শিরোনাম:
●   পার্বতীপুরে ভুট্টার বাম্পার ফলন ●   আগামীর ঈশ্বরগঞ্জ গড়তে এমপি মাজেদ বাবুর নতুন উদ্যোগ ●   পুরান ঢাকার ঐতিহ্য রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হাজী মাসুদ ●   ঈশ্বরগঞ্জে এক স্কুল থেকেই ৬ বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার ●   বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য কাজলকে কক্সবাজার পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ●   কাপ্তাইয়ে রূপসী কাপ্তাইয়ের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সংবর্ধনা ●   পার্বতীপুর-রংপুর মহাসড়কে ২০ গজে তিন স্পিড ব্রেকার, বাড়ছে দুর্ঘটনা ●   ঝালকাঠিতে মাদক মামলায় চেয়ারম্যানের পুত্রসহ আটক-২ ●   সংসদ সদস্যপদকে অলাভজনক করা দরকার ●   নাঈম উদ্দীনের উপর পুলিশের হামলার ঘটনায় গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের প্রতিবাদ ●   পার্বত্য চট্টগ্রামে রোজার মাসে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিসি এসপিদের তৎপর থাকার নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর ●   ঝালকাঠির দুই সংসদ সদস্যের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা ●   ১৮০ দিনের কর্মসূচি দৃশ্যমান করা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর ●   কাপ্তাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন ●   কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এর শ্রদ্ধা ●   রাবিপ্রবিতে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ●   আমের মুকুলে সেজেছে ঈশ্বরগঞ্জ : বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ●   একুশ মানেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান : চুয়েট ভিসি ●   ভাষা শহীদদের প্রতি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ●   নেতৃত্ব নয়, সেবক হয়ে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকতে চান হাজী মিল্টন রহমান ●   নবীগঞ্জে জঙ্গল থেকে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ●   রাঙামাটিতে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলী ●   কাউখালীতে ব্রাকের কীটনাশকযুক্ত মশারী বিতরণ ●   গোলাপগঞ্জে কলার বাজারে ক্রেতারা দিশেহারা ●   ঈশ্বরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ চিকিৎসক যোগদান ●   আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ●   মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে পার্বতীপুর জামায়াতে ইসলামী র‌্যালি ●   সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ●   তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শুভেচ্ছা ●   কেপিএম স্কুলের ছাত্র জাহেদ উর রহমান এখন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২
প্রথম পাতা » কৃষি » পানির অভাবে ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির: উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা
প্রথম পাতা » কৃষি » পানির অভাবে ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির: উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা
শনিবার ● ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পানির অভাবে ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির: উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা

 ---ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :: ঝিনাইদহে পানির অভাবে উচু জমির ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির। ধান গাছের গোড়ায় পানি না থাকায় পোকা মকড়ের উপদ্রুপ বেড়ে যাচ্ছে। সেচ আর কীটনাশক খরচ মেটাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় আমন আবাদ হয়েছে এক লাখ তিন হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ চার হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রার বাকি জমিতে পাট থাকার কারণে আবাদে দেরি হচ্ছে বলে জানায় জেলা কৃষি বিভাগ। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, পানির অভাবে ফসলের জমিগুলো ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এতে অনেক জমির ধান মরে যাচ্ছে। অনেক কৃষক ধান বাঁচাতে জমিতে সেচ দিচ্ছেন। আর প্রতিবার সেচ দিতে বিঘাপ্রতি গুনতে হচ্ছে এক হাজার টাকা। উদয়পুর গ্রামের কৃষক আকাশ বলেন, পানির অভাবে জমি ফেটে চৌচির। ধান লাগানো প্রায় এক মাস হয়ে গেছে, এখনো কোনো উন্নতি নেই। আর জমিতে দেওয়ার জন্য সার তো পাওয়াই যাচ্ছে না। বাজারে সার আনতে গেলে বলছে সার নেই, আবার বেশি টাকা দিলে সার পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সাত বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছি। এখন সব ধান মরে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ধানের জমি চাষ দিয়ে অন্য আবাদ করি। হলিধানীর কৃষক আলম বলেন, ধান লাগানোর পরে পানির অভাবে সার দিতে পারিনি। ধানের জমি সব ফেটে গেছে। আর বৃষ্টি না হলে সেচ দিয়ে ধানের আবাদ করলে তেমন লাভ হবে না। তারপরও বাধ্য হয়ে আমরা পানি সেচ দিচ্ছি। বংকিরা গ্রামের কৃষক বাবুল বিশ^াস জানান, এবছর উৎপাদক খরচ বেশি হবে। ধান চাষ করে দেনা দিতে দিতে কৃষক ফতুর হবে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল করিম বলেন, ঝিনাইদহে আমন ধান রোপণ প্রায় শেষ। এবছর আবহাওয়ার পরিবর্তন দৃশ্যমান। আষাঢ়-শ্রাবণ চলে গিয়ে ভাদ্র মাস চলছে, কিন্তু বৃষ্টির দেখা নেই। তিনি বলেন, কৃষকদের জমি ফেটে যাচ্ছে। তারা মেশিন দিয়ে সেচ দিচ্ছে। সেচের সঙ্গে বৃষ্টির খুব প্রয়োজন। বৃষ্টি পেলে ধানের আবাদ ভালো হবে। তারপরও সেচের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব কি ভাবে ধান উৎপাদন এগিয়ে নেওয়া যায়, সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এদিকে আষাড় গেলো বৃষ্টিহীনতায়। চলে গেছে শ্রাবনও। বৃষ্টির দেখা মেলেনি ভাদ্র মাসের অর্ধেকেও। তীব্র খরা আর ভ্যাপসা গরমে মানুষের ত্রাহি দশা। তপ্ত রোদে ফেটে চৌচির হচ্ছে আমনের ক্ষেত। বৃষ্টির দেখা মেলেনি বর্ষা ঋতুর আড়াই মাসেও। মাঠের পর মাঠ জুড়ে চলছে সেচযন্ত্র। তারপরও কৃসকের স্বস্তি নেই। সেচ দেওয়া পানিও জমিতে বেশিক্ষণ থাকছে না। এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)