শিরোনাম:
●   ১৫ কিলোমিটার রেলপথে ৭ হাজার ক্লিপ ফিসবোল্ট ফিসপ্লেট চুরি ●   আত্রাইয়ে শয়ন কক্ষে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ●   মিরসরাই প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ●   বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে তোপের মুখে উপজেলা প্রশাসন : আটক-৩ ●   দিনাজপুরে কৃষক কর্মী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ●   বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়তে ঈশ্বরগঞ্জে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত ●   মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরির সাথে ধাক্কা : প্রাণ গেলো দুই বন্ধু’র ●   বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না অপুর ●   মায়ের সাথে অ’ভিমান করে কিশোরের আত্নহত্যা ●   তুহিনকে আহবায়ক ও রণিকে সদস্য সচিব করে বিপ্লবী যুব সংহতির ঢাকা উত্তরের কমিটি গঠন ●   জাহাঙ্গীর আলম এর বিরুদ্ধে ভূক্তোভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন ●   সৌদি আরব থেকে ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর ●   পার্বতীপুরে চোরাই বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার : গ্রেপ্তার-১ ●   গাবখান নদীর তীব্র ভাঙ্গন রোধের দাবিতে মানববন্ধন ●   ঈশ্বরগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার ●   রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে দুর্বৃত্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করুন ●   ঈশ্বরগঞ্জে ৮শ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার ●   ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ●   চুয়েটে দু’দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন শুরু ৩১ আগস্ট ●   নাহার এগ্রোর সাফল্য: মা-বাবার অনুপ্রেরণায় সমৃদ্ধ এমডির পথচলা ●   খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর তাগিদ ●   চলমান জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ●   ফাউন্ডেশন এর ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত ●   বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ বছর ধরে বন্ধ ইউনিট : ২শত কোটি টাকা ব্যয় হবে চালু ●   ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সংবাদকর্মীদের মতবিনিময় ●   শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধীস্থলে রাঙামাটি জেলা পরিষদের শ্রদ্ধা ●   ঈশ্বরগঞ্জে সার মজুদ, ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের জেল ●   ঝালকাঠিতে অসংক্রামক রোগ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ●   রাউজানে মন্দির থেকে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় আটক চোর ●   ঈশ্বরগঞ্জে নাশকতার মামলার আসামিসহ গ্রেফতার-৫
রাঙামাটি, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ২৪ এপ্রিল ২০২১
প্রথম পাতা » সকল বিভাগ » বাবার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে ছেলে হাফিজুল ইসলাম লস্করের স্মৃতি চারণ
প্রথম পাতা » সকল বিভাগ » বাবার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে ছেলে হাফিজুল ইসলাম লস্করের স্মৃতি চারণ
শনিবার ● ২৪ এপ্রিল ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাবার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে ছেলে হাফিজুল ইসলাম লস্করের স্মৃতি চারণ

---ষ্টাফ রিপোর্টার :: বিএমএসএস এর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও সাপ্তাহিক ইউনানী কন্ঠের সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম লস্করের পিতা আলহাজ্জ মছব্বীর আলী লস্কর (মরহুম) এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। (৮রামাদ্বান হিসেবে ১বছর পুর্ণ হলেও ইংরেজী সাল হিসেবে প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী হবে ২মে। কেননা তিনি গত বছরের ২মে ২০২০ মোতাবেক ১৪৪১ হিজরীর ৮রামাদ্বান ইন্তেকাল করেন)। তিনি গত ২০২০ সাল মোতাবেক ১৪৪১ হিজরীর ৮ই রামাদ্বান বিকেল ৩-১০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন।

বাবার স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে হাফিজুল ইসলাম লস্কর জানান, আমার বাবা আমাদের সামনেই চেয়ারে বসা ছিলেন। আর আমরা কথা বলতে ছিলাম, হঠাৎ বাবার হাত পা কাপতে লাগলো আর বাবা তখন মুখ দিয়ে কি যেন পড়তে ছিলেন, মা তখন বাবার মুখে পানি তুলে দিলে বাবা সেই পানি পান করেন, তারপর আমি পানি দিলাম বাবা সেই পানি পান করলেন। এরপর আমরা বাবাকে বিছানায় শুয়ালাম। এর কিছু সময় পরই বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন শান্তির ঘুমে। দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন মহান রাব্বুল আলামিনের ডাকে সাড়া দিয়ে।

আমার বাবা বেশ কয়েকদিন থেকেই অসুস্থ ছিলেন। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও ঘুম বেড়ে গিয়েছিল মারাত্মকভাবে। তাছাড়া খাবার খেতে চাইতেন না মোটেও। খাবার খাওয়ানোর জন্য বারবার চেষ্টা করতাম আমরা সবাই। তিনি শুধু বলতেন খাবার জানে চায়’না রে বাবা।

বাবার কথা মনে পড়লে মনে খুবই কষ্ট পাই। এই কষ্ট নিয়ে এখন দিন কাটাচ্ছি। বাবাকে হারানোর আজ এক বছর পূর্ণ হয়েছে।

বাবাহীন একজন ছেলের জীবন যে কতটা বিয়োগান্ত হয়, তা হয়তো যাদের বাবা বেঁচে আছেন তারা কখনোই বুঝতে পারবে না। প্রতিটি মুহূর্তে মনে হয় সত্যি আমি বড়ই একা। একটু ভালোবাসা দেওয়ার, সান্ত্বনা দিয়ে সামনে চলার প্রেরণা জোগানোর মানুষটি আজ বেঁচে নেই। বাবাকে ছাড়া বাঁচতে পারব এ কল্পনা কখনো করিনি। কিন্তু বাস্তবতা বড়ই কঠিন। কেটে যাচ্ছে একেকটি দিন, একেকটি মাস।

বাবার অনেক স্মৃতি, অনেক কথা, যা আজও ভুলতে পারিনি, ভুলা যায় না। বাবাহীন প্রত্যেক দিন একেকটি ঝামেলা, একেকটি একাকিত্ব। ছায়াহীন পথ, আর লক্ষ্যহীন সকল যুক্তি। বাবাকে খুব মনে করছি। বাবার জন্য অনেক কষ্ট হয়। বাবা না থাকাটা যতটুকু কষ্টের, তার চেয়েও বেশি ঝামেলার।

বাবা, তুমি আমাদের সকলকে ছেড়ে চলে গিয়েছ না ফেরার দেশে। তুমি বেঁচে থাকতে তোমার গুরুত্ব আমরা কখনো বুঝিনি। আজ আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি তোমার অনুপস্থিতি। তোমার চলে যাওয়া আমাদের জীবনে বিশেষ করে আমার জীবনে অপূরণীয় ক্ষতি।

আমার আর এই যান্ত্রিক জীবন ভালো লাগে না বাবা। তোমার ছায়ায় যতটা দিন ছিলাম ভালোই তো ছিলাম। ছোট্ট পুঁচকে একটা ছেলের মতো জীবনটা এগোচ্ছিল। বাবা আমার মতো এই পুঁচকে ছেলেকে এত বড় সংসারে একা ছেড়ে গেলে বাবা? আমি আজকাল বড্ড ক্লান্ত হয়ে গেছি বাবা। জীবনের একটা বছর তোমাকে না দেখে কাটিয়ে দিয়েছি আমি।

সত্যি ভাবতে বড় অবাক লাগে। জানিনা কীভাবে সময় এত দ্রুত ক্ষয়ে যায় বাবা। সবকিছু যদি ক্ষণিকের জন্য উল্টো হয়ে যেত, খুশিতে আত্মহারা হয়ে যেতাম। কী ফিরে পেতাম জানি না, তবে তোমাকে আবারও ফিরে পেতাম ঠিকই বাবা। ফিরে পেতাম সেই সোনাঝরা আনন্দের দিনগুলো। বুকের পাঁজরে আটকে রাখতাম তোমায় বাবা। যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ বাবা।

জানি না জীবন নামের অংক খাতায় আর কত বিয়োগ হবে। তবে তোমাকে হারানোর পরে মনে হয়েছিল দুনিয়াটা বড়ই নিষ্ঠুর একটা জায়গা বাবা। পৃথিবীতে যুগে যুগে একজন মহৎ মানুষের আবির্ভাব ঘটে। আমার চোখে আমার বাবা তাদের একজন। যিনি সারা জীবন কল্যাণ করেছেন মানুষের। অনেক মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। যিনি জীবনে কষ্ট করেছেন কিন্তু কখনো কাউকে কষ্ট দেননি। কখনো বিচ্যুত হননি নীতি ও আদর্শ থেকে। সগৌরবে পাড়ি দিয়েছেন জীবনের ৯০ টি বছর।

সুখী মানুষের কাছে ৯০ বছর হয়তো কিছুই না। কিন্তু আমার বাবা জীবনে ৯০ বছরের প্রতিটি মুহূর্ত সংগ্রামের সঙ্গে পাড়ি দিয়েছেন। গড়ে গেছেন এক বর্ণাঢ্য জীবনের ইতিহাস। আমার লেখনীর মাধ্যমে তার জীবনী বা তাকে সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলার স্পর্ধা আমার নেই। কোনো কালে হবে কিনা জানি না। বাবার বিবেক আর তার দেখানো পথে হাঁটছি অবিরাম। জানি না এই পথের শেষ আছে কিনা। যদি বা শেষ না হয় এই পথের, ক্ষতি নেই। জীবন তো চলবেই জীবনের মতো। ভয় কী, বাবার আশীর্বাদ আমার সঙ্গেই আছে। বাবা, তোমায় বুকে ধারণ করেই বাকিটা জীবন কাটিয়ে দেব। তুমি যেখানেই থাকো ভীষণ ভালো থেকো বাবা। মহান রাব্বুল আলামিন দান করুন আপনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম।

আমার বাবার চলাফেরায় কেউ যদি মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করে দিবেন। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেন আমার বাবাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন। (আমিন)





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)