শিরোনাম:
●   প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তোলা বসন্তের রুপকন্যা শিমুল বিলুপ্তপ্রায় ●   বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ২৮ বিদেশী পর্যটক ঘুরে দেখলেন ●   ঈশ্বরগঞ্জে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ●   লামায় ৮ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ●   ঝালকাঠি সাংবাদিক ক্লাবের আজীবন সদস্য হলেন বাবু ●   আক্কেলপুরে অযত্ন আর অবহেলায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ●   মিরসরাইয়ে দূরন্ত সংঘের কমিটি গঠিত ●   রাজনীতিতে টাকা নয়, বই বা জ্ঞানচর্চা প্রয়োজন : মোমিন মেহেদী ●   মোরেলগঞ্জে পর্নোগ্রাফি মামলায় ব্যবসায়ী গ্রেফতার ●   ১১ ফেব্রুয়ারী যুগপৎ আন্দোলনে গণতন্ত্র মঞ্চের পদযাত্রার কর্মসূচী সফল করার আহবান ●   নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপেশ দাশের পরলোকগমন ●   প্রথম বাউসী প্রবাসী ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ●   ছয়টি উপনির্বাচনেও আরও একবার নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি গণ হতাশার প্রকাশ ঘটেছে ●   চুয়েটে আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতা সম্পন্ন ●   বিশ্বনাথে ঋণ খেলাপি মামলায় ব্যবসায়ী গ্রেফতার ●   জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসে ভার্চুয়াল মানববন্ধন ●   চিকিৎসকদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের সেবা দেওয়ার আহ্বান ●   পানছড়িতে উন্নত রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে মহিলা সমাবেশ ●   কাপ্তাই লেকের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম অভিযান বন্ধ ●   চসিকের প্রকল্প পরিচালককে মারধরের ঘটনায় চুয়েট শিক্ষক সমিতির নিন্দা ●   মিরসরাইয়ে ট্রাক চাপায় চালকের সহকারী নিহত ●   ঈশ্বরগঞ্জে গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে বরণ অনুষ্ঠান ●   নবীগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা ●   কিছু মেগা প্রকল্প বাতিল করে গ্যাস,বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে ভর্তুকী বৃদ্ধি করুন ●   বড়তাকিয়া যাহেদিয়া নূরানী কিন্ডারগার্টেনে সবক প্রদান অনুষ্ঠান ●   হিরো আলমকে সমর্থন নতুনধারার ●   দৈনিক গণমুক্তির ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ●   খাগড়াছড়িতে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্বোধন ●   রাঙামাটিতে ভিসিএফ নেটওয়ার্ক সেন্ট্রাল কমিটির শপথ গ্রহণ ●   আজকের ছাত্রছাত্রীরা স্মার্ট বাংলাদেশের কারিগর :পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী
রাঙামাটি, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ২৩ জানুয়ারী ২০২৩
প্রথম পাতা » কৃষি » কালের বিবর্তনে ‘জাঁত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প
প্রথম পাতা » কৃষি » কালের বিবর্তনে ‘জাঁত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প
৪০ বার পঠিত
সোমবার ● ২৩ জানুয়ারী ২০২৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কালের বিবর্তনে ‘জাঁত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প

ছবি : সংবাদ সংক্রান্ত নিশাত আনজুমান, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি :: এক সময় জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষি পেশার ওপর নির্ভরশীল। এ উপজেলার কৃষকের ফসলে পানি সেচের আদি যন্ত্র ছিল জাঁত। যা কালের বিবর্তনে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ‘জাত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প হয়ে রয়েছে।

আদিকালে পানি সেচের অন্যতম মাধ্যম ‘জাঁত’ এর অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন নাম থাকলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা একে জাঁত বলেই চেনেন। এক সময় এই জাঁতের ব্যবহার ছিল গ্রাম-বাংলার প্রায় প্রতিটি কৃষকের ঘরে ঘরে। এখন জাঁত চলে গেছে জাদুঘরে। কৃষক হয়ে পড়েছে যন্ত্রনির্ভর।

আক্কেলপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় মাঝখান দিয়ে একে বেকে বয়ে চলেছে নদী-নালা ও ডোবা থেকে জাঁতের মাধ্যমে পানি সেচে কৃষক জমিতে ফসল ফলাতো।

উপজেলার বিভিন্ন প্রবীণ লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগেকার দিনে ফসলি জমিতে পানি সেচের জন্য টিন বা বাঁশের তৈরি সেঁউতি ও কাঠের দোন ব্যবহার করা হতো। নদী, খালবিল বা জলাশয় থেকে টিন বা বাঁশের চাটাই দিয়ে তৈরি সেঁউতি দিয়ে পানি সরবরাহ করা হতো। আর উঁচু-নিচু জমিতে পানি সেচ দিতে ‘জাঁত’ ছিল অতুলনীয়। গ্রাম-বাংলার কৃষকের আদি চিন্তা-চেতনার ফল ছিল এ কাঠের জাঁত আবিষ্কার।
আম অথবা কাঁঠালজাতীয় গাছের মাঝের অংশের কাঠ কেটে নিয়ে তার মাঝখানে খোদাই করে ড্রেন তৈরি করে পানি সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হতো। কোনো কোনো স্থানে নারিকেল, তাল, জিগা, সুপারি ও পাইন গাছ দিয়েও এ জাঁত তৈরি করা হতো। তবে বর্তমানে কাঠের তক্তা দিয়েও এ দোন তৈরি করা হয়। এতে পানি সেচ দিতে শ্রমিক ছাড়া অন্য কোনো খরচ হয় না।

উপজেলার মহিতুড় গ্রামের কৃষক আব্দুস ছামাদ বলেন, ক্রস আকারে দুটি বাঁশের শক্ত খুঁটি মাটিতে পুঁতে তার সঙ্গে লম্বা অন্য একটি বাঁশ বেঁধে দেওয়া হয়। এক অংশে জাঁতের মাথা অন্য অংশে মাটির ভরা (ওজন) তুলে দিয়ে পানিতে চুবিয়ে তুললে একসঙ্গে অনেক পানি উঠে আসে। এভাবে অনবরত পানি সেচ দিলে দ্রুত সেচের কাজ হয়ে যায়। আধুনিক শ্যালো, ডিপ, এলএলপি প্রভৃতি সেচযন্ত্র আসায় জাঁতের ব্যবহার এখন আর নেই।

উপজেলা সোনামুখী গ্রামের কৃষক মজিদ মন্ডল বলেন, নদী-নালা ও বিলে একসময় সারা বছর পানি থাকত। এসব নদী-নালা ও বিল থেকে জাঁতের সাহায্যে ফসলের ক্ষেতে পানি দেওয়া হতো। এখন নদী হয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। ব্যবহার হচ্ছে আধুনিক যন্ত্রপাতির।

এ বিষয়ে উপজেলার সংশ্লিষ্ট কৃষিবিদ জানান, বাংলার কৃষির আদি ঐতিহ্য অনেক কৃষক এখনও শখের বসে কিছু যন্ত্র ধরে রেখেছেন। আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে এসব আদি যন্ত্র একটি শিক্ষনীয় বিষয়। শখের বসে এসব আদি যন্ত্রের ব্যবহার কৃষিতে কৃষকের আগ্রহ ও ভালবাসার বহি:প্রকাশ। শুধু এসব আদি যন্ত্রপাতি নয় কৃষক এখন বিষমুক্ত বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করতে বিভিন্ন দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। যা মানব স্বাস্থ্য, প্রকৃতি ও পরিবেশের জন্য অপরিহার্য।





google.com, pub-4074757625375942, DIRECT, f08c47fec0942fa0

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)