শিরোনাম:
●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : সভাপতি অহিদ-সম্পাদক হাকিম ●   দূর্গম পাহাড়ে শিশুদের মাঝে শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ ●   আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু ●   ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা ●   বান্দরবানে বিএনপির সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ ●   পার্বতীপুরে মোস্তফাপুর ইউপি ভবন পূর্বস্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ●   কুষ্টিয়ায় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে দুই যুবককে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ ●   বান্দরবানের নতুন ডিসি নাজনীন সুলতানা ●   রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন ●   নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ : আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী ●   পার্বতীপুরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বাড়তি দামে বিক্রয়ের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ●   ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্বে এমদাদুল হক চৌধুরী ●   রাবিপ্রবি’তে আচরণ ও শৃঙ্খলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ●   ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে নারী আটক ●   রাউজানে চেকপোস্টে পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার ●   আত্রাইয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১ ●   ঝালকাঠিতে পালিত পিতার বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ●   বান্দরবানে দুই দিনব্যাপী সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ●   সাংবাদিকদের সাথে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় ●   রাঙামাটিতে জমি বিরোধ নিয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের চার্জশিট ●   ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ●   আত্রাইয়ে গোয়ালঘরের জানালার ইট খুলে দুটি গরু চুরি ●   মিরসরাইয়ে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ●   তায়কোয়ানডো ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশীপে রাজশাহী ১৫টি পদক জয়ী ●   আত্রাইয়ে সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পুলিশ বক্সের উদ্বোধন ●   গাজীপুরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ●   ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ●   সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য গ্রেফতার-৩ ●   পানছড়িতে পিস্তল, গুলি ও ভারতীয় মাদকসহ ২ লাখ ৬১ হাজার টাকার পণ্য জব্দ
রাঙামাটি, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শুক্রবার ● ২২ জানুয়ারী ২০২১
প্রথম পাতা » জাতীয় » হে বাঙ্গালি জাতি কোথায় বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি
প্রথম পাতা » জাতীয় » হে বাঙ্গালি জাতি কোথায় বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি
শুক্রবার ● ২২ জানুয়ারী ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

হে বাঙ্গালি জাতি কোথায় বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি

ছবি: সংবাদ সংক্রান্তসিরাজী এম আর মোস্তাক, ঢাকা :: বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে এ আবেদন। এ লেখার মূল লক্ষ্য- বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতি বর্জন করে তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালন ও স্বাধীনতার ৫০ বছরপুর্তি উদযাপন; সবই বৃথা ও গাছের শিকড় কেটে ডগায় পানি ঢালার মতন।
এবার মূল কথায় আসি। বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি হলো- তাঁর মুখসৃত ভাষণ ও তদানুযায়ী গৃহীত শাসননীতি। ১৯৭১এ ৭মার্চের ভাষণসহ বহু বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু সুস্পষ্টভাবে বলেছেন- সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি। ২৩মার্চ, ১৯৭১এ একটি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের ডাক দেন এবং সুস্পষ্টভাবে সম্বোধন করেন- সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি। বহু বইতে আছে এবিষয়টি। এসকল বইয়ের পাতায় পাতায় বঙ্গবন্ধুর মুখে স্বাধীনতার ডাক শুনি। এভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধের পূর্বে বঙ্গবন্ধু বহুবার উচ্চারণ করেছেন- সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি শব্দটি।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী, বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেই লাখো জনতার সমাবেশে সুস্পষ্ট ভাষায় সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি নিজ মুখে ৩০লাখ শহীদ ও ২লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের সংখ্যা ঘোষণা করেন এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সংখ্যাগুলো বঙ্গবন্ধু ছাড়া কে প্রথম বলেছেন? ভাষণটি শুনুন অনলাইনে–(https://www.youtube.com/watch?v=GVSx5fbYN9M)|
বঙ্গবন্ধু এ সংখ্যাগুলো শুধু ভাষণেই সীমাবদ্ধ রাখেননি, বাস্তবায়নও করেছেন। তিনি ৩০লাখ শহীদের পক্ষে ৭জনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দিয়েছেন। যেন বাঙ্গালি জাতি এ ৩০লাখ শহীদকে শ্রেষ্ঠ বীরযোদ্ধা হিসেবে শ্রদ্ধা করেন। আর সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালির পক্ষে ৬৬৯ জনকে বীরউত্তম (৬৮), বীরবিক্রম (১৭৫) ও বীরপ্রতীক (৪২৬) খেতাব দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু দেশের সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাদের পক্ষে ৬৭৬ শহীদ ও গাজীকে খেতাব দিয়ে ঘোষিত সংখ্যা বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি এ ৬৭৬ খেতাবধারী ব্যতিত মুক্তিযোদ্ধা ও ৩০লাখ শহীদের কোনো তালিকা করেননি। তাঁর দৃষ্টিতে, ১৯৭১এ এদেশের সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যই শহীদ হয়েছেন। তাদের তালিকা ও সনদ নিস্প্রয়োজন। এটি বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি। বঙ্গবন্ধু এ নীতি অবলম্বন ও খেতাব প্রদান করে মুক্তিযুদ্ধের সাংগঠনিক ভিত্তি রচনা করেছেন। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
এ মুক্তিযোদ্ধানীতি বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার স্থপতি ও প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এ নীতির উৎস হলো- সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোর ও ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যগণ সরাসরি যুদ্ধ না করেই সৈনিক বা যোদ্ধার মর্যাদা পান। সেনাবাহিনীর ঝাড়–দার বা নিন্ম পদের ব্যক্তিরাও যুদ্ধে সম্পৃক্ত না থেকেই সৈনিক বিবেচিত হন। তেমনি ১৯৭১ সালে এদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে থাকবেন চিরদিন। এজন্য বঙ্গবন্ধুর সময়ে মুক্তিযোদ্ধা-অমুক্তিযোদ্ধা বিভাজন ছিলনা। তিনি খেতাবপ্রাপ্ত যোদ্ধাদেরও ভাতা বা বিশেষ সুবিধা দেননি। এমন কেউ কি আছেন, যিনি বঙ্গবন্ধুর সময়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা গ্রহণ করেছেন?
আজ কোথায় বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি এবং সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি, ৩০লাখ শহীদ ও ২লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের স্বীকৃতি? কারা, কিভাবে বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি বিকৃত করেছে? কারা ভারতের লালবই থেকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা আমদানি করেছে? কারা মনগড়া তালিকা করে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ও কোটা পদ্ধতি চালু করেছে? এসব প্রশ্নে স্পষ্ট হবে, কারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি ও ৩০লাখ শহীদের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির বিরোধী?
বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতির ফলে যারা সুবিধা হারাবে, তারাই এর বিরোধী। তারা এ সুবিধার জন্য ৩০লাখ শহীদকে মুক্তিযোদ্ধা মানেন না। তারা বলেন, ৩০লাখ শহীদ যুদ্ধ না করেই মারা গেছেন। শুধুমাত্র তালিকাভুক্ত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধাই এদেশ স্বাধীন করেছেন। এভাবে ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার বিপরীতে বঙ্গবন্ধুর ৩০লাখ শহীদের ঘোষণা, প্রশ্নবিদ্ধ করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। পৃথিবীর কোনো যুদ্ধে শহীদগণ কি যোদ্ধা স্বীকৃতি বঞ্চিত হয়েছে? বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ৩০লাখ শহীদ অথচ ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়েছে। তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ ভাতা ও তাদের সন্তান-সন্ততি কোটাসুবিধা ভোগ করছে। এতে মুক্তিযুদ্ধের নব চেতনা উদ্ভব হয়েছে। দেশে মুক্তিযোদ্ধা-অমুক্তিযোদ্ধা বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। এর একমাত্র সমাধান- বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি বাস্তবায়ন।
বঙ্গবন্ধুর জন্ম, রাজনীতি ও সংগ্রামী জীবনের মূলদর্শন, পাকিস্তানের দুঃশাসন থেকে মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জন। আজ তাঁর মুক্তিযোদ্ধানীতি নেই বলেই, এ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সকল বৈষম্য ও বিভাজনের কারণ। এমতাবস্থায় কিসের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার ৫০ বছরপুর্তি পালন? বঙ্গবন্ধু কন্যাসহ বাঙ্গালী জাতির কাছে আবেদন- সবার আগে হোক, বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধানীতি বাস্তবায়ন।





জাতীয় এর আরও খবর

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন
জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি
বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের শরিকদের সাথে বেঈমানী করেছে : লেবার পার্টির চেয়ারম্যান বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের শরিকদের সাথে বেঈমানী করেছে : লেবার পার্টির চেয়ারম্যান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট
ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি
প্রার্থীদের দলের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক : ভোটকেন্দ্র স্থাপনে ডিসি ও এসপিদের নেতৃত্বে জেলা কমিটি বাতিল : ইসি প্রার্থীদের দলের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক : ভোটকেন্দ্র স্থাপনে ডিসি ও এসপিদের নেতৃত্বে জেলা কমিটি বাতিল : ইসি
বিভক্তি বিভাজনের পথে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন বিসর্জন দেয়া যাবেনা- সাইফুল হক বিভক্তি বিভাজনের পথে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন বিসর্জন দেয়া যাবেনা- সাইফুল হক
পর্বতারোহী প্রকৌশলী কাওছার রূপক-কে  জাতীয় পতাকা হস্তান্তর পর্বতারোহী প্রকৌশলী কাওছার রূপক-কে জাতীয় পতাকা হস্তান্তর
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অলাভজনক করতে পারলে নির্বাচনে ইদুর দৌড় অনেক খানি বন্ধ করা সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অলাভজনক করতে পারলে নির্বাচনে ইদুর দৌড় অনেক খানি বন্ধ করা সম্ভব
স্বাধীতনার ৫৩ বছরে প্রথম বার জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা পেলেন দলিত জনগোষ্ঠীর নেতা ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু স্বাধীতনার ৫৩ বছরে প্রথম বার জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা পেলেন দলিত জনগোষ্ঠীর নেতা ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)