বুধবার ● ১১ ডিসেম্বর ২০১৯
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » ১২ ডিসেম্বর গোলাপগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস
১২ ডিসেম্বর গোলাপগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস
সিলেট প্রতিনিধি :: ১৯৭১ সালের ১২’ই ডিসেম্বর সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পাক হানাদার তথা শত্রু মুক্ত হয়। দীর্ঘ ৯ মাস বাঙালি জাতি পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে লড়াই করে দেশ স্বাধীনের প্রায় ৪দিন আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলা থেকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা গোলাপঞ্জ চৌমুহনীতে উড্ডয়ন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএন চৌধুরী হুমায়ূন।
ওইদিন মুক্তিযোদ্ধারা সুতারকান্দি-বিয়ানীবাজার হয়ে ভোর হওয়ার কিছুক্ষণ আগে উপজেলার নালিউরী গ্রামে এসে অবস্থান নেয়। নালিউরি গ্রাম থেকে মাত্র দেড় মাইল উত্তরে ঢাকাদক্ষিণ বাজারে পাকিস্থানি বাহিনী ও রাজাকারদের ঘাঁটি ছিল। বিকেলে মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা রেকি করতে পরিকল্পনা মতো বেরিয়ে পড়েন। জানা যায়, তখন একটি হিন্দুবাড়িতে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বিশ্রাম নিচ্ছিলেন।
এমন সময় একজন বালক এসে খবর দেয় কয়েকজন সেনা নিয়ে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনীর একটি বাস ভাদেশ্বরের দিকে যাচ্ছে। এ সংবাদ পাওয়া মাত্র মুক্তিযোদ্ধারা সেই ছেলেটির সহযোগিতায় রাস্তায় গিয়ে একটি অ্যান্টিট্যাংক মাইন পুতে রাখেন। বাসটি ফিরে এসে মাইনের ওপর ওঠা মাত্রই বিস্ফোরিত হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দুজন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্য। বাকিরা লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের মুকিতলা গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়।
ওইদিন দুপুরে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএন চৌধুরী হুমায়ূন থানা সদরে স্বাধীন বাংলার লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এবং মুক্তিকামী জনতা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সারা দেশের মতো এভাবেই পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করে পাকহানাদার মুক্ত হয় গোলাপগঞ্জ। ত্রিমুখী আক্রমনে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয়। গোলাপগঞ্জ, সিলেট ঢাকা সহ একের পর এক জায়গা পাকহানাদার মুক্ত হতে থাকে। স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে বাংলাদেশ। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
তিনজন বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক খেতাবধারীসহ প্রায় চারশত মুক্তিযোদ্ধার জন্মভূমি গোলাপগঞ্জ মুক্ত দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের উদ্যোগে প্রতি বছর বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয় দিবসটি। এবারও দিবসটি পালনের লক্ষ্যে নানা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মুক্ত দিবস উপলক্ষে গোলাপগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে বলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অফিস সুত্রে জানা যায়।





ঝিনাইদহে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো আ.লীগ নেতা কর্মীরা
পার্বত্য জেলা পরিষদ নিয়ে পার্বত্য মন্ত্রীর বক্তব্য ভূল উপস্থাপন করায় প্রতিবাদ
রাঙামাটিতে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী পরাগ বড়ুয়া বহাল তবিয়তে
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় দীপেন দেওয়ানকে জুঁই চাকমার ফুলেল শুভেচ্ছা
পার্বত্য চট্টগ্রামে রোজার মাসে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিসি এসপিদের তৎপর থাকার নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর
ভাষা শহীদদের প্রতি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
রাঙামাটিতে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলী
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের দাবি আদায়ের লক্ষে স্মারকলিপি প্রদান, অবস্থান ধর্মঘট, রাজপথে বিক্ষোভ ও হরতাল পালনের মত কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা
রাঙমাটি-২৯৯ আসনে নির্বাচনে পাশে থাকা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন জুঁই চাকমা