শিরোনাম:
●   ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের আয়োজনে কাউখালীতে দিন ব্যাপি কর্মশালা ●   নবীগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান : হত্যা, ধর্ষণ ও মাদকসহ গ্রেপ্তার-৭ ●   ধর্ষণ মামলার আসামীকে স্বামী হিসেবে পেতে ট্রাইব্যুনালে বাদিনীর বিষখেয়ে আত্মহত্যার হুমকি ●   বারইয়ারহাট পৌরসভা স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ●   নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকে জুলাই যোদ্ধা সংসদ এর সম্মাননা ●   বিশ্ব পর্যটন দিবসে ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ●   বান্দরবানে শিশুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে ●   তরুণদের উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির আহ্বান ●   নাইক্ষ্যংছড়িতে মসজিদের টয়লেট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ●   রাঙ্গামাটিতে আল আমীন সুন্নী যুব সংঘের আজিমুশশান মাহফিল ●   রাঙামাটি জেলা বিএনপি নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে আওয়ামীলীগ নেতা সহ-সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া ●   বান্দরবানে হাত-পা বাধা অবস্থায় দিনমজুরের মরদেহ উদ্ধার ●   গাজীপুরে কেজি স্কুল শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় জার্সি ও ফুটবল বিতরণ ●   আত্রাইয়ে বিচারাধীন জমিতে জবরদখল করে টয়লেট স্থাপনের অভিযোগ ●   বান্দরবানে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে ভ্রমণে বাড়ল খরচ ●   বাসের ধাক্কায় রাউজানের যুবকের মৃত্যু ●   ঈশ্বরগঞ্জে ক্যাসিনো সম্রাট রবিন গ্রেফতার ●   সায়েম স্যার সায়েম স্যার স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল চুয়েট ●   খাগড়াছড়িতে দুর্যোগ মোকাবিলায় আরসিসিই সমন্বয় সভা ●   তামাক ও নিকোটিনমুক্ত হোক তরুণ প্রজন্মের ফুসফুস ●   রাউজানে ১২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদসহ আটক-০১ ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি-তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান সড়কের বেহাল দশা ●   চুয়েটে উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে সর্বাত্মক শাটডাউন ঘোষণা ●   ঈশ্বরগঞ্জে ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেফতার-১২ ●   রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হাতে তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতার ট্রফি হস্তান্তর ●   বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলবে রেলওয়ের ৪টি রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন ●   নবীগঞ্জে নদী থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার ●   রাঙামাটিতে ৪র্থ জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত ●   কলকাতায় বিশ্ব কার ফ্রি ডে-তে রাজপথে সাইকেল র‌্যালী ●   শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান সেফওয়ে টেকনোলজিসের এমডি ফারুক খানের
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ৩ অক্টোবর ২০১৯
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » বাঙ্গালীর সার্বজনীন শারদীয় দূর্গাপূজা
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » বাঙ্গালীর সার্বজনীন শারদীয় দূর্গাপূজা
বৃহস্পতিবার ● ৩ অক্টোবর ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাঙ্গালীর সার্বজনীন শারদীয় দূর্গাপূজা

---প্রভাষক উত্তম কুমার পাল হিমেল :: শারদীয় দূর্গোৎসব বাঙ্গালী হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ গুরুত্বপূর্ন ও ধর্মীয় সামাজিক উৎসব। প্রতিবছর শরতকাল এলেই বাঙ্গালী হিন্দুরা মেতে উঠেন দূর্গাপূজার এই উৎসবের আমেজে। ধর্মীয় এক হৃদয় নিংড়ানো মিলন মেলায় পরিনত হয় এই উৎসব। আর এই উৎসবের উৎসে অধিষ্টিত হিন্দু পুরানের অন্যতম দেবী হলেন দূর্গা। পৌরনিক কাহিনী অনুসারে দেবী দূর্গাই হলেন শিবের স্ত্রী পার্বতী। লক্ষী,সরস্বতী,গণেশ ও কার্তিকের জননী তিনিই। কিন্তু কেন শিবজায়া পার্বতীর নাম দেবী দূর্গা হল। স্কন্দপুরান বর্ননা অনুসারে রুড় দৈত্যর পুত্র দূর্গকে বধ করেছিলেন বলেই পার্বতীর নাম হয়েছে দেবীদূর্গা। তবে বাঙ্গালীর দূর্গোৎসবে দিবী কিন্তু স্কন্দপুরানের বর্ননামতে দূর্গসুর বধকারী রুপে তিনি পূজিত হন। এখানে তিনি পূজিত হন মহিষাসুর মর্দিনী রুপে। দেবী দূর্গার এই আবির্ভাবের পরিচয় পাওয়া যায় মার্কন্ডেয় পুরানে। ভাগবত পুরান অনুসারে ব্রম্মার মানস পুত্র মনু পৃথিবীর শাসনভার পেয়ে ক্ষীরোদ সাগরের তীরে মৃম্ময়ী মুর্তি নির্মান করে দেবী দূর্গার আরাধনা করেন। মার্কন্ডেয় পুরান মতানুসারে এই দুগোৎসবের আয়োজন করেন রাজা সুরথ। আর রাজা সুরথ এই দূর্গাপূজা করেছিলেন বসন্তকালে। সেই পূজা অনুসরন করে পৃথিবীর কোন কোন স্থানে দুগোৎসবের আয়োজন করা হলেও ভারতীয় উপমহাদেশে দূর্গাপূজা জনপ্রিয় সময়টা হল শরতকাল। শুরুতে শরতকালে দুগোৎসব করেন শ্রী রাম চন্দ্র। কৃর্তিবাস রামায়ন অনুসারে রামচন্দ্রের সঙ্গে যুদ্ধে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে লংকাধিপতি রাবন আকুল সুরে দেবীর স্তব শুরু করলেন। রাবনের কাতর স্তবে দেবীর হৃদয়ে করুনার উদ্রেক হল। রাবনকে অভয় দিলেন তিনি। সম্পূর্নরুপে অনাকাংখিত এই খবরে খুুব আশংকিত হলেন রাামচন্দ্র। দেবতার এ খবরে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়লেন। দেবরাজ ইন্দ্র ব্রম্মার কাছে গেলেন। এই সংকটাপন্ন অবস্থা থেকে পরিত্রান পাবার জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানালেন ব্রম্মাকে। ব্রম্মা রামের কাছে গিয়ে দূর্গা পূজা করার জন্য আহবান জানালেন। দূর্গাপূজাই হল এই সংকট থেকে পরিত্রানের একমাত্র উপায়। কিন্তু বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের দূর্গাপূজা সাধারনত আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ট দিন ষষ্টী থেকে দশম দিন অর্থাৎ বিজয়া দশমী দিন পর্যন্ত ৫ দিন অনুষ্টিত হয়। এই পাঁচটি দিনের পূজা যথাক্রমে দূর্গষষ্টী,মহাসপ্তমী,মহাষষ্টী,মহানবমী ও বিজয়া দশমী নামে পরিচিত। দূর্গাপূজা এই পাঁচদিনসহ সমগ্রপক্ষটিকে দেবীপক্ষ নামে আখ্যায়িত করা হয়। আর দেবী পক্ষের সূচনা হয় পূর্ববর্তী অমাবশ্যার দিন থেকে। এই দিনই “মহালয়া” নামে পরিচিত। অন্যদিকে দেবীপক্ষের সমাপ্তি হয় পঞ্চদশ দিন অর্থাৎ পূর্ণিমায়। এই দিনটি কোজাগরী পূর্ণিমা নামে পরিচিত এবং বার্ষিক লক্ষীপূজার দিন হিসাবেও গন্য হয়। দূর্গাপূজা মূলত পাঁচ দিনের অনুষ্টান হলেও মহালয়া থেকেই প্রকৃত উৎসবের সূচনা হয় এবং কোজাগরী লক্ষীপূজায় হয় তার সমাপ্তি। বাংলাদেশে দূর্গোৎসবের বহুল প্রচলিত রুপ অর্থাৎ মহিষাসুর মর্দিনীর পূজার উল্লেখ পাওয়া যায় মার্কন্ডেয় পুরানে। মূল পুরানটি চতুর্থ শতাব্দিতে রচনা হলেও দূর্গাপূজা বিবরন সম্বলিত সপ্তশতীতে রয়েছে ৯ম-১২শ শতাব্দির মধ্যকার সময়ের নির্মিত একাধিক মহিষাসুর মর্দিনীর মুর্তিও। তবে সেই সব মুর্তিতে মহিষাসুর মর্দিনী কিন্তু পরিবার সমন্বিতা নন। উপমহাদেশে জমিদারী প্রথা বিলোপের পর শারদীয় দূর্গপূজায় জমিদারদের অংশ গ্রহন স্বাভাবিক ভাবেই অনেকটা কমে যায়। নব্য ধনীক শ্রেনীর উদ্ভবের পরিপ্রেক্ষিতে দূগোৎসব আয়োজক কমিটিতে যুক্ত হয় অনেক নতুন নতুন মূখ। তবে প্রতিটি দুর্গোৎসবই তখনকার সময় আয়োজিত হত সম্পূর্ন একক উদ্যোগে। আনুমানিক ১৭৯০ খ্রীষ্টাব্দে অবিভক্ত বাংলার পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়ায় ঘটে একটি উল্লেখ যোগ্য ঘটনা। গুপ্তিপাড়ার একটি ধনী পরিবারের আকস্মিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের ফলে অনিশ্চয়তার সন্মূখীন হয় ঐ বাড়ীটির বাৎষরিক দূর্গাপূজার আয়োজন। তখন গুপ্তিপাড়ায়ার ১২ জন বন্ধু মহলের যুবক এগিয়ে আসেন যৌথ উদ্যোগে দূর্গাপূজা পালন করার জন্য। এই ১২ জন ইয়ার বা বন্ধু সংঘবদ্ধভাবে গ্রহন করেন পূজা পালনের সার্বিক দায়িত্ব। আর গুপ্তিপাড়ার এই পূজাটি মানুষের কাছে পরিচিত হয় “বারোইয়ারী” বা বারোয়ারী পূজা নামে। এই বারোয়ারী পূজার সুত্র ধরে একক উদ্যোগে সম্পাদিত দুর্গাপূজাই আজ পরিনত হল সার্বজনীন শারদীয় উৎসবে। ধনীর আঙ্গিনা থেকে দূর্গাপূজা নেমে এলো অনেকটা সাধারন মানুষের সাধ্যের মাঝে। গুপ্তিপাড়ার আদর্শ অনুসরন করে সম্মিলিত উদ্যোগে বারোয়ারী পূজা ছড়িয়ে পড়ল ভারতীয় উপমহাদেশসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রের এই নৈকট্য সাধারন মানুষকে সাহস জোগালো র্দূগাপূজার মতো সর্ববৃহৎ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্টানে বিত্তশালীদের একচেটিয়ে অধিকারে ভাগ বসানোর। ব্যক্তি বা বারোয়ারীর সীমা ছাড়িয়ে দূর্গাপূজা আজ পরিনত হল সার্বজনীন শারদীয় উৎসবে। ভারতবর্ষে বৃট্রিশ বিরোধী আন্দোলন যখন জোরদার হয়ে উঠল তখন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের পাশাপাশি সশস্ত্র বিপ্লবের পথে স্বাধীনতা অর্জনের প্রচেষ্টাও চলল সমানে তালে । ইংরেজদের নজর এড়াতে দুর্গোৎসবকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করতে লাগল বিপ্লবীরা। ধর্মীয় অনুষ্টানে ছদ্মাবরনে বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষকে সংঘবদ্ধ করার একমাত্র উপায় হল এই শারদীয় দূর্গাপুজা। কালের পরিক্রমায় বৃট্রিশ শাসনের অবসান হল। বিভাজিত হয়ে পড়ল অবিভক্ত বাংলা। পাকিস্তান অপশাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম শেষে বিভাজিত বাংলার পুর্বাঞ্চল রুপান্তরিত হল বাংলাদেশ নামের একটি নতুন স্বাধীন রাষ্টের। আর বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষের অসাম্প্রদায়িক প্রবনতা শারদীয় দূর্গাৎসবকে আজ পরিনত করল প্রকৃত অর্থেই বাঙ্গলীর সার্বজনীন উৎসবে। আর বছর ঘুরে এই সার্বজনীন দূর্গাপূজা এলেই বাঙ্গালী হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন মেতে উঠেন এক আনন্দ উৎসবে। শুধু বাঙ্গালী হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন নয় সমগ্র বাঙ্গলী জাতিই মেতে উঠেন শারদ উৎসবের আনন্দে। এই আমেজে সকলের মাঝে শান্তির বার্তা বয়ে আনুক এটাই হোক শারদীয় দূর্গাপুজার মুল উদ্দেশ্য। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সবাইকে জানাই শারদ প্রাতি ও শুভেচ্ছা।

লেখক : উত্তম কুমার পাল হিমেল, প্রতিনিধি নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকম।





উপ সম্পাদকীয় এর আরও খবর

বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার
নেপালের বন্যা: সীমান্তের ঊর্ধ্বে এক সংকট নেপালের বন্যা: সীমান্তের ঊর্ধ্বে এক সংকট
জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা : সামাজিক বাস্তবতা ও উত্তরণের পথ নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা : সামাজিক বাস্তবতা ও উত্তরণের পথ
স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে :  বহ্নিশিখা জামালী স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে : বহ্নিশিখা জামালী
গৌতম বুদ্ধের প্রধান  তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয় গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়
বাঙ্গালির জীবনে বাংলা নববর্ষ ও কিছুকথা বাঙ্গালির জীবনে বাংলা নববর্ষ ও কিছুকথা
পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের নিয়োগ ক্ষমতার ভারসাম্য : পাহাড়ী-বাঙালি বিভেদ থাকবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের নিয়োগ ক্ষমতার ভারসাম্য : পাহাড়ী-বাঙালি বিভেদ থাকবে না
আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস

আর্কাইভ