শিরোনাম:
●   নবীগঞ্জে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন ●   মিজানুর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে যোগদান ●   ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১ ●   আরিচা ঘাটের সেকাল আর একাল ●   কেপিএম স্কুলে খালেদা মুজাহিদ টেক সেন্টার উদ্বোধন ●   বেগম খালেদা জিয়ার শোকবইয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষর ●   ঝালকাঠির ২ আসনে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল : ১৬ জন বৈধ ●   খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনে ৭টি প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ, বাতিল-৮ ●   আত্রাইয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন ●   মিরসরাইয়ে ইয়াং জেনারেশন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ●   ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ●   টিমওয়ার্ক ও একাগ্রতাই আমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি : পানাম গ্রুপের এমডি ●   ওসমান হাদির নামে নলছিটি লঞ্চঘাটের নামকরণ ●   পার্বতীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আয়োজনে রাঙামাটিতে বেগম খালেদা জিয়া’র শোক সভা ●   পরকীয়া প্রতিরোধে কঠোর আইন চায় ভুক্তভোগী স্বামী ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনে জুঁই চাকমার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা ●   মিরসরাইয়ে অসহায় মায়ের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান ●   পার্বতীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্টিত ●   মানিক মিয়া এভিনিউয়ে দেশনেত্রীর জানাজায় রাঙামাটি থেকে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ ●   ঈশ্বরগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত ●   বাঙ্গালহালীয়তে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত ●   চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই সংসদীয় আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১০ জন প্রার্থী ●   ঝালকাঠির দুই আসনে ২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা ●   খাগড়াছড়ি আসনে ১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ●   বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক ●   সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির শোক ●   অবশেষে হাতপাখা নিয়ে লড়বেন বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত সাবেক এমপি শাহীন ●   রাজাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত ●   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভোট বিষয়ক অবহিতকরণ সভা
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ২৩ জানুয়ারী ২০২৩
প্রথম পাতা » কৃষি » কালের বিবর্তনে ‘জাঁত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প
প্রথম পাতা » কৃষি » কালের বিবর্তনে ‘জাঁত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প
সোমবার ● ২৩ জানুয়ারী ২০২৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কালের বিবর্তনে ‘জাঁত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প

ছবি : সংবাদ সংক্রান্ত নিশাত আনজুমান, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি :: এক সময় জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষি পেশার ওপর নির্ভরশীল। এ উপজেলার কৃষকের ফসলে পানি সেচের আদি যন্ত্র ছিল জাঁত। যা কালের বিবর্তনে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ‘জাত’ শব্দটি শুধু অতীতের গল্প হয়ে রয়েছে।

আদিকালে পানি সেচের অন্যতম মাধ্যম ‘জাঁত’ এর অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন নাম থাকলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা একে জাঁত বলেই চেনেন। এক সময় এই জাঁতের ব্যবহার ছিল গ্রাম-বাংলার প্রায় প্রতিটি কৃষকের ঘরে ঘরে। এখন জাঁত চলে গেছে জাদুঘরে। কৃষক হয়ে পড়েছে যন্ত্রনির্ভর।

আক্কেলপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় মাঝখান দিয়ে একে বেকে বয়ে চলেছে নদী-নালা ও ডোবা থেকে জাঁতের মাধ্যমে পানি সেচে কৃষক জমিতে ফসল ফলাতো।

উপজেলার বিভিন্ন প্রবীণ লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগেকার দিনে ফসলি জমিতে পানি সেচের জন্য টিন বা বাঁশের তৈরি সেঁউতি ও কাঠের দোন ব্যবহার করা হতো। নদী, খালবিল বা জলাশয় থেকে টিন বা বাঁশের চাটাই দিয়ে তৈরি সেঁউতি দিয়ে পানি সরবরাহ করা হতো। আর উঁচু-নিচু জমিতে পানি সেচ দিতে ‘জাঁত’ ছিল অতুলনীয়। গ্রাম-বাংলার কৃষকের আদি চিন্তা-চেতনার ফল ছিল এ কাঠের জাঁত আবিষ্কার।
আম অথবা কাঁঠালজাতীয় গাছের মাঝের অংশের কাঠ কেটে নিয়ে তার মাঝখানে খোদাই করে ড্রেন তৈরি করে পানি সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হতো। কোনো কোনো স্থানে নারিকেল, তাল, জিগা, সুপারি ও পাইন গাছ দিয়েও এ জাঁত তৈরি করা হতো। তবে বর্তমানে কাঠের তক্তা দিয়েও এ দোন তৈরি করা হয়। এতে পানি সেচ দিতে শ্রমিক ছাড়া অন্য কোনো খরচ হয় না।

উপজেলার মহিতুড় গ্রামের কৃষক আব্দুস ছামাদ বলেন, ক্রস আকারে দুটি বাঁশের শক্ত খুঁটি মাটিতে পুঁতে তার সঙ্গে লম্বা অন্য একটি বাঁশ বেঁধে দেওয়া হয়। এক অংশে জাঁতের মাথা অন্য অংশে মাটির ভরা (ওজন) তুলে দিয়ে পানিতে চুবিয়ে তুললে একসঙ্গে অনেক পানি উঠে আসে। এভাবে অনবরত পানি সেচ দিলে দ্রুত সেচের কাজ হয়ে যায়। আধুনিক শ্যালো, ডিপ, এলএলপি প্রভৃতি সেচযন্ত্র আসায় জাঁতের ব্যবহার এখন আর নেই।

উপজেলা সোনামুখী গ্রামের কৃষক মজিদ মন্ডল বলেন, নদী-নালা ও বিলে একসময় সারা বছর পানি থাকত। এসব নদী-নালা ও বিল থেকে জাঁতের সাহায্যে ফসলের ক্ষেতে পানি দেওয়া হতো। এখন নদী হয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। ব্যবহার হচ্ছে আধুনিক যন্ত্রপাতির।

এ বিষয়ে উপজেলার সংশ্লিষ্ট কৃষিবিদ জানান, বাংলার কৃষির আদি ঐতিহ্য অনেক কৃষক এখনও শখের বসে কিছু যন্ত্র ধরে রেখেছেন। আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে এসব আদি যন্ত্র একটি শিক্ষনীয় বিষয়। শখের বসে এসব আদি যন্ত্রের ব্যবহার কৃষিতে কৃষকের আগ্রহ ও ভালবাসার বহি:প্রকাশ। শুধু এসব আদি যন্ত্রপাতি নয় কৃষক এখন বিষমুক্ত বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করতে বিভিন্ন দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। যা মানব স্বাস্থ্য, প্রকৃতি ও পরিবেশের জন্য অপরিহার্য।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)