বুধবার ● ৬ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » কৃষি » হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি
হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি
আমির হামজা, রাউজান প্রতিনিধি ::দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর রেণু বিক্রি শুরু হয়েছে। ডিম থেকে রেণু উৎপাদনের পর হ্যাচারিগুলোতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হতে আসা মৎস্য চাষিরা ভিড় করছেন।
সোমবার ৪ মে থেকে হালদার দুই পাড় রাউজান ও হাটহাজারী এলাকার হ্যাচারিগুলোতে এই রেণু বেচাকেনা শুরু হয়।
মঙ্গলবার থেকে পুরোদমে রেণু বিক্রি হচ্ছে। প্রথম ধাপে উৎপাদিত রেণু বিক্রি করে দুই কোটি টাকার বেশি লেনদেনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত বৃহস্পতিবার এপ্রিল মাসের শেষ দিনে হালদা নদীতে কার্প জাতীয় মা মাছ ডিম ছাড়ে। এবার জেলেরা প্রায় ৬ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ করেছে। নদী থেকে সংগ্রহীত এসব ডিম ফোটানোর জন্য হ্যাচারি ও মাটির কুয়াগুলোতে নেওয়া হয়। রাউজানের মোবারকখীল হ্যাচারি ও এনজিও সংস্থা আইডিএফ হ্যাচারি, হাটহাজারী অংশের শাহ মাদারী হ্যাচারি, মদুনাঘাট হ্যাচারি ও মাছুয়াঘোনা হ্যাচারিতে উৎপাদিত রেণু বিক্রি শুরু হয়েছে বলে মৎস্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। এই বছর প্রতি কেজি রেণু বিক্রি হচ্ছে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৭০হাজার টাকা পর্যন্ত। গত বছরও প্রতি কেজি রেণু বিক্রি হয়েছিল ১লাখ থেকে প্রায় ১লাখ ৫০হাজার টাকায়। তবে ক্রেতা বাড়লে এবার দামও আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন জেলেরা।
হাটহাজারী শাহ মাদারী হ্যাচারি বিক্রেতা মো. ইলিয়াস জানান, তিনি প্রথম দিনে আড়াই কেজি রেণু বিক্রি করেছেন যা ১লাখ ২০ হাজার টাকা ধরে।
অন্যদিকে আইডিএফ হ্যাচারি ব্যবস্থাপক নূরুল হাকীম জানান, দুপুর ২টার দিকে ১কেজি রেণু তারা বিক্রি করেছে। যার মূল্য ছিলো ১লাখ ৪০হাজার টাকা। তিনি জানান তাদের কাছে অনেক ক্রেতা এসেছে বেচাকেনা চলছে।
হ্যাচারিতে আসা মৎস্য চাষিরা জানান, গতবারের মতো এবারও রেণুর দাম বেশ চড়া। তবে জেলে ও মৎস কর্মকর্তারা জানান, হালদায় পুরোপুরি ডিম ছাড়ার সময় মে মাস, কিন্তু এবার ব্যাপক বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে আগেই ডিম ছেড়েছে মা মাছ। তারা বলছেন, যদি সামনে আবারও ডিম ছাড়ে তখন রেণুর দাম কমতে পারে।
রাউজান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন ফাহিম বলেন, সোমবার থেকে রেণু বিক্রি হলেও আজ মঙ্গলবার থেকে অনেক বেশি বিক্রি হচ্ছে। নদী থেকে সংগ্রহ করা প্রথম ধাপের ৬ হাজার কেজি ডিম থেকে প্রায় ১৫২ কেজি রেণু পাওয়া গেছে। হালদা গবেষক ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, হালদা নদীর সংগৃহীত ডিম থেকে উৎপাদিত রেণু গতকাল সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিক্রি শুরু হয়েছে।
তবে মঙ্গলবার থেকে সবগুলো হ্যাচারি ও মাটির কুয়া থেকে পুরোদমে বিক্রি চলছে। প্রথম দিনে দরকষাকষির মাধ্যমে ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রথম দিনে রেণু বিক্রি হয়। তিনি জানান আজ মঙ্গলবার মঙ্গলবার মাছুয়াঘোনা হ্যাচারিতে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৭০ হাজার টা’কা থেকে সর্বনিম্ন ১ লক্ষ ৫০ হাজার পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।
এই গবেষক আরও জানান, চলতি মে মাসে (১৪ মে-১৯ মে) পর্যন্ত অমাবস্যার জোঁ ও (২৯ মে -৩ জুন) পূর্ণিমার জোঁ রয়েছে। আশা করছি অনুকূল পরিবেশ থাকলে মা মাছ নদীতে পুরোদমে ডিম ছাড়বে।





রঙ্গিলা ফুলকপি চাষে সফল ঈশ্বরগঞ্জের কৃষক আব্দুস সালাম
আত্রাইয়ে সরিষা ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা
ঈশ্বরগঞ্জে নবান্ন উৎসবের আমেজে গ্রামীণ জনপদ
আত্রাইয়ে পাট চাষে দিন দিন আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা
কাউখালীতে কৃষি অধিদপ্তরের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত
ঝালকাঠিতে আম বাগান হয়ে উঠেছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
বাগেরহাটে লবণাক্ত পতিত জমিতে মাঠজুড়ে সূর্যমূখীর হাঁসি ঝিলিক
আত্রাইয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের বীজ চাষ