শিরোনাম:
●   ব্রহ্মপুত্র নদে নিখোঁজ কৃষকের সন্ধান মেলেনি ●   রাঙ্গুনিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত ●   পার্বতীপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন ●   আত্রাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত ●   ঝালকাঠিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত ●   রাবিপ্রবি’তে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপিত ●   প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন”-চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ব্যারিস্টার মীর হেলাল ●   গণঅভ্যুত্থানের অর্জন আজ রাজনৈতিক মাফিয়া ও দুর্বৃত্তায়নের খপ্পরে : আবু হাসান টিপু ●   রাঙামাটিতে “ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক “কথকতা” অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ●   ছুটির রাতে খোলা ভূমি অফিস, ভেতরে তহশিলদার ●   সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিটিএমএ এবং বিজিএমইএ ●   ঈশ্বরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি ●   রাউজানে আগুনে পুড়ে ছাই ভ্যান কৃষকের স্বপ্ন ●   ঈশ্বরগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু : আহত-২ ●   মিরসরাইয়ে ১৮শত পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার ●   রাঙ্গুনিয়াতে ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবের শুভ উদ্বোধন ●   জনগণই দেশের আসল মালিক, দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ●   কুষ্টিয়ায় শিল্পপতি আলাউদ্দিন আহমেদের জন্মদিনে ব্যতিক্রমী আত্মীয় সম্মেলন ●   রাঙামাটিতে বিক্রিয় কালে হরিণের মাংস জব্দ করল দক্ষিণ বন বিভাগ ●   পরকীয়ার জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কে’টে দিলেন স্ত্রী, মনি বেগমকে গ্রেফতার ●   বান্দরবানে রুমায় মোটরসাইকেল খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু ●   জুমার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ২০০তম মসজিদ সফর করলেন শিমুল ●   নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা : সামাজিক বাস্তবতা ও উত্তরণের পথ ●   সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে আংশিক কমিটি ঘোষণা ●   বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন ●   রক্তেকেনা জুলাই অভ্যুত্থান কোনভাবেই ব্যর্থ হতে দেয়া যাবেনা ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আলীকদম উপজেলা কমিটি গঠন ●   ত্যাগ-তিতিক্ষার রাজনীতিতে তিন দশক পাড় করেছে বিএনপির নেতা নান্নু ●   জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ঐতিহাসিক অবদানকে এই সমাজ ও রাষ্ট্র ধারণ করতে পারেনি ●   লাল পেইন্টার পাসপোর্ট পেলেন রাঙ্গুনিয়ার সাকিব
রাঙামাটি, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ১৮ জুলাই ২০১৯
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » রুট পরিবর্তন করে রেল যোগাযোগ চালু
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » রুট পরিবর্তন করে রেল যোগাযোগ চালু
বৃহস্পতিবার ● ১৮ জুলাই ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রুট পরিবর্তন করে রেল যোগাযোগ চালু

---গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: টানা বৃষ্টি আর উজানের পানিতে বাঁধভাঙ্গা বন্যায় গাইবান্ধায় রেললাইন ডুবে যাওয়ায় বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ঢাকার সঙ্গে গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিহাটের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। তবে বিকল্প ব্যবস্থায় বুধবার সন্ধ্যা থেকে কাউনিয়া-সান্তাহার সেকশনে আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
গতকাল বুধবার রেলওয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে পরবর্তী ঘোষনা না দেয়া পর্যন্ত কাউনিয়া-সান্তাহার সেকশনে ট্রেন চলাচলের নতুন রুট সম্পর্কে জানানো হয়। করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি সান্তাহার থেকে বোনারপাড়া এবং বোনারপাড়া থেকে সান্তাহার পর্যন্ত চলাচল করবে। এছাড়া দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুর থেকে গাইবান্ধা এবং গাইবান্ধা থেকে দিনাজপুর, ৭ আপ /৮ ডাউন মেইল ট্রেন পঞ্চগড় থেকে গাইবান্ধা এবং গাইবান্ধা থেকে পঞ্চগড় ও সান্তাহার থেকে বোনারপাড়া এবং বোনারপাড়া থেকে সান্তাহার চলাচল করবে। এদিকে ১৯/২০ বগুড়া এবং পদ্মরাগ চলাচল করবে না। এছাড়া, রংপুর ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেস কাউনিয়া-পার্বতীপুর-সান্তাহার রুট ব্যবহার করে ঢাকা চলাচল করবে। রেল যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বন্যার পানি কমে আসলে বাদিয়াখালী সেকশনে রেললাইন মেরামতের কাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।
এরআগে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালি ইউনিয়নে বাদিয়াখালী রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন চেয়ারম্যানবাড়ী মিয়াপাড়া রেলগেট এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রেললাইনে পানি ওঠায় এবং তীব্র স্রোতে রেললাইনের স্লিপার, মাটি ও পাথর সরে যাওয়ায় ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। রেললাইনের চার থেকে ছয় ইঞ্চি ওপর দিয়ে এই পানি তীব্রবেগে প্রবাহিত হওয়ার ফলে কিছু কিছু জায়গায় রেললাইনের নিচের মাটি, পাথর ও স্লিপার ধ্বসে যায়। এসময় সান্তাহার থেকে দিনাজপুরগামী পদ্মরাগ এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশন সংলগ্ন মিয়াপাড়া রেলগেট এলাকায় আটকা পড়ে। এ অবস্থায় বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ট্রেন চালানো বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে গাইবান্ধাসহ উত্তরের চার জেলার সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

চারটি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন : বাঁধ ভেঙ্গে বানের জলে প্লাবিত গাইবান্ধা শহর
গাইবান্ধা :: জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবগুলো বাঁধ ভেঙ্গে বানের জলে প্লাবিত হয়ে পড়েছে গাইবান্ধা শহর। পৌরসভার প্রায় সবগুলো ওয়ার্ড বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে পানিবন্দি পৌরবাসী। এজন্য তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের খামখেয়ালীপনা ও উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। শুষ্ক মৌসুমে বাঁধগুলোর রক্ষণাবেক্ষন, তদারকি ও সংস্কার না করায় জেলার সবগুলো বাঁধ ভেঙ্গে যাবার মতো ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন তারা। ১৯৮৮ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যাকে ছাড়িয়ে এবারের বন্যাকে মহাপ্লাবন বলে আখ্যায়িত করছেন গাইবান্ধার বানভাসী মানুষ। বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢল এবং বাঁধ ধ্বসে গাইবান্ধার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জেলা শহর ভয়াবহ বন্যায় ভাসছে। সড়কে পানি ওঠায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গাইবান্ধার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। সেইসাথে আশ্রয়, বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটসহ দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসী মানুষের। এদিকে গাইবান্ধার সকল নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ২১ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১৫০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে সোমবার (১৫ জুলাই) রাত থেকে গাইবান্ধা শহরের বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করে। শহরের পূর্বপাড়া, কুঠিপাড়া, জুম্মাপাড়া, সবুজপাড়া, মুন্সিপাড়া, বানিয়ারজান, বাংলাবাজার, মাস্টারপাড়া, মধ্যপাড়া, ডেভিড কোম্পানি পাড়া, ব্রীজরোড কালিবাড়ী পাড়ায় বন্যা দেখা দিয়েছে। জেলার বন্যাকবলিত চার উপজেলার ৩০০টি গ্রামের প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার অনেক মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, গবাদি পশু নিয়ে আশেপাশের উচু স্থান ও আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। চরাঞ্চল ও নদী বেষ্টিত চারটি উপজেলার বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে, ফলে ২৪৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। ৮৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ফুলছড়ি উপজেলার তিনটি ও সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া ৩৫টি বিদ্যালয়ে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত ফুলছড়ির তিস্তামুখ ঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১৫০ সে.মি., ঘাঘট নদীর পানি শহরের নতুন ব্রীজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৯৪ সে:মি: উপর দিয়ে বইছে। তবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি কমে বিপদসীমার ৩৬ সে:মি: নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে ত্রান সহায়তা দেয়া শুরু করেছে। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর জন্য এখন পর্যন্ত ৪০০ মেট্রিকটন চাল, নগদ ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ২ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে । এছাড়া নতুন করে আরও এক হাজার মে: টন চাল, দশ লাখ টাকা এবং পাঁচ হাজার শুকনা খাবারের প্যাকেট বরাদ্ধ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে পত্র পাঠানো হয়েছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)