শিরোনাম:
●   ঈশ্বরগঞ্জে চোলাই মদ বিক্রির অভিযোগে কারাদণ্ড ●   বিলাইছড়িতে ৫শত পরিবার পেল রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ সহায়তা ●   ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ২৪২ কোটি টাকা খরচ রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় ●   নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কে জুলাই যোদ্ধা সংসদ এর সম্মাননা ●   ভূমিহীন আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন শাহিন ●   ঝালকাঠি ভাসমান পেয়ারা বাগানে রেস্ট হাউজ উদ্বোধন ●   মিরসরাইয়ে ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকে অগ্নিকান্ডে ৪ বসতঘর পুড়ে ছাই ●   সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন ময়মনসিংহ জেলা কমিটির মতবিনিময় ●   রাউজানে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেল ইউপি সদস্যের ●   দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে : এমপি মাজেদ ●   নবীগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ ১২৬ জন এসএসসি ও দাখিল শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ●   মিরসরাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে ৩ বসতিঘর পুড়ে ছাই ●   প্রযুক্তির আধুনিকায়ন ও টেকসই উৎপাদনের তাগিদ অমল পোদ্দারের ●   নেপালের বন্যা: সীমান্তের ঊর্ধ্বে এক সংকট ●   রাউজানে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ●   নবীগঞ্জে বর্নাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩ তম জন্মাষ্টমী পালন ●   লন্ডনের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা ●   বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে মহার্ঘ ভাতা চালু করুন ●   বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুগন্ধা নদীতে ৫ মণ মাছের পোনা অবমুক্ত ●   ঈশ্বরগঞ্জে ভারতীয় চোরাই মাল আটক গ্রেফতার-২ ●   পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালিদের আয়কর মওকুফের দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি ●   পার্বতীপুরে ২৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার ●   মিরসরাইয়ে গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ ●   অর্থদর্শী ভান্তের ৩২তম জন্মদিনে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ●   পাহাড়ের তিন জেলাকে সমৃদ্ধশালী অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : মীর মোহাম্মদ হেলাল ●   ব্যাটারিচালিত রিকশার ডাম্পিং ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করুণ ●   কাউখালী বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বেতবুনিয়ায় বিক্ষোভ ●   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৮তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ●   নান্দাইল শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুন্নেছার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত : প্রভাবিত করার অভিযোগ ●   নবীগঞ্জে ১৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-২
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শুক্রবার ● ১ জানুয়ারী ২০২১
প্রথম পাতা » নওগাঁ » প্রযুক্তির কাছে হার মেনেছে ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি
প্রথম পাতা » নওগাঁ » প্রযুক্তির কাছে হার মেনেছে ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি
শুক্রবার ● ১ জানুয়ারী ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রযুক্তির কাছে হার মেনেছে ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি

ছবি : সংবাদ সংক্রান্তনাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই প্রতিনিধি :: সভ্যতার প্রায় উন্মেষকাল থেকেই বাংলাদেশের সবর্ত্রই যাতায়াত ও পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূণর্ যান ছিল ‘গরুর গাড়ি’। কিন্তু আধুনিক সভ্যতার বিবতের্ন যন্ত্রচালিত লাঙল বা পাওয়ার টিলার এবং নানা যন্ত্রযানের উদ্ভবের ফলে বিলুপ্তির পথে ‘গরুর গাড়ি’।

মৎস্য ও শষ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর আত্রাইয়ের এক সময়ের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম গ্রামবাংলার জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহি গরুর গাড়ি আজ বিলুপ্তির পথে। নতুন নতুন প্রযুক্তির ফলে মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ঘটছে, পক্ষান্তরে হারিয়ে যাচ্ছে অতীতের এই ঐতিহ্য।

জানা যায়, গরুর গাড়ির ইতিহাস সুপ্রাচীন। খ্রিস্টজন্মের ১৬০০ - ১৫০০ বছর আগেই সিন্ধু অববাহিকা ও ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে গরুর গাড়ির প্রচলন ছিল, যা সেখান থেকে ক্রমে ক্রমে দক্ষিণেও ছড়িয়ে পড়ে। গ্রাম বাংলায় এ ঐতিহ্য আজ তা বিলুপ্তির পথে।

একসময় উত্তরাঞ্চলের পল্লী এলাকার জনপ্রিয় বাহন ছিল গরুর গাড়ি। বিশেষ করে এই জনপদে কৃষি ফসল ও মানুষ বহনের জনপ্রিয় বাহন ছিল গরুর গাড়ি। যুগের পরিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে এই বাহন।

মাঝেমধ্যে প্রত্যন্ত এলাকায় দু-একটি গরুর গাড়ি চোঁখে পড়লেও শহরাঞ্চলে একেবারেই দেখা যায় না। সে কারণে শহরের ছেলেমেয়েরা দূরের কথা, বর্তমানে গ্রামের ছেলেমেয়েরাও গরুর গাড়ি শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নয়। এমনকি অনেক শহুরে শিশু গরুর গাড়ি দেখলে বাবা-মাকে জিজ্ঞেস করে গরুর গাড়ি সম্পর্কে।

গরু গাড়ি দুই চাকাবিশিষ্ট গরু বা বলদে টানা এক প্রকার বিশেষ যান। এ যানে সাধারণত একটি মাত্র অক্ষের সাথে চাকা দুটি যুক্ত থাকে। গাড়ির সামনের দিকে একটি জোয়ালের সাথে দুটি গরু বা বলদ জুটি মিলে গাড়ি টেনে নিয়ে চলে। সাধারণত চালক বসেন গাড়ির সামনের দিকে। আর পেছনে বসেন যাত্রীরা। বিভিন্ন মালপত্র বহন করা হয় গাড়ির পেছন দিকে। বিভিন্ন কৃষিজাত দ্রব্য ও ফসল বহনের কাজে গরুর গাড়ির প্রচলন ছিল ব্যাপক।

দুই যুগ আগেও গরুর গাড়িতে চড়ে বর-বধূ যেত। গরুর গাড়ি ছাড়া বিয়ে কল্পনাও করা যেত না। বিয়ে বাড়ি বা মাল পরিবহনে গরুর গাড়ি ছিল একমাত্র পরিবহন বাহন। গরুর গাড়ির চালককে বলা হয় গাড়িয়াল।

আর তাই চালককে উদ্দেশ্য করে রচিত হয়েছে ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ কিংবা ‘আস্তে বোলাও গাড়ি, আরেক নজর দেখিয়া ন্যাং মুই দয়ার বাপের বাড়িরে গাড়িয়াল’ এরকম যগান্তকারী সব ভাওয়াইয়া গান।

তবে বর্তমানে নানা ধরনের মোটরযানের কারণে অপেক্ষাকৃত ধীর গতির এই যানটির ব্যবহার পুরোপুরি কমে এসেছে। তাই এখন আর চোখে পড়ে না। বর্তমান যুগ হচ্ছে যান্ত্রিক যুগ।

মানুষ বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় মালামাল বহনের জন্য গ্রামাঞ্চলের বাহন হিসেবে ব্যবহার করছে ট্রাক, পাওয়ার টিলার, লরি, নসিমন-করিমনসহ বিভিন্ন মালগাড়ি। মানুষের যাতায়াতের জন্য রয়েছে মোটরগাড়ি, রেলগাড়ি, বেবিট্যাক্সি, অটোরিকশা ইত্যাদি।

ফলে গ্রামাঞ্চলেও আর চোখে পড়ে না গরুর গাড়ি। অথচ গরুর গাড়ির একটি সুবিধা হলো, এতে কোনো জ্বালানি লাগে না। ফলে ধোঁয়া হয় না। পরিবেশের কোনো ক্ষতিও করে না। এটি পরিবেশবান্ধব একটি যানবাহন।

আবার ধীর গতির কারণে এতে তেমন কোনো দুর্ঘটনারও আশংকা থাকে না। অথচ যুগের পরিবর্তনে আমাদের প্রিয় এই গরুরগাড়ি প্রচলন আজ হারিয়ে যাচ্ছে কালের অতল গর্ভে।





আর্কাইভ