শুক্রবার ● ১৪ জানুয়ারী ২০২২
প্রথম পাতা » সকল বিভাগ » বিশ্বনাথে প্রতিবেশির অত্যাচারে বাড়িছাড়া ফাতেমার পরিবার
বিশ্বনাথে প্রতিবেশির অত্যাচারে বাড়িছাড়া ফাতেমার পরিবার
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে বাড়ির সীমানাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশি কয়েক ব্যক্তির অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে একটি পরিবার।
এ কারণে বাড়িছাড়া হয়েছেন তারা। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তাদেরকে নিরাপত্তা না দিয়ে বরং সন্ত্রাসীদের পক্ষে নিয়ে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
বুধবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেছেন বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের আব্দুল কাহারের স্ত্রী ফাতেমা বেগম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বামীর আপন চাচাতে ভাই দিলশাদ মিয়ার সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়।
এ নিয়ে দিলশাদের স্ত্রী রুফেনা বেগম আমাদের বিরুদ্ধে (বিশ্বনাথ নন-জিআর মামলা নম্বর ১৭০/২০২১) মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।’
এর জের ধরে একের পর এক হামলা অব্যাহত রয়েছে দাবি করে ফাতেমা বেগম আরও বলেন, ‘ কিন্তু, দিলশাদ মিয়ারা তাতে ক্ষান্ত হয়নি। গত ২১ নভেম্বর দিলশাদ মিয়া ও তার সহযোগীরা আমাদের বসতঘরে অতর্কিত হামলা চালায়।
এরপর গত ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ৩টায় তারা আমাদের বাংলা ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।
আগুনে আমাদের পালিত ৩৫টি কবুতর, সোফা সেট, পালংসহ আসবাবপত্র ও ঘরের টিনসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পরও মামলার এজাহারে কবুতর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার বিষয়টি বাদ দেয় বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।’
‘ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে আমার স্বামীকে তাড়া করে ছাতক এলাকায় নিয়ে যায় তারা এবং পরে তারা আমাকে মারধর করতে আমার বসতঘরে হামলা চালায়।
তাৎক্ষণিকভাবে আমি থানায় কল দিলে কেউ আমার চিৎকারে এগিয়ে আসেননি। একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে ৯৯৯-এ কল দিলে সন্ধ্যার পর বিশ্বনাথ থানার এসআই সাইফুল মোল্লা আমার বাড়িতে যান।
তিনি গিয়ে উল্টো আমাকে হুমকিধামকি দেন। ভবিষ্যতে আর যাতে দিলশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না করি বলে শাসিয়ে যান।’
অসহায় এই নারী আরও অভিযোগ করেন, ‘থানা পুলিশের কোনো সহযোগিতা না পেয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর আমি সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করি।
এসপির নির্দেশে ২১ ডিসেম্বর বিশ্বনাথ থানার ওসি আমাদের বাড়িতে যান। কিন্তু সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
ফাতেমা বেগম আরও অভিযোগ করেন, ‘এখনও আসামিরা বাড়িতে প্রকাশ্যে সশস্ত্র অবস্থায় মহড়া দেয়। আমাকে সবসময় প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এমনকি আমার মাধ্যমিকে পড়ুয়া দুই মেয়েকে ধর্ষণের হুমকিও দিয়েছে। আসামীরা এতোই প্রভাবশালী যে তারা পাড়াপড়শি ও আমার মামলার সাক্ষীগণকেও বিভিন্নভাবে মামলা হামলার হুমকি দিয়ে আমাকে একঘরে করে রেখেছে।’
প্রতিপক্ষের লোকজন এলাকার গরিব মানুষকেও নানাভাবে হয়রানি করছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘তারা এলাকার কাউকে পাত্তাই দেয় না। অর্থের জোরে পুলিশও তাদের কথামতো কাজ করে।
এ জন্যে বিশ্বনাথ থানার কর্মকর্তাদের উপর আমাদের আস্থা নেই। আমাদের দায়েরকৃত মামলার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডি কিংবা পিবিআইকে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও নিজেদের প্রাণরক্ষায় ফাতেমা বেগম সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, আইজিপি’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন।





অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে
ঈশ্বরগঞ্জে আইসিটি ভবন নির্মাণে বাধা : শিক্ষকদের মানববন্ধন
তামাক করকাঠামোয় সংস্কারে বাড়বে রাজস্ব, কমবে অকাল মৃত্যু
কুষ্টিয়ার লাহিনী বটতলায় রহস্যজনক বিস্ফোরনে আহত-১
ঈশ্বরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন
নবীগঞ্জে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব উদ্বোধন করলেন এমপি রেজা কিবরিয়া
আত্রাইয়ে বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ