শিরোনাম:
●   নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রার্থীকে জরিমানা ●   গাজীপুরে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ●   গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ●   গনগ্রেফতার বাড়িঘর ভাংচুর নির্বাচন তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যনের কাছে লিখিত অভিযোগ ●   উশু প্রতিযোগিতায় বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন ●   গাইবান্ধায় সুমি হত্যায় স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে গ্রেপ্তারের দাবি ●   ১৪ ডিসেম্বর মোরেলগঞ্জ মুক্ত দিবস ●   মহালছড়িতে সারাদিন প্রচারণায় ব্যস্ত কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ●   সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত ফসলের মাঠ ●   সিঙ্গিনালাতে শ্রীমৎ উ পেন্ডিতা মহাথের এর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উদযাপনের ব্যাপক প্রস্তুতি ●   প্রতিদিন শত শত মন কাঠ পোড়াচ্ছেন কালীগঞ্জ এ.এস.বি.এম ব্রিকস্ ●   বান্দরবানে বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রুর সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় ●   গাইবান্ধায় মনোনয়ন প্রত্যাহারে ভোটের মাঠে ৩৮ জন প্রার্থী ●   নওগাঁর জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কৃত্রিম উপায়ে মধু সংগ্রহ ●   বান্দরবা‌নে ‌নির্বাচন চলাকা‌লীন পযর্টন ভ্রম‌নে নি‌ষেধাজ্ঞা ●   বান্দরবানে রোকেয়া দিবসে শ্রেষ্ঠ মা হিসেবে সম্মাননা পেলেন রুবি ●   আলীকদমে ইটভাটা মালিকদের রাম রাজত্ব : চলছে বৃক্ষ নিধনের মহোৎসব ●   বিশ্বনাথে সাংবাদিকদের সাথে এহিয়া চৌধুরী’র মতবিনিময় ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনে বিপ্লবী জুঁই চাকমার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার মধ্যে দিয়ে প্রচারনা শুরু ●   কাপাসিয়ায় নৌকার পক্ষে রিমি, ধানের শীষের পক্ষে রিয়াজুল ●   রাঙামাটিতে মনি স্বপন দেওয়ানের সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় ●   রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে সেমিনার উদ্বোধন করলেন সেনা প্রধান ●   ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনে ৫৭ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ ●   বান্দরবান ৩০০নং আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন এমপি প্রার্থীরা ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন এমপি প্রার্থীরা ●   জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠান করার লক্ষে গাতলীতে সুজনের সভা ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনের ২১টি কেন্দ্রে ব্যবহার হবে হেলিকপ্টার ●   কালীগঞ্জে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা খুন ●   বান্দরবানে ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনে প্রত্যাহার ৪: বিপ্লবী জুঁই চাকমাসহ চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দিতায়-৬
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ন ১৪২৫


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ২০ অক্টোবর ২০১৮
প্রথম পাতা » অর্থ-বাণিজ্য » কাকড়া চাষে ঝুঁকছে চাষীরা
প্রথম পাতা » অর্থ-বাণিজ্য » কাকড়া চাষে ঝুঁকছে চাষীরা
১৩৯ বার পঠিত
শনিবার ● ২০ অক্টোবর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কাকড়া চাষে ঝুঁকছে চাষীরা

---বাগেরহাট অফিস :: (৫ কার্তিক ১৪২৫ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭.৫১মি) কাকড়ার দাম বিদেশী বাজারে বেশি হওয়ায় কাকড়ায় চাষে ঝুঁকছে চাষীরা। বাগেরহাটসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি বাগদা ও গলদা চিংড়ি। কয়েক বছরে গলদা চিংড়ির দাম কমেছে ৫০ শতাংশের ওপরে। বিভিন্ন প্রকার মহামারি রোগে শেষ হচ্ছে বাগদা। এদিকে মৃত্যুহার কম ও দাম বেশি হওয়ায় কাকড়া চাষে ঝুকছে চাষীরা। বাগেরহাটে সাধারণত কাকড়ার দুই ধরণের চাষ হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে পুরুষ কিশোর কাকড়া (ছোট কাকড়া) ছেড়ে বড় করা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক (প্রি ম্যাচিউরড) মা কাকড়া ঘেরে ছেড়ে পূর্ণবয়স্ক (পেটে বেশি ডিম হওয়ার পরে) করে বিক্রি করা। সুন্দরবন থেকে কাকড়ার পোনা সংগ্রহ করে বক্স পদ্ধতি ও ঘেরে পাটা দিয়ে দুই পদ্ধতিতেই কাকড়ার চাষ করে থাকে চাষীরা। কাকড়াকে সাধারণত স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত পুটি মাছ, তেলাপিয়া মাছ, কিছু কম দামের সামুদ্রিক মাছ, শামুক ও ঝিনুকের নরম অংশও খাওয়ানো হয়ে থাকে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০১৫ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কাকড়া ঘের গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে রামপাল উপজেলায় সব থেকে বেশি কাকড়ার চাষ হচ্ছে। এ উপজেলায় ৪‘শ ৫০ হেক্টর জমিতে প্রায় ১৫‘শ চাষী কাকড়া চাষ করছে। বছরের অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বাগদার সিজন। এসময় বাগদার দাম অনেক ভাল থাকে। এছাড়া, বিদেশে ফেব্রুয়ারি মাসে চাইনিজ ডে নামে একটি উৎসবে কাকড়ার প্রচুর চাহিদা থাকে। তখন প্রতি কেজি কাকড়া ২৪‘শ থেকে ২৬‘শ টাকা দামে বিক্রয় করা হয়। রামপাল উপজেলার কাকড়াচাষী জাহিদুর রহমান বলেন, বাগদার চাষ করে বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত চিন্তায় থাকতে হয়, কখন ভাইরাসে আক্রমন করে। কিন্তু কাকড়া চাষে এ ধরণের তেমন কোন ঝুকি নেই। তাই ২০১৫ সাল থেকে নিজের এক একর জমিতে দুই সার্কেল কাকড়া চাষ করে বছরে ভাল লাভ হচ্ছে। রামপাল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, কৃষকরা স্বল্প পূঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় রামপাল উপজেলায় অনেকেই কাকড়া চাষে ঝুকছে। কাকড়া চাষকে উৎসাহ যোগাতে উপজেলা মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় এদেরকে কাকড়ার পোনা ও খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া চাষীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে থাকি।

বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জিয়া হায়দার চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাগদা চিংড়িতে রোগ বালাই বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বাগদা চাষে অনেক ঝুকি তৈরি হয়েছে। এছাড়া বহির্বিশ্বে বড় গলদা চিংড়ির দাম কমায় গলদা চাষীরাও লোকসানে পড়ছে। যার ফলে বাগেরহাটে অনেক চাষী বানিজ্যিকভাবে কাকড়া চাষ শুরু করেছে। ২০১৫ সালে কুচিয়া ও কাকড়া চাষ ও গবেষনা প্রকল্পের আওতায় চিংড়ির পাশাপাশি চাষীদের কাকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করি। প্রকল্পের সহযোগিতায় প্রদর্শনী খামার, কাকড়া চাষ বিষয়ে চাষীদের প্রশিক্ষন প্রদান করে থাকি।

তিনি আরও বলেন, কাকড়া চাষ লাভজনক। কারণ রোগ বালাইয়ে কাকড়ার মৃত্যু হার কম, স্বল্প পূজিতে চাষের সুবিধা এবং চিংড়ির তুলনায় দাম বেশি। বর্তমানে বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কাকড়া ঘের গড়ে উঠেছে।

কাকড়া চাষের কিছু ঝুকির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাকড়ার পোনার জন্য প্রাকৃতিক উৎসের উপর নির্ভর করতে হয়। সুন্দরবন থেকে পোনা সংগ্রহ করে চাষ করা হয়। তবে চাহিদা অনুযায়ী সব সময় চাষীরা পোনা পায় না। এছাড়াও বর্তমানে কাকড়ার কিছু রোগ বালাই দেখা দিচ্ছে। আমরা কাকড়া নিয়ে গবেষনা করছি। চেষ্টা করছি এসব রোগ বালাইয়ের কারণ জানতে এবং রোগ বালাইয়ের ঔষধ আবিস্কার করতে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)