বৃহস্পতিবার ● ২৭ আগস্ট ২০২০
প্রথম পাতা » শিরোনাম » বিশ্বনাথে কালভার্টে সংযোগ রাস্তা নেই : দুর্ভোগে এলাকাবাসী
বিশ্বনাথে কালভার্টে সংযোগ রাস্তা নেই : দুর্ভোগে এলাকাবাসী
মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে একটি কালভার্ট নিষ্প্রাণ অবস্থায় অকেজো হয়ে দাাঁড়িয়ে আছে। কালভার্টের দুই পাশে মাটি না থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার কয়েকটি গ্রামের জনসাধারণ এ কালভার্ট ব্যবহার করতে পারছেন না। কালভার্ট এর দু’পাশে রাস্তার নামমাত্র অস্তিত্ব দেখা গেলেও পর্যাপ্ত মাটি ভরাটের অভাবে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এছাড়া কালভার্টের দুই পাশের সংযোগ বা এপ্রোচ অংশে পর্যাপ্ত মাটি নেই। যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। গত মঙ্গলবার এই কালভার্টে এপ্রোচ সড়ক না থাকায় একটি অটোরিকসা নিয়ন্ত্রন হারিয়ে যাত্রী নিয়ে খাদে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা অটোরিকশা-যাত্রীদের উদ্ধার করেন। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পান অটোরিকশায় থাকা যাত্রীরা।
২৭ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রি কলেজ গেইটের সামন থেকে শুরু হওয়া প্রায় অর্ধ কিলোমিটার বিশ্বনাথ বাইপাস সড়কের সংযোগ ও দন্ডপানিপুর-মহরমপুর, মিনারপাড়া, রাজাপুর, সরুয়ালা, ভোগসাইলসহ কয়েকটি গ্রামের ভিতরে গিয়ে মিলিত হয়েছে। এই রাস্তার বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজ থেকে প্রায় দুইশত গজ দূরে সরকারি প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কালভার্টের নির্মাণ কাজ শেষ হলে চলিত বছরের মে মাসের দিকে কালভার্টটির কাজ সম্পন্ন হয়। কালভার্টের সংযোগ অংশে মাটি না থাকায় যানবাহানসহ জনসাধারণ চলাচল করতে পারছেন না। তবে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল করে আসছেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এ সড়কে একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে চলতি বছরের শুরু দিকে সরকারি অর্থায়নে কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু কালভার্ট নির্মাণ হলেও কালভার্টটির দুই পাশে মাটি না থাকায় লোকজন চলাচল করতে পারছেন না। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শতশত লোকজন যাতায়াত করে আসছেন। কিন্তু কালভার্টে এপ্রোচ থাকায় বয়স্ক-নারী-পুরুষকে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পুহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। সম্প্রতি স্থানীয়রা এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার জন্য কালর্ভাটে বাশের সাকো দিয়ে চলাচল করছিলেন। গত মঙ্গলবার এই কালভার্টে এপ্রোচ সড়ক না থাকায় একটি অটোরিকসা নিয়ন্ত্রন হারিয়ে যাত্রী নিয়ে খাদে পড়ে যায়। ফলে বাশের সার্কোটিও ভেঙে যায়। ফলে এখন স্থানীয় এ সড়ক দিয়ে ঝুকি নিয়ে চলাচল করে আসছেন। কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট করে সড়কে চলাচলের উপযোগী করে দেয়ার জন্য এলাকাবাসী সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।
এব্যাপারে রিকশা চালক ইসলাম উদ্দিন বলেন, কলেজ গেইটের ভিতর দিয়ে দন্ডপানিপুর, মহরমপুর গ্রামে যাত্রী নিয়ে আসা-যাওয়া করি। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরে এ রাস্তার কালভার্ট নির্মাণ হলেও রাস্তার দু-পাশে মাটি ভরাট না হওয়ায় যাত্রী নিয়ে অনেক পথ ঘুরে বাইপাস সড়ক দিয়ে যেত হয়। ওই সড়কেরও বেহল দশা।
দন্ডপানিপুর গ্রামের মহরমপুর গ্রামের মোতাওয়াল্লী ইলিয়াস আলী বলেন, কালভার্ট নির্মাণ হওয়ায় এলাকাবাসী খুশি। কিন্তু কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট না হওয়ায় এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পুহাতে হচ্ছে।
এ রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াতকারী ও উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কলমদর আলী বলেন, কালভার্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করেন। বর্তমানে কালভার্টে সংযোগ রাস্তা না থাকায় গাড়িও চলাচল করে না। এতে বেশি বিপাকে পড়তে হয় কলেজ-স্কুলগামী শিক্ষার্থী, রোগী ও বয়স্ক মানুষদের।
বিশ্বনাথ সদর ইউপি চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক বলেন, কালভার্ট নির্মাণ হওয়ায় স্থানীয় কয়েকটি গ্রামবাসী উপকৃত হবেন। কিন্তু এখনও কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট না হওয়ায় এলাকাবাসী চলাচল করতে পারছেন না। বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী অফিসকে কয়েক বার অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা আবু সাঈদের মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বিশ্বনাথে করোনা প্রতিরোধে গ্রামে গ্রামে মাইকিং
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় প্রতিদিন গ্রামের পথে পথে স্থানীয় আঞ্চলিক ভায়ায় মাইকিং করছে এনজিও সংস্থা ‘সূচনা’। জনসচেতনায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তারা। ২৭ আগষ্ট বৃহষ্পতিবার সকালে উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাউসী গ্রামে মাইকিং করে করোনা প্রতিরোধে করণীয় ও সচেতনা মূলক বার্তা প্রচার করছিল ‘সূচনা’র গাড়ী।
মাইকে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় প্রচার করা হয়, ‘নিয়মিত পুষ্ঠিকর খাবার খাইবা। পুরোতা-বড়তা ও গর্ববতী বেটিন ও বুড়া মাইনষর বিশেষ করি খিয়াল রাখইনযান। হকলে নিয়মিত শাক-সবজি ও ফল খাইবা। ভিটামিন ‘সি’ যেছা ভাইরাস প্রতিরোধে খুব দরকারি। দৈনিক ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খানি খাইন যেন। প্রতিদিন কম অইলেও ৮-১০ গ্লাস পানি খাইবা। করোনার এই দু:সময়ে মানসিক চাপ মুক্ত থাকইন যান। মানসিক চাপে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে কমাইলাই। এর লাগি প্রতিদিন কম অইলেও ৩০ মিনিট ব্যায়াম ও শারীরিক প্ররিশ্রম করইন যেন। দৈনিক ৭-৮ ঘন্টা ঘুমাইবা। এতে আপনার শরীলর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বো। করোনা ভাইরাসর লক্ষন অগুন দেখা দিলে চিকিৎসার লাগি খুব তাড়াতাড়ি সাইটর সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করবা। আর হটলাইন নম্বর ১৬২৬৩ আর লাইলে ৩৩৩ নম্বরে কল করবা। করোনা প্রতিরোধে আমরা হকলেরই সচেতন ও দায়িত্বশীল হবে হবে। ’
প্রচার কর্যক্রম নিয়ে কথা হলে সূচনার উপজেলা সমন্বয়কারী মো. মোছাব্বিবের রহমান বলেন, করোনাকালের শুরু থেকেই এখন পর্যন্ত সূচনা’র কার্যক্রম অব্যাহত আছে। স্থানীয় লোকজন যেন সহজেই করোনা সম্পর্কে ধারণা ও নিজেদের রক্ষায় নির্দেশনা সহজেই বুঝে নিতে পারেন এ জন্যে স্থানীয় আঞ্চলিক ভাষায় আমরা প্রচার কার্যক্রম শুরু করি। এ পঞ্চম বারের মতো মাইকিং চলছে। এছাড়া পোস্টার-লিফলেট বিতরণ ও ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
মনে ওয় ই রাস্তার কোনো মাই-বাপ না
বিশ্বনাথ :: সড়ক যখন মরনের আরেক ফাঁদ হয়। তাহলে সড়কের কি আর প্রয়োজন? এমন প্রশ্ন এখন সড়কে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা বলেন, ‘মনে ওয় ই রাস্তার কোনো মাই-বাপ নাই, এর লাগি অউ রাস্তার অত বাদ অবস্থা। হারা সমস্ত রাস্তা জুরি খালি শুধু গাত আর গাত। দেখলে লাগে ইকানও পুসকুনি (পুকুর) করা অইছে।
সিলেটর বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়ক এখন হয়েছে সত্যি সত্যি একটি মরণ ফাঁদ! এসড়কের করুন পরিনতিতে ভোগান্তিতে পড়ছেন দুই জেলার জনসাধারণ। জনবহুল প্রধান একটি সড়ক হচ্ছে সেটি। সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থেকে সিলেট জেলা সদর ও বিশ্বনাথ উপজেলা সদরের সাথে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ওই সড়কটি। ওই সড়ক দিয়ে সিলেট-রশিদপুর-বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুরসহ আশপাশ এলাকা থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ যানবাহনে চলাচল করেন এবং ব্যবসায়ী কাজে পন্যবাহী ট্রাক দ্বারা মালামাল বহন করে থাকেন। সংস্কার কাজ করতে বিশ্বনাথ -জগন্নাথপুর সড়কের সাবব্যাচ ভরাট করে রেখে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এ সড়কে প্রচুর পরিমাণে সাগরের ন্যায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে সড়কে কাঁদা জমে জনসাধারণসহ রোগী নিয়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পন্যবাহী ট্রাকগুলো গর্তের মধ্যে ধাবীয়ে পড়ে যানচলাচলে বাধাঁ সৃষ্টি করে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় জনসাধারণকে। উপজেলা প্রকৌশলীর অফিস সুত্র জানায়, বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর ১৩.৯ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজের ব্যয় বাবদ সরকার থেকে বরাদ্দ আসে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা। আর ওই সংস্কার কাজের দায়িত্ব পায় শাওন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। গত ডিসেম্বর মাসে সড়ক সংস্কার ও প্রসস্থকরণের কাজ শুরু করা হয়েছে। দীর্ঘ ৯ মাস আগে ওই সড়কের সংস্কার ও প্রশস্থকরণের কাজ শুরু হলেও নেই কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি। ধীরগতিতে চলছে কাজের মাত্রা। অনেক ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহনসহ পন্যবাহী বড়বড় ট্রাকগুলো। তাছাড়া সড়কের পাশে থাকা গাছগুলো কর্তন না করে সড়কের ভিতরে রেখেই ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করে সংস্কার কাজ চলছে। যা ভবিষ্যতে আরো বড় ধরণের বিপদের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মনগড়া এমন কাজে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন সর্বস্থরের জনসাধারণ। এব্যপারে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ জানান, করোনা ও বৃষ্টির কারণে সড়কের কাজ বন্ধ ছিল। এখন শুরু হয়েছে। বিধিমতে কাজ দ্রুত সময়ে শেষ করা হবে।





দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে ভোটারদের মুখ কালো : জুঁই চাকমা
গণহারে গ্রেফতার বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জুঁই চাকমা
কালো টাকা ও পেশিশক্তি দিয়ে এবার ভোটের বাক্স ভরা যাবে না : সাইফুল হক
রাবিপ্রবি’র উপাচার্য এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ২১ জন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ
রাঙামাটি-২৯৯ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর ভূমিকা রহস্যজনক : জুঁই চাকমা
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আয়োজনে রাঙামাটিতে বেগম খালেদা জিয়া’র শোক সভা
রাঙামাটি জেলাবাসির সুখ-শান্তি কামনায় রাজবন বিহারে জুঁই চাকমা পূণ্যানুষ্ঠান
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বিবেচনায় না নিয়ে দূর্বৃত্ত সন্ত্রাসীসের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নিন
রাঙামাটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জুঁই চাকমা রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়ন জমা
দলীয় মনোনয়ন হাতে পেলেন রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জুঁই চাকমা