শিরোনাম:
●   পার্বতীপুরে ১০ শয্যার আজেদা মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্বোধন ●   ঝালকাঠির মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অনুদান ●   নবীগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বাছিত আটক ●   ঈশ্বরগঞ্জে মিছিলের ঘটনায় দুই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ●   ধাম্মামিশন সাময়িকীর প্রথম সংখ্যা প্রকাশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ●   পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালী বন্ধ ঘোষণা করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ●   ঈশ্বরগঞ্জে বৈঠা-লাঠি হাতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ●   জাতীয় পুরস্কারজয়ী সাইমুনকে অভিনন্দন জানালেন দীপেন দেওয়ান এমপি ●   রাঙামাটিতে সিএনজির ধাক্কায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত সুখেল চাকমার পক্ষে মামলা ●   বৃহত্তর বনরূপা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ●   উচ্চ রক্তচাপ মোকাবেলায় টেকসই অর্থায়নের আহ্বান ●   মধ্যপাড়া পাথর খনির এমডি পদে পুনরায় যোগ দিলেন প্রকৌশলী জোবায়েদ ●   ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম গ্রেফতার-২ ●   বান্দরবানে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার ●   রাঙামাটির কৃতি সন্তান সাইমুন ইসলাম পেলেন ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ●   ১৪ ফুটের দুর্গাপ্রতিমা ঘিরে ঈশ্বরগঞ্জে দর্শনার্থীদের ভিড় ●   সুগন্ধায় স্পিডবোর্ট দুর্ঘটনা ইউএনওসহ আহত-৯ ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ ●   বাঙ্গালী জাতির সার্বজনীন মিলন উৎসবে পরিনত হলো শারদীয় দূর্গাপূজা ●   মিরসরাইয়ে তিন দিন ব্যাপী বই পড়া উৎসব সম্পন্ন ●   জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাদ্য প্যাকেটে হস্তক্ষেপমুক্ত সতর্কতা লেবেল চালুর দাবি ●   ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগে জণবল সংকটের কারণে ৪ অফিস চলছে ১ বন কর্মকর্তা দিয়ে ●   বিএনপি সরকারের ০৮ মাস পূর্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের বিবৃতি ●   ঈশ্বরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ●   মাদক অভিযোগে ৪ শ্রমিক গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে ৬ ঘণ্টা জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ ●   ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ●   পাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীর ●   বৃদ্ধের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠালেন ওসি সাজ্জাদ ●   রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ
রাঙামাটি, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০১৫
প্রথম পাতা » ফিচার » তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে হেয় করতে চায়
প্রথম পাতা » ফিচার » তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে হেয় করতে চায়
বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০১৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে হেয় করতে চায়

---

মোঃ লোকমান খান :: বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনার দেশ। যে দেশকে আমেরিকার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরী কিনিঞ্জার তলা বিহিন ঝুড়ি বলেছিলেন। আমেরিকান বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ড্যান মজেনা বলে গেছেন- “বাংলাদেশ এখন উপছে পড়া ঝুড়ি”। আমরা বন্যাকে জয় করেছি, খরাকে জয় করেছি, পরিবেশকে সুন্দর করার জন্য শেখ হাসিনাকে “চ্যাম্পিয়ন অব দি আর্থ” পুরস্কারে জাতীসংঘ ভূষিত করেছে। আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র দূর করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের ছেলেরা নতুন নতুন উদ্বাবনীর মাধ্যমে টেকশই উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাতীকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। যে গার্মেন্টস কর্মী ৩০০/৬০০ টাকা বেতন পেয়েছে সে কর্মী এখন বেতন পায় ৮/১০ হাজার টাকা। যে সরকারী কর্মচারী ন্যূনতম বেতন পেত মাত্র ৭০ টাকা, এখন তার বেতন কমপক্ষে ১০/১২ হাজার টাকা। যেখানে প্রামাঞ্চলে একটি গ্রামে শতকরা ৮০টি ছনের ঘর ছিল, এখন ছনতো দূরের কথা চৌচালা টিনের ঘরের সংখ্যা শতকরা ৩০ ভাগও নেই। অর্থাৎ সব ঘর দালান হয়েছে। শুধু দালান নয় টাইলস, ফ্রিজ, ডিশ, এসি ভোগ করছে। এতো সব উন্নয়ন কি এমনিতেই হয়েছে। না কারো বাঁশীর সুরেই দৈত্য দানবরা এদেশকে ২৫/৩০ তলা ভবন তৈরী করে দিয়েছে? দেশের আকাশচুম্বী ভবন সাক্ষ্য দেয় দেশ উন্নত হয়েছে। আর এ উন্নয়নের রূপকার হচ্ছেন- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা প্রথমেই অনুধাবন করেছিলেন যে, একটি দেশ/জাতী কখনো বিদ্যুৎ ছাড়া উন্নতি করতে পারে না। তাই তিনি ১৯৯৬ সনে ক্ষমতা পেয়েই বিদ্যুতের কতকগুলি কেন্দ্র নির্মানসহ বেশ কিছু রূপরেখা তৈরী করে গিয়েছিলেন। আমি সে সময় আমার ক্ষুদ্র লেখার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম- বিদ্যুতই উন্নয়নের একমাত্র বাঁধা এবং বিদ্যুত পাবার জন্য জাপান, চীন, কোরিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বন্ধু রাষ্ট্রের সহিত নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করে বিদ্যুত আনুন। তবেই দেশ উন্নত হবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও অনুধাবন করেছিলেন বলেই তিনি ১৯৯৬ সাল হতেই বিদ্যুত প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে সকল বিদ্যুত প্রকল্প বাতিল করে দেন। দেশ যে তিমিরে ছিল তাই রয়ে গেল। বাংগালী জাতী ভাগ্যবান, তারা পুনরায় ২০০৮ সালে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বানান। তিনি ক্ষমতায় বসেই বিদ্যুতের উপর নজর দিলেন। আজ বিদ্যুতের উৎপাদন প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। এমনকি পশ্ববর্তী দেশ ভারত হতে, নেপাল হতে বিদ্যুত আমদানী হচ্ছে। দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত থাকায় সব কল কারখানায় পন্য উৎপাদিত হয়েছে, নতুন নতুন হাজার হাজার কল কারখানা গড়ে উঠেছে। উৎপাদিত পন্য, গার্মেন্টস পন্য, ঔষধ, সিরামিক পন্য, পাটজাত পন্য, চামড়াজাত পন্য, কৃষিপন্য সহ অসংখ্য পন্যাদি বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে। আসছে বৈদেশিক মুদ্রা। পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি রপ্তানী করায় তারাও বৈদেশিক মুদ্রা দ্বারা বাংলাদেশ ব্যাংক ভরে দিচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডঃ আতিউর রহমান এশিয়া মহাদেশের মধ্যে “সেরা গর্ভনর” নির্বাচিত হয়েছেন। এটা কি সামান্য প্রাপ্তী? বাংলাদেশের স্পীকার ডঃ শিরিন শারমিন চৌধুরীকে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশনের সভাপতি কি এমনিতেই মনোনীত করা হয়েছে? এমপি সাবের হোসেন চৌধুরী বিশ্বব্যাপী ইন্টার পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট পদ প্রাপ্তী আমাদের জন্য বিরাট গৌরবের বিষয়। তথ্য ও টেলি কমুনেকেশনের জন্য “আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এওয়ার্ড” প্রাপ্ত পদক বিরাট সম্মান বয়ে এনেছে বাংলাদেশের জন্য। ইহা ছাড়া বাংলাদেশে বিমসটেক সচিবালয় স্থাপন করা হয়েছে। আরবলীগ বাংলাদেশের যুদ্ধপরাধীদের বিচার সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশংসা করেছে। শেখ হাসিনা, জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারত, জার্মানী সহ বহু রাষ্ট্রে গেলে তাঁকে লাল গালিচা সম্বর্ধনা দেয়া হয়। বাংলাদেশতো একটি ছোট রাষ্ট্র, এত সম্মান দেখানোর কি আছে। তারপরেও প্রধানমন্ত্রীকে এত ব্যাপক সম্বর্ধনা এমনিতেই দেয়া হয় না, তাকে সম্মান দেয়া হয় তার কাজের দক্ষতার জন্য, তার উন্নয়নের জন্য, তার নেতৃত্বের জন্য। আমার একটি লেখায় ২০১৪ সালে বলেছিলাম- “বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শীর্ষে”। আজ আমার লেখার সার্থকতা পেয়ে আমি যারপর নাই খুশী ও উদ্বেলিত। আমার লেখার স্বার্থকতা আজ দেখতে পাই।

বাংলাদেশের জাহাজ শিল্পের উন্নতি হচ্ছে। আরো উন্নতি হলে বিশ্বের আরো বহু দেশ বাংলাদেশে জাহাজ নির্মান করতে আসবে। চীন, জাপান, কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র প্রভূতি দেশ বাংলাদেশে আলাদা আলাদা শিল্প জোন চেয়েছে। হাসিনা অনুমোদন ও দিয়েছেন। বাংলাদেশে প্রায় ৪/৫ কোটি শিক্ষিত, দক্ষ, বিজ্ঞান ভিত্তিক, প্রযুক্তি ভিত্তিক লেখাপড়া জানা ছেলেমেয়ে তৈরী আছে। বিশ্বে এদের বিরাট চাহিদা রয়েছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরীতে হাসিনা ওয়াদাবদ্ধ। শিক্ষাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। বাংলাদেশের মেয়েরাও সর্বত্র এগিয়ে রয়েছে। আজ তারা বিচারপতি, পাইলট, সচিব, সেনা-নৌ-বিমান বাহিনীতে উচু পদে সমাসীন। পুলিশে, ডাক্তারী পেশায়, যন্ত্র কৌশলে অগ্রসরমান। যে দেশে নারীরা পুরুষের সমানতালে এগিয়ে চলছে, সেদেশকে ঠেকায় কে? জাতীসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ একটি গৌরবজ্জল দেশ।

শেখ হাসিনা যখন বিদ্যুত কেন্দ্র অনুমোদন দিচ্ছিলেন তখন খালেদা জিয়া হুংকার চেড়েছিলেন আমি ক্ষমতায় এলে সব বাতিল করব এবং সব ব্যাটাকে জেলে পুরব। কিছু পরগাছা বুদ্ধিজীবি বলেন- দেশে আইনশৃংখলা নেই। তাদেরকে বলি শুনন- এদেশটিতে ১৬ কোটি লোক বাস করে। বেকারের সংখ্যাও প্রচুর। তাছাড়া অসংখ্য টাউট, বাটপার মানুষকে ধোকা দেয়। রাস্তা, ঘাটের উন্নতি হচ্ছে, নতুন হাজারো গাড়ী রাস্তায় নামছে। একটা অগোছালো দেশ একটুতেই ঠিক হয়ে যাবে না। যারা বুদ্ধি দিয়ে যাচ্ছেন- তারাও কিন্তু ক্ষমতায় ছিলেন, তারাও অনেকেই নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিলেন। তাদের মধ্যে মনে পড়ে ডঃ আকবর আলী খান, ডঃ সাদত হুসেইন, মোফাজ্জল করিম, মোঃ হাফিজ, প্রফেসর এমাজউদ্দিন, বিচারপতি আঃ রউফ, ব্রিগেডিয়ার শাখাওয়াত হোসেনসহ অনেকেই। তখন কি আপনারা দেশটাতে সুশাসন প্রতিষ্টা করেছিলেন? মাগুরা নির্বাচন আপনারা করেননি, ঢাকার রমনা তেজগাঁও এর সংসদীয় নির্বাচন কিভাবে করেছিলেন? লালবাগে নির্বাচন বিজয় মিছিলে ৮ জনকে হত্যা করা হয়নি? চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ মুহুরীকে কারা হত্যা করেছিল? চট্টগ্রামে একটি বাড়ীতে বাহিরে তালা লাগিয়ে ভিতরের ১১ জনকে পুড়িয়ে মারা হয়নি? দিনাজপুরে ইয়াসমিনকে ধর্ষন করা হয়নি? ওয়ান ইলেভেনের সময় উপদেষ্টা থেকেও নির্বাচন করতে না পেরে কাপুরুষের মত পদত্যাগ করেননি? এরকম হাজারো উদাহরণ এদেশে দেয়া যায়। তবে সস্তা সবক দেয়া সহজ। সস্তা গণতন্ত্রের কথা বলা যায়। আপনারা কি দেখেন না- ইরাক, সিরিয়া, মিশর সহ বহু রাষ্ট্রে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য হত্যাযজ্ঞ চলছে। শুধুমাত্র নির্বাচনই কি গণতন্ত্র? দেশ উন্নত হতে থাকল, গণতন্ত্রও চলতে লাগল। নির্বাচনের মহড়ায় আমরা দেখেছি পেট্রোল বোমায় হামলা, দেশ ধংশের চক্রান্ত, মানুষ পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র। দেশে নির্বাচন হয়েছে, আইনানুগ নির্বাচনই হয়েছে। এই নির্বাচনকে বিশ্ব স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্ব মোড়লেরা বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশীদার হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সেজন্য তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদেরকে বলি- শুনুন, সস্তা সবক দিয়ে মানুষকে সুড়সুড়ি না দিয়ে দেশটাকে উন্নত হতে দিন, সহযোগিতা করুন, পরামর্শ দিন। আপনারা কি দেখেন না- আমেরিকায় কয়দিন পর পর স্কুলে ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, বিশ্বের বহু দেশে প্রতি নিয়ত মানুষ খুন হচ্ছে। ভারতে শিশু পর্যন্ত ধর্ষন হচ্ছে। গোমাংশের জন্য মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। মিয়ানমারে বৌদ্ধরা মুসলমানগণকে বাড়ীঘর ছাড়া করছে। পাকিস্তানে-আফগানিস্তানে ধর্মের নামে প্রত্যেকদিন বোমায় অসংখ্য মানুষ মরছে। মধ্যপ্রাচ্যে লাখ লাখ লোক গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে শরনার্থী হয়ে একটুকরা রুটীর জন্য হাহাকার করে মরছে। গণতন্ত্রের জন্য যদি এতই জ্বালা থাকে তাহলে বিএনপি বা অন্য কোন রাজনৈতিক দল গঠন করে রাজনৈতিক কর্মীদের মত মাঠে মিছিল মিটিং করুন। নির্বাচনে অংশ নিন। সরকার গঠন করুন। দেশকে সঠিক গণতন্ত্রের কিনারে নিয়া রাখুন। দেখব আপনাদের মত তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের গায়ের জ্বালা মিটে কিনা? লেখক- কলামিষ্ট এবং রাজনীতি বিশ্লেষক

 





আর্কাইভ