শিরোনাম:
●   মনোনয়ন জমা দিলেন উজানগ্রাম ইউপি’র সানোয়ার মোল্লা ●   রাঙামাটি কারাগারে মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক আলোচনা সভা ●   রুমা উপজেলায় মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে পিসিজেএসএস নেতা আবিস্কার চাকমা নিহত ●   দেশের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা জানালেন কালীগঞ্জ থানার ওসি ●   পাটিকাবাড়ি ইউপি’র চেয়ারম্যানের মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল ●   বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকান্ড দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন সৌদি মন্ত্রী ●   কাফনের কাপড় গলায় ঝুলিয়ে প্রচারণা চালানো বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত ●   কুষ্টিয়ায় বিদ্রোহীদের চাপে নৌকার ভরাডুবি ●   ঝালকাঠিতে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন : নীতিমালা বাস্তবায়নের সভা ●   ময়মনসিংহ মেডিকেলের করোনা ইউনিটে করোনা উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু ●   কাউখালিতে ৪ ইউপিতে নিবাচন সম্পন্ন ●   রাঙামাটিতে ভোট চুরি ও ভোট গননায় অনিয়মে সড়ক অবরোধ ●   নবীগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে ১৩ ইউপির মধ্যে ৪টি নৌকা ৪টি বিদ্রোহী,৩টি বিএনপি,২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী ●   হিজড়া প্রার্থীর কাছে পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে নৌকার ভরাডুবি ●   দীঘিনালা ও মহালছড়ির ৭ ইউপিতে নির্বাচনে জয়ী যারা ●   নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি-এমএল’র সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ●   তামাক কোম্পানির সিএসআর বন্ধ করতে হবে ●   বাংলাদেশে এখন একটা গাছের পাতা নড়তে পারে না শেখ হাসিনার কথা ছাড়া : সোনার বাংলা পার্টির ১২তম বর্ষপূর্তিতে মান্না ●   মাইসছড়ি ইউপিতে আনারস মার্কার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজাই মারমা জয়ী ●   নির্বাচনী সহিংসতায় দীঘিনালায় ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে হামলা : আহত-১৬ ●   তৃতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন গাইবান্ধায় চলছে ভোটগ্রহণ ●   বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন : কৃষকের মুখে হাসি ●   শহীদ মিলন দিবসে শহীদের প্রতি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ●   ভারতে কৃষক জাগরণের বিজয়ের বার্তা-সাইফুল হক ●   মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নির্মাণ কাজে দরপত্র প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ ●   রামগড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস,বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল ●   কালীগঞ্জে গভীর রাতে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা ●   চার্চফিল্ড ওয়ার্ডে লিবডেমের কাউন্সিলার প্রার্থী অহিদ উদ্দিনের গণসংযোগ ●   দীঘিনালার ইউপি নির্বাচনে এই প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান পদে নারী প্রার্থী
রাঙামাটি, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২৮


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শুক্রবার ● ১৯ নভেম্বর ২০২১
প্রথম পাতা » কৃষি » কৃষকের আমনের স্বপ্ন ডুবেছে পানিতে: শ্রমিক বেঁচাকেনার হাটে উপচে পড়া ভীড়
প্রথম পাতা » কৃষি » কৃষকের আমনের স্বপ্ন ডুবেছে পানিতে: শ্রমিক বেঁচাকেনার হাটে উপচে পড়া ভীড়
৭৪ বার পঠিত
শুক্রবার ● ১৯ নভেম্বর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কৃষকের আমনের স্বপ্ন ডুবেছে পানিতে: শ্রমিক বেঁচাকেনার হাটে উপচে পড়া ভীড়

ছবি : সংবাদ সংক্রান্তজাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :: নিম্নচাপের প্রভাবে তিন দিন চলেছে থেমে থেমে বৃষ্টি। যা মাঠভরা পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। কেননা এ এলাকার অধিকাংশ পাকা আমনের ক্ষেত এখন কাদা পানিতে একাকার। এভাবে কয়েকদিন থাকলে খরচের টাকাও আসবে না। কোন কোন ক্ষেতের ধান বৃষ্টির আগেই কেটে গোখাদ্যের জন্য রয়েছে ফেলে রাখা হয়েছে। আবার কোন কোন ক্ষেতের ধান না কাটলেও বৃষ্টি ও বাতাসে মাটিতে নুয়ে পড়ে এখন পানির নিচে। তবে কিছু ক্ষেত ভালো থাকলেও কেটে ঘরে তোলা জরুরি। ক্ষেতের ধান নিয়ে এমন বেকায়দায় সব আমন চাষিই। এমন অবস্থায় সবারই শ্রমিক দরকার। তাইতো কৃষি শ্রমিক নিয়ে কাড়াকাড়িতে শ্রমিক বেঁচাকেনার হাটে চলছে উপচে পড়া ভীড়। প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক যেন হটকেক। যে যার মতো বেশি মজুরি দিয়ে শ্রমিক আয়ত্বে নিচ্ছেন। আবার বাজার গরমের এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে শ্রমিকরা ও ইচ্ছামতো মজুরি হাঁকিয়ে নিচ্ছেন। এমন অবস্থা বিরাজ করছে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ শহরের শ্রমিক বেঁচাকেনার হাটে। কালীগঞ্জ শহরের শ্রমিক বেঁচাকেনার হাটে গেলে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে কাজের সন্ধানে আসা কৃষি শ্রমিকরা অপেক্ষা করছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে শীতের পোশাকের ব্যক্তিগত ব্যাগ। তাদের আশা একটু বেশি দামে কেউ কিনে তাদের বাড়িতে নিয়ে যাবেন। মিলবে তাদের কাজের নিশ্চয়তা। আবার আমন চাষিরাও শ্রমিক নিতে ব্যস্ত থাকছেন। মনে হলো বেশি দামে শ্রমিক নিতে কৃষকদের মাঝে যেন অলিখিত পাল্লা চলছে। আবার উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গেলে দেখা যায়, ক’দিনের বৃষ্টি বাতাসে ক্ষেতের বাইল ভারী সব ধান গাছ মাটিতে শুয়ে পড়েছে। অসময়ের এ বৃষ্টিতে নিচু মাঠের জমি গুলোতে আরও বেগতিক অবস্থা। অনেক ধান গত তিন দিনে চারা বের হতে শুরু করেছে। আর অপেক্ষাকৃত একটু উঁচু জমির ধান এখনও রোদ হলে বাঁচানো সম্ভব। এ কারণেই কৃষি শ্রমিক টানতে কৃষকদের এত চেষ্টা। চাষি মনজের আলী জানান, মাঠে নিজের কোন চাষযোগ্য জমি নেই। মাঠের রাকিবুল ইসলাম ও বল্টু মিয়ার ৩ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে সারা মৌসুম ক্ষেতে কাজ করেছি। ক্ষেতে ধানও হয়েছিল ভালো। কিন্তু গত কয়দিনের অসময়ের বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন না খেয়ে মরতে হবে। ক্ষেতের ধান বাঁচাতে হলে দ্রুতই ভেজা ধান শুকাতে হবে। সে জন্য ভেজা ধান ক্ষেতে পানি থেকে উঠিয়ে অপেক্ষাকৃত উঁচুস্থানে রাখতে হবে। কিন্তু প্রতি বছর এ মৌসুমে মহেশপুর, পাবনা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়াসহ কয়েকটি জেলা থেকে শ্রমিক হাটে আসেন কাজের আসায়। এ বছরও পালে পালে অতিথি শ্রমিক আসছেন কিন্তু এ শ্রমিক নিয়ে চলছে কাড়াকাড়ি। মজুরিও হাঁকিয়ে নিচ্ছেন ইচ্ছো মতো। জামাল ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামের কৃষক খোকন মিয়া জানান, এ বছর মোট ১৬ বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছিলেন। এরমধ্যে অতিথি কৃষি শ্রমিক যারা পাবনা থেকে এসেছে তাদের দিয়ে বৃষ্টির আগে ১৪ বিঘা ধান কেটে জমিতে ফেলানোর পরের দিনই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুধু তার একার নয় ওই গ্রামের অধিকাংশ কৃষকই ক্ষেতের ধান গোখাদ্য বিচালি খড়ের জন্য শুকাচ্ছিলেন। কিন্তু তা তো হলোই না বরং ধান পানির মধ্যে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে। আর গোখাদ্যের মূল্যবান বিচাল পঁচে গলে নষ্ট হচ্ছে। সাদিকপুর গ্রামের আমন চাষি সাজেদুল ইসলাম জানান, মোট ১১ বিঘা আমন ধানের মধ্যে মাত্র ৪ বিঘা জমির ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। বাকি ধান ক্ষেতের পানি ভরা মাটিতে নুইয়ে পড়েছে। তিনি আরও জানান, এ মৌসুমের আমন ধানের বিচালি বা খড় অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি বিঘা জমির বিচালি এখনই বিক্রি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে ধান ও বিচালি উভয়ই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অবস্থা এমন এবার মানুষ হয়তো ধার-দেনা করে বাঁচতে পারবে কিন্তু কৃষকের সম্পদ গবাদি পশু কিভাবে বাঁচবে। তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির আগে কৃষি শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছিল কিন্তু বৃষ্টির পরে কৃষি শ্রমিক মেলানোই যাচ্ছে না। আর আগের চেয়ে মজুরিও আকাশ সমান। প্রতি শ্রমিক এখন মজুরি চাচ্ছেন ৮০০ টাকা। আবার শ্রমিক বেচাকেনার হাটেও সবাই ধান বাঁচাতে শ্রমিকনিয়ে কাড়াকাড়ি করছেন। ফলে এখন হিসেব করে দেখা যাচ্ছে ধান তোলা, বাড়িতে আনা, মেশিনে ধান ঝাড়ার জন্য শ্রমিকদের মজুরি, সার কীটনাশকের টাকা দিলে আর কিছুই থাকছে না। অনেক ক্ষেতের মালিককে খরচ মেটাতে গাঁটের টাকা দিয়ে পূরণ করতে হবে। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসসূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে এ উপজেলার ধানচাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৫শ’ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছে ১৮ হাজার ৭শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২শ’ ৫০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। এরমধ্যে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ জমির ধান কৃষকেরা ঘরে তুলতে পেরেছেন। বাকিটা ক্ষেতের ধান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।



google.com, pub-4074757625375942, DIRECT, f08c47fec0942fa0

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)