সোমবার ● ১৮ জুন ২০১৮
প্রথম পাতা » খাগড়াছড়ি » খাগড়াছড়ি‘র বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভীড়
খাগড়াছড়ি‘র বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভীড়
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :: (৪ আষাঢ় ১৪২৫ বাঙলা: বাংলাদেশ রাত ৮.৪১মি.) গত সপ্তাহের বন্যা এবং তার আগে থেকে চলমান সন্ত্রাস আর প্রাণহানির ঘটনায় খাগড়াছড়ির পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব বিরাজ করছিল। একই কারণে জেলার জনপ্রিয় পর্যটন স্থান গুলোতেও দর্শনার্থীর সংখ্যা ব্যাপক হ্রাস পায়। কিন্তু চলতি ঈদের বন্ধে পরিস্থিতি সম্পূর্ন পাল্টে গেছে।
গেল রবিবার ঈদের দ্বিতীয় দিন সরেজমিনে আলুাটলা, ও জেলা পরিষদ পার্ক, রিছাং ঝরনা ঘুরে দেখা গেছে একেবারে ভিন্নচিত্র। প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রেই লোকে লোকারণ্য।
স্থানীয়দের পাশাপাশি অনেক দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও এসেছেন নারী-পুরুষ-কিশোর-কিশোরীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দর্শনার্থী।
চট্টগ্রাম থেকে আসা স্কুল শিক্ষকা হাসনা হেনা বলেন, গণ পরিবহনে স্বামী-সন্তানদের নিয়ে খাগড়াছড়ির আলুটিলার রহস্যময় সুড়ঙ্গ, রিছাং ঝরনা এবং জেলা পরিষদ পার্ক-এ বেড়াবেন। তিনি জেলা পরিষদ পার্কের ঝুলন্ত ব্রীজটি দেখে খুশি হয়েছেন।
ফেনী থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক আজিম হাসান বলেন, সপরিবারে নিজের গাড়িতে খাগড়াছড়ি বেড়াতে এসেছেন। এখানকার স্থান গুলো ঘুরে মিরসরাইয়ের মহামায়া হ্রদ ঘুরে বাড়ি ফিরবেন।
বেসরকারি ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন আলুটিলা’র মতো ব্যস্ততম পর্যটন স্পটে পাহাড় থেকে অবৈধভাবে সংগৃহীত অপরিণত পাথরের স্তুপ দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষ এসব পাথর দিয়ে এখানে হয়তো সৌন্দর্য্য বধনের চিন্তা করছেন। এটি স্ববিরোধী এবং একই সাথে আইনের বরখেলাপ।
সরেজমিনে বিকেল তিনটায় রিছাং ঝরনায় দেখা গেছে কয়েক’শ দশনার্থী। যাঁদের অধিকাংশই প্রতিবেশী বিভিন্ন জেলা থেকে দল বেধে বেড়াতে এসেছেন। মু. শহিদুল ইসলাম, তাঁদেরই একজন। তিনি জানান, এতো সুন্দর প্রাকৃতিক ঝরনা! কতো লোক দেখতে আসেন অথচ আসা-যাওয়ার সড়কটি যেনো একটি মরণফাঁদ।
বিকেল পাঁচটা নাগাদ আলুটিলা পর্যটন স্পটের টিকেট কাউন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী পীযুষ ত্রিপুরা জানান, দেড় হাজারের মতো টিকেট বিক্রি হয়েছে। যা ‘পিক আওয়ার’-এ সর্বোচ্চ।
জেলা পরিষদ পার্কের কর্মকর্তা ইমন ত্রিপুরা জানান, উত্তর-দক্ষিণ দুই কাউন্টারে মিলে বিকেল পাঁচটা নাগাদ দুই হাজার পাঁচ’শর কাছাকাছি টিকেট বিক্রি হয়েছে।
তবে সোমবার থেকে স্থানীয় দর্শনার্থীদের চাপও বাড়বে। একই সাথে বাইরের ভ্রমণ পিপাসুরাও আসতে থাকবেন।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের বলেন, আলুটিলা এবং রিছাং ঝরনা এলাকায় নিরাপত্তা, পাবলিক টয়লেট, লাইটিং, ওয়াশরুম এবং পার্কিংসহ সব ধরনের সেবার মান বাড়ানো হয়েছে। ফলে দর্শনার্থীরা টিকেটের বিনিময়ে যে টাকা দেন তার চেয়ে বেশি আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন।





খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১৩৯ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল
জুলাই কারো একক সম্পত্তি নয়, সবার সম্মিলিত আন্দোলনেই ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন
খাগড়াছড়ির বন্যায় এখনো পানিবন্দি সাড়ে ৩ হাজার পরিবার, দীঘিনালায় দুর্ভোগ চরমে
খাগড়াছড়ির তিন মসজিদে ১ হাজার ৪শত চারা বিতরণ
খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ-পিসিজেএসএসের গোলাগুলিতে নিহত -৩
তিন পার্বত্য জেলায় বাঙালিদেরও আয়কর মওকুফের দাবী নাগরিক পরিষদের
পানছড়ির ঘটনা পিসিজেএসএস সন্তু গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ : ইউপিডিএফ
খাগড়াছড়িতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে নিহত-১, আহত -১
খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় নিহত-২, একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক-১