শিরোনাম:
●   বাঙ্গালির জীবনে বাংলা নববর্ষ ও কিছুকথা ●   আত্রাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু ●   বেতছড়ি হিলফুল ফুজুল সংঘের প্রবাস ফেরত ৫ সদস্যকে ফুলের সংবর্ধনা ●   আঠারবাড়ীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের মাদক-জুয়া বিরোধী শপথ ●   নবনিযুক্ত ডিজিকে গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের শুভেচ্ছা ●   আগামীকাল বাংলা বছরের শেষদিন চৈত্র সংক্রান্তি ●   কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই ●   আলোচনা ব্যর্থ হলেও উপসাগরীয় যুদ্ধবিরতি আপাতত টিকে আছে ●   কুষ্টিয়াতে মাজার ভাংচুর ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ●   তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপে কমবে অকাল মৃত্যু ●   বর্ষবরণে রাউজানের মহামুনি বিহারে পাহাড়ি-বাঙালির মিলন মেলা কাল ●   এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, স্ব-স্ব নামে উদযাপিত হবে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ●   ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর নিহত ●   সেনা সদস্য পরিচয়ে কণ্যাকে জিম্মি করে টাকা স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ●   ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ●   ভোজ্যতেল, জ্বালানীতেলসহ নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে চট্টগ্রামে ক্যাব এর মানববন্ধন ●   মিরসরাইয়ে ৪ মোটরযানের সংঘর্ষে স্টিলের বান্ডেল ছিটকে পড়ে পথচারীর মৃত্যু, আহত-৩ ●   আত্রাইয়ে সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে অধিক দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ের অভিযোগ ●   র‌্যাব-১৩ অভিযান পার্বতীপুরে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ ও জরিমানা ●   ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয়তায় উৎসব পালনের আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর ●   উচ্ছেদকৃত হকারদের জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা করুন ●   নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার বিতরণ ●   বিএনপি সরকারকে জনগণের গণতান্ত্রিক আকাংখ্যার পক্ষে দাঁড়াতে হবে ●   রাজনৈতিক দল ও জনগণকে সাথে নিয়ে বিপজ্জনক বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের উদ্যোগ নিতে হবে ●   বগাবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ●   রাবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত A ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ●   পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান ●   হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পেলো না ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ●   মাঝ আকাশে বিমানে জন্ম নিল ফুটফুটে শিশু, নাগরিকত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা ●   ‘লেবাননে যুদ্ধবিরতি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়’
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শুক্রবার ● ১৭ আগস্ট ২০১৮
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » বালাসীকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » বালাসীকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা
শুক্রবার ● ১৭ আগস্ট ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বালাসীকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা

---গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: (২ ভাদ্র ১৪২৫ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় রাত ৮.০০মি.) গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে বালাসী ঘাটকে ঘিরে রয়েছে পর্যটনের এক সম্ভাবনা। বালাসী ঘাট গাইবান্ধা জেলা শহর হতে ১০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। এখানে রেলওয়ের ঘাট লোড-আনলোড স্টেশন অবস্থিত। বালাসী ঘাট এখন নৌবন্দর নামে পরিচিত। এই নৌবন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে এমনকি বিদেশেও মালামাল পরিবহন করা হয়। বালাসীকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হলে একদিকে যেমন গাইবান্ধার মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে, তেমনি গাইবান্ধার মানুষও শহর জীবনের বাহিরে গিয়ে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবে। আর তা হলে আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনসহ ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে গাইবান্ধার মানুষের জীবনে।

এমন বিনোদনপ্রেমীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বালাসীর রাস্তার দুইধারে বিভিন্ন প্রকার ফুল ও ফলের গাছ, শোভাবর্ধনকারী গাছ, ছায়া প্রদানকারী গাছ লাগানো হলে দৃষ্টিনন্দন হবে বালাসী। থাকতে হবে বিদ্যুতের ব্যবস্থা, বিশ্রামের জন্য ঘরসহ বসার ব্যবস্থা। তৈরি হতে পারে নারিকেল ও সুপারির বাগান। যা আকর্ষনীয় এক দৃশ্যের সৃষ্টি হবে ও চলার পথে দৃষ্টি কাড়বে মানুষের। এতে করে বেকার যুবকদের পাশাপাশি চরের মানুষের জন্যও সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের। নিরাপত্তার জন্য শ্যালো ইঞ্জিনচালিত বড় নৌকাগুলোতে লাইফ জ্যাকেট ও নিয়মিত পুলিশের টহলদারি থাকতে হবে। এ ছাড়া শিশুদের আকর্ষণ করতে বালাসীতে বিভিন্ন ধরনের খেলনা সামগ্রীর ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে বলে মনে করেন বিনোদনপ্রেমিরা। এসব সুবিধা থাকলে মানুষ বালাসীকে বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গ্রহন করতে পারবে সহজেই। বালাসী থেকে শুকনো মৌসুমে বিভিন্ন চরে যাতায়াতের জন্য নদীর পাড়েই রয়েছে ঘোড়ার গাড়ী ও মোটরসাইকেল।

বালাসীতে রয়েছে অনেক পুরোনো ঘন গাছপালার এক মনোরম দৃশ্য। এখানে গেলে দেখা মিলবে পুরুষ ও মহিলাদের নিত্যদিনের কর্মযজ্ঞতা। নদীর বুকে জেগে ওঠা চর। জীবনযাপনকে সহজ করতে এখানে রয়েছে দোকান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বালাসীতে গেলে দেখা মিলবে মহিষের। দেখতে পাওয়া যাবে ঘোড়া ও ঘোড়ার গাড়ী। নৌকায় করে ও নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে জেলেদের মাছ ধরা এবং ফসল মাথায় করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দৃষ্টি কাড়বে অনেকেরই। কাশফুল, নদীর দু-ধারের মনোরম দৃশ্য ও নদীর ঢেউয়ের খেলা দেখলে আনন্দে মনটা উদ্বেলিত হবে সবারই।

বালাসীকে স্থায়ীভাবে (সিসি ব্লক দ্বারা) সংরক্ষণ করা হলে মানুষ আর নদীভাঙ্গনের শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হবে না। এতে করে একদিকে যেমন রক্ষা পাবে গাইবান্ধা, তেমনি বিনোদনের জন্য উদ্যোক্তারা গড়ে তুলতে পারবেন বিভিন্ন স্থাপনা। এজন্য দরকার সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)