সোমবার ● ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের আয়োজনে কাউখালীতে দিন ব্যাপি কর্মশালা
ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের আয়োজনে কাউখালীতে দিন ব্যাপি কর্মশালা
মো. ওমর ফারুক, রাঙামাটি :: রাঙামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ ও কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে “পার্বত্য চট্টগ্রাম সবুজায়নের মাধ্যমে বন ও জীববৈচিত্র সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প “এর আওতায় স্থানীয় ক্ষুদ্র - নৃগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনগনের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে দিন ব্যাপি এক কর্মশালা সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
দিন ব্যাপি আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাজিব হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ রাঙামাটি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কুদ্দুছ ভুইয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি অ- শ্রেণীভুক্ত বনাঞ্চল বনীকরণ সহকারী বন সংরক্ষক জি এম আবু বক্কর ছিদ্দিক, বিএনপি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মোতালেব সাবেক মেম্বার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ খাসখালী রেন্জ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জলিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাঙামাটি সদর বীজ, বীজতলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম।
এ সময় কর্মশালায় অংশ গ্রহণ করেন সাংবাদিক মোঃ ওমর ফারুক, বিএনপি উপজেলা শাখা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবু বক্কর তারা মিয়া, কলমপতি হেডম্যান ম্রানুচিং মারমা, জেলা কৃসক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, বেতবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সেলিম, মহাজন পাড়া বৌদ্ধ বিহার প্রতিনিধি ভদন্ত উঃ ধাম্মা ভাজিতা ভিক্ষু, বেতবুনিয়া টিএনটি জামেমসজিদ খতিব হাফেজ মোঃ সাবের, ৯৫ নং খাসখালী মৌজা হেডম্যান অভিষেক দেয়ান সহ কর্মশালায় অংশ গ্রহণকৃত অংশ গ্রহণ কারীগন। কর্মশালায় মোট ২৫ জন অংশ গ্রহণ করেন।
কর্মশালায় অংশ গ্রহণ কারী গন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবুজায়নের মাধ্যমে বন ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বন আমাদের জন্য খুবই অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ যে যদি বনই না থাকে তাহলে আমরা সবুজ বন কোথায় পাবো। এই ৩ জেলায় সবুজায়ন বনাঞ্চল অত্যান্ত প্রয়োজনীয় সম্পদ? যেহেতু আমাদের এই পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩ টি জেলায় এই প্রকল্প কাজ করবে সেহেতু প্রকল্পের কাজ যেন যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
কর্মশালায় বন বিভাগের প্রতিনিধিরা বলেন, সরকারের বন বিভাগের যে সকল পিএফ জায়গা জবরদখল হয়েছে তা সরকার পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করবেন বলে জানান। প্রতিনিধিরা আরো বলেন বর্তমান সরকার বন বিভাগের দখল হয়ে যাওয়া জায়গা সরকারী নিয়ম মেনে আস্তে আস্তে উদ্ধার করবেন বলে জানান। খাসখালী রেন্জের অধিনে ৩ টি বিটের যে সকল জায়গা পূর্ববর্তী সরকারের আমলে জবর দখল হয়ে গিয়েছে তাও সরকারি উর্দত্তন কতৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক আগামীতে এই জবরদখল হওয়া জায়গা গুলি প্রশাসনের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হবে বলে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানান। সরকারি বন ও জীববৈচিত্র্য প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করার পাশাপাশি সরকারি বন বিভাগের জায়গা জবরদখল কারীদের হত রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্বও বলে সবাই তাদের বক্তব্যে মতামত ব্যাক্ত করেন।





রাঙ্গামাটিতে আল আমীন সুন্নী যুব সংঘের আজিমুশশান মাহফিল
রাঙামাটি জেলা বিএনপি নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে আওয়ামীলীগ নেতা সহ-সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া
বান্দরবানে হাত-পা বাধা অবস্থায় দিনমজুরের মরদেহ উদ্ধার
বান্দরবানে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে ভ্রমণে বাড়ল খরচ
বাসের ধাক্কায় রাউজানের যুবকের মৃত্যু
সায়েম স্যার সায়েম স্যার স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল চুয়েট