়নি, সেখানে সাংবিধানিক অযোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না।”

সংগঠনটি বলেছে, “কখনো কখনো যুক্তি দেওয়া হয় যে, সংসদ সদস্যরা আইনপ্রণেতা। এ কারণে তাদের সংসদ সদস্য হওয়া উচিত নয়। তবে এ যুক্তি সাংবিধানিক বিচারে গ্রহণযোগ্য নয়।”

বাংলাদেশের সংবিধান দ্বৈত নাগরিকদের বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি দাবি করে চিঠিতে বলা হয়, “দ্বৈত নাগরিকক্বের সঙ্গে আইন প্রণয়নের বিষয়টি সাংঘর্ষিক হলে সংবিধানে বিচার বিভাগীয় পদে দ্বৈত নাগরিকদের জন্য স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতো।”

সংগঠনটি বলেছে, “ব্রিটিশ-বাংলাদেশিরা কখনোই বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেননি কিংবা বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ত্যাগ করে অন্যত্র স্থানান্তর করেননি। সুতরাং তাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতা অস্বীকার করা সাংবিধানিক অভিপ্রায়, প্রচলিত আইন এবং গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

“অতএব আমরা বিনীতভাবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, একটি সুস্পষ্ট সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হোক, যেন এটা নিশ্চিত হয় যে, বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ধরে রাখা ব্রিটিশ-বাংলাদেশিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য।”





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)