শিরোনাম:
●   আত্রাইয়ে সরকারি গাছ কাটার অপরাধে জরিমানা ●   ঝালকাঠিতে পাসপোর্ট করতে এসে দুই নারী আটক ●   ঈশ্বরগঞ্জে এক সপ্তাহ বিদ্যুৎহীন : পিডিবি অফিসে গ্রাহকদের হামলা ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ●   ‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা ●   কয়লা উন্মুক্ত পদ্ধতিতে উত্তোলনের আলোচনায় সরকার : নতুন করে উত্তপ্ত জনপদ ●   সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ১২ বিজিবি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে : লেঃ কর্ণেল মাহতাব ●   রাঙামাটি–রাজস্থলী সড়কে পিকআপ-জীপ চলাচলে বাধার অভিযোগ ●   ঈশ্বরগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙচুর ●   সুগন্ধার বুকে নৌকাবাইচ, আবহমান বাংলার ঐতিহ্যে মুখর ঝালকাঠি ●   আত্রাইয়ে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর সমাপনী ●   পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে চুয়েট ভিসির মতবিনিময় ●   বিদেশ নির্ভরতা কাটিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করুন ●   আত্রাইয়ে তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু ●   রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি সভা অনষ্ঠিত ●   বড়পুকুরিয়ায় খনির ১৬৮ শ্রমিকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চলছে ●   বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ করায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রেফতার ●   দেশে আজ স্বপ্নচারী, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শবাদী নেতৃত্বের খরা চলছে ●   বগাবিলী গ্রামে ১১ বছরের মেয়ে শিশুর রহস্য জনক মৃত্যু ●   এমবিবিএস ডিগ্রী ছাড়াই ‘ডাক্তার’ অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা ●   গ্রামীন সড়কের পাশে স্বেচ্ছাসেবীদের তালের আঁটি রোপণ ●   ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপিত ●   আত্রাইয়ে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু ●   ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালে বহিরাগতদের খাবার বিতরণ : ৭ জনকে শোকজ ●   ব্যাটারিচালিত রিকশার ডাম্পিং ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করুণ ●   জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি ●   রাঙামাটিতে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৪ ●   রাঙামাটিতে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে সাংবাদিক এর বাগান বাড়ি পুড়ে দেয়ার সাড়ে ৩ বছর : পায়নি বিচার, মিলেনি কোন সহযোগিতা (ভিডিও লিংক সহ) ●   সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল ●   ঈশ্বরগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার
রাঙামাটি, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » গাইবান্ধায় বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিবার পরিকল্পনার আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » গাইবান্ধায় বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিবার পরিকল্পনার আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার
শনিবার ● ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গাইবান্ধায় বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিবার পরিকল্পনার আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার

---গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: (৩১ ভাদ্র ১৪২৫ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় রাত ৮.১১মি)  নারী-পুরুষের সচেতনার পাশাপাশি দিন দিন গাইবান্ধায় বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিবার পরিকল্পনার বিভাগের আধুনিক পদ্ধতিগুলোর ব্যবহার। তবে চরাঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায় আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার না করলেও তারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল ও কনডম ব্যবহার করছেন। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও মাসিক নিয়মিতকরণ এবং প্রসব ও গর্ভপাত পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা সেবা তথা দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী পদ্ধতি সর্ম্পকে ভ্রান্ত ধারণা, সামাজিক কুসংস্কার এবং সফলতা ও বিফলতা সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছে। শহরের দিঘিরপাড় গ্রামের মোমেনা বেগম ও আরও অনেকে বলেন, আমরা দু’একটি বিষয়ে অবগত ছিলাম। কিন্ত এ অনুষ্ঠানে না আসলে হয়তো অনেক কিছুই জানতাম না। আসলে একজন গর্ভবর্তী মার কি কি করা প্রয়োজন তা এখান থেকে শিখলাম।
পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা এফডাব্লিউভি অবসরপ্রাপ্ত হোসনে আরা হানু বলেন, সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মা ও শিশু কেন্দ্র, সরকারি ও বেসরকারি পরিবার পরিকল্পনা কর্মীর কাছে, পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিকে বা ফার্মেসি বা দোকানে জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য সবকিছু পাওয়া যায়। সন্তান ধারণে সক্ষম নারী ও পুরুষদের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণের সাতটি পদ্ধতি রয়েছে। খাবার বড়ি, কনডম, ইনজেকশন, ইমপ্ল্যান্ট, আইইউডি, টিউবেকটমি এবং এনএসভি। এগুলোর মধ্যে নারীদের জন্য পাঁচটি পদ্ধতি খাবার বড়ি, ইনজেকশন, ইমপ্ল্যান্ট, আইইউডি, টিউবেকটমি এবং পুরুষের জন্য দু’টি পদ্ধতি কনডম ও এনএসভি।
গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতাল তত্তাবধায়ক ডা. এসি সাহা বলেন, ‘গর্ভবতী থাকা সময়ে ৪টি চেকাপ করাতে হবে। এই চেকাপ হলে মাতৃ এবং শিশু মৃত্যু দু’টোই কমানো যাবে। গর্ভকালীন এবং প্রসাবকালীন সময়ে এর যে কোন একটি জটিলতা দেখা দিলে দেরি না করে গর্ভবতী মাকে জরুরী সেবার জন্য দ্রুত জেলা হাসপাতাল, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরবিার কল্যাণ কেন্দ্ররে নিয়ে যেতে হবে।
গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. আফছারী খানম বলেন, ‘গর্বতীদের যদি দ্রুত সেবা কেন্দ্রে পাঠানো যায় তাহলে এ মৃত্যুর হার কিছুটা কমবে।’ যেসব মেয়ে শিক্ষিত ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং যারা শৈশব-কৈশোরে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিকর খাবার খেয়েছেন, তারা যদি ১৮ বছর বয়সের পর গর্ভধারণ করেন তবে তাদের গর্ভধারণকাল নিরাপদ হবে, সুস্থ সন্তান জন্ম দেয়ার সম্ভাবনাও বেশি হবে।
গাইবান্ধা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক দেওয়ান মোর্শেদ কামাল বলেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিগুলোর মধ্যে খাবার বড়ি এবং কনডম সবসময় নেওয়া যায়। ইনজেকশন তিন মাস পরপর, ইমপ্ল্যান্ট ৩-৫ বছর পরপর, আইইউডি সেবা আট বছর পরপর নেওয়া যায়। এনএসভি সেবা নিতে পুরুষের খুব অল্প সময় লাগে। আমরা অন্তঃসত্তা নারীদের সন্তান জন্মদানের জন্য কাছের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করি। সেখান থেকে তাদের দুই বছর পর গর্ভধারণের ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)