শিরোনাম:
●   বিএনপি সরকারের ০৮ মাস পূর্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের বিবৃতি ●   ঈশ্বরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ●   মাদক অভিযোগে ৪ শ্রমিক গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে ৬ ঘণ্টা জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ ●   ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ●   পাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীর ●   বৃদ্ধের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠালেন ওসি সাজ্জাদ ●   রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ ●   কাউখালীতে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন ●   রাবিপ্রবি’র একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫ তম সভা অনুষ্ঠিত ●   পার্বতীপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন ●   ঈশ্বরগঞ্জে কন্যাশিশু দিবসে কনার বাল্যবিয়ে ●   আত্রাইয়ের ৫৪টি মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ●   ঝালকাঠিতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর নারী কয়েদির মৃত্যু ●   আত্রাইয়ে আনসার ও ভিডিপির আয়োজনে তাল বীজ রোপণ অভিযান ●   চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা : বান্দরবান-থানচি সড়কে বাসের পর জিপ-মাহেন্দ্র চলাচল বন্ধ ●   বিজিবির অভিযানে করেরহাট থেকে ভারতীয় গরু জব্দ ●   মৌলভীবাজারের ঐতিহ্যবাহী পাঁচগাঁওয়ের দুর্গা পূজা ও কিছু কথা ●   নানিয়ারচর সেনা জোন এর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ●   মহালয়ার আদ্যপান্ত : ভিন্ন দৃষ্টিকোণ ●   ঈশ্বরগঞ্জে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি মঞ্জু গ্রেফতার ●   মিরসরাই প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ●   রাঙামাটিতে মহালয়া উপলক্ষে “বোধনের প্রহর” সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ●   মারিশ্যাতে ২৭ বিজিবি টহলদল অবৈধভাবে পাচারকালে সেগুন কাঠ উদ্ধার ●   দুই এমপির উপস্থিতিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ●   ১১ মাসে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করলো ৮ বছরের মুগ্ধ ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : সভাপতি অহিদ-সম্পাদক হাকিম ●   দূর্গম পাহাড়ে শিশুদের মাঝে শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ ●   আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু ●   ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা ●   বান্দরবানে বিএনপির সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ
রাঙামাটি, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ১৭ অক্টোবর ২০১৮
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের কবলে আশ্রয়ন প্রকল্পের ২৮০টি ঘর
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের কবলে আশ্রয়ন প্রকল্পের ২৮০টি ঘর
বুধবার ● ১৭ অক্টোবর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের কবলে আশ্রয়ন প্রকল্পের ২৮০টি ঘর

---গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: (২ কার্তিক ১৪২৫ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪.৩৫মি.) গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারচর ইউনিয়নের চিথুলিয়া ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়া পূর্ব বাদামের চরে নির্মিত আশ্রয়ন প্রকল্প দুটির ২৮০টি ঘর ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের কবলে পড়েছে। এসব আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণের পর নদী ভাঙনরোধে কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কয়েক বছরের মধ্যে আবারও আশ্রয়ন প্রকল্পগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে করে সরকারের কোটি কোটি টাকার অপচয় হয়। এসব আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মাণের পরে নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য স্বার্থক হবে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মোল্লারচর ইউনিয়নের চিথুলিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরগুলো নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। ইতোমধ্যে ভেঙেছে ১০টি ঘর। এসব ঘর প্রস্তুতের এক বছর পেরিয়ে গেলেও সবগুলো ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়নি গৃহহীনদের। ভাটি কাপাসিয়া চরের আশ্রয়ন প্রকল্পটির ইতোমধ্যে ৩৫টি ঘর ভেঙ্গে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে এই দুটি প্রকল্পের অন্যসব ঘরগুলোও।
আশ্রয়ন প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করতে ১৯৯৭ সাল থেকে এদেশে আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মাণ শুরু হয়। স্থানীয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে সেই জমিতে মাটি ভরাট করা হয় ও ঘর নির্মাণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পরে আশ্রয়ন প্রকল্পের দায়িত্ব বুঝে দেয়া হয় স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলার সাত উপজেলার মধ্যে সুন্দরগঞ্জে ১২টি, সদর উপজেলায় ৪টি, ফুলছড়িতে ১টি, সাঘাটায় ৮টি, সাদুল্লাপুরে ২টি, পলাশবাড়ীতে ১টি ও গোবিন্দগঞ্জে রয়েছে ৯টি আশ্রয়ন প্রকল্প। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি আশ্রয়ন প্রকল্প রয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদসহ তিস্তা ও যমুনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলগুলোতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চিথুলিয়ার চরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৪০টি ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০১৭ সালে। তখন নদী ছিল প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে। সুন্দরগঞ্জের ভাটি কাপাসিয়া পূর্ব বাদামের চরে নির্মিত আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৪০টি ঘর নির্মিত হয় ৫ বছর আগে। তখন নদী ছিল প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙনে সেই নদী এসে এখন এই প্রকল্পের ঘরগুলো ভেঙে ফেলছে।
এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের ফলে মোল্লারচর ইউনিয়নের সিধাই চরের ১২০টি ঘর ২০১৭ সালের প্রথমের দিকে ও মাইজবাড়ীর চরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ১২০টি ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে একই বছরের শেষের দিকে। এতে করে পরিবারগুলো আবারও আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। তারা আবার অন্য চরে গিয়ে বসবাস শুরু করে।
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোলেমান আলী বলেন, আমি এখানে সম্প্রতি যোগদান করেছি। ভাঙনের বিষয়টি আমার জানা নেই। ভাঙনরোধে যদি কোনো ব্যবস্থা নেয়ার থাকে তাহলে আমি নেব।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)