শিরোনাম:
●   রাজস্থলীতে শেখ রাসেলের জন্ম দিন উদযাপিত ●   পুলিশ বলছে ফেসবুক কমেন্টের জেরে পীরগঞ্জে হিন্দুদের বাড়িঘরে আগুন ●   সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ ●   মিরসরাইয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা ●   ছাত্রকে চড় মারার অপরাধে শিক্ষককে পিটিয়ে জখম ●   আজ শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর ৫৭তম জন্মদিন ●   ময়মনসিংহ মেডিকেলের করোনা ইউনিটে করোনা উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু ●   রোহিঙ্গারা এবং আটকে পড়া পাকিস্তানিরা দেশের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে ●   বিশ্বনাথে পলাতক আসামি সেবুল মিয়া গ্রেফতার ●   সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ ●   হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতকে কেন সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী ●   রাউজানে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীদের দলীয় মানোনয়নপত্র ফরম গ্রহণ শুরু ●   বেগমগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ, চট্টগ্রামে অর্ধদিবস হরতাল ●   মিরসরাইয়ে ১২ স্বতন্ত্রসহ ২৮ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা ●   জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে কাগইলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ ●   ময়মনসিংহ মেডিকেলের করোনা ইউনিটে করোনা উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু ●   ব্যাটারি চালিত রিক্সা-ভ্যান বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহারসহ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ●   কাশবনে ছবি তুলতে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার-২ ●   আওয়ামীলীগ বিরোধী কাজ করেও নৌকা প্রতীক চান জিন্নাহ্ আলম তালুকদার ●   মহালছড়িতে গাঁজাক্ষেত ধংস করেছে সেনাবাহিনী ●   মন্দিরে ভাঙ্গচুরের প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ ●   পূজামণ্ডপ রক্ষার মূল দায়িত্ব সরকারের, ব্যর্থতার দায়ও সরকারের : ডা. জাফরুল্লাহ ●   রাজনৈতিক ইন্ধন ছাড়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটতে পারে না : সাইফুল হক ●   উস্কানীমূলক তৎপরতার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হামলা- আক্রমণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করুন : বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ●   বিশ্বনাথে ছাত্রদলের ৮ ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা ●   ঝালকাঠিতে ১০ টাকার চাল বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ ●   ধর্ম যেন ক্ষমতার হাতিয়ার না হয় : মোমিন মেহেদী ●   লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্যের সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ●   সারাদেশে পূঁজা মন্ডপে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ীদের অবিলম্বে গ্রেফতার কর : বাম জোট ●   মিরসরাইয়ে একই পরিবারের তিনজনকে জবাই করে হত্যা
রাঙামাটি, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ৭ অক্টোবর ২০২১
প্রথম পাতা » খুলনা বিভাগ » ঝিনাইদহে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা
প্রথম পাতা » খুলনা বিভাগ » ঝিনাইদহে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা
৬৬ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ৭ অক্টোবর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঝিনাইদহে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা

ছবি : সংবাদ সংক্রান্ত জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :: শহুরে যান্ত্রিক জীবনে কিছুটা আনন্দ যুক্ত করতে ঝিনাইদহে আয়োজন করা হয়েছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা। এ আয়োজনকে ঘিরে শহরের পৌরসভা এলাকার খাজুরা গ্রাম পরিণত হয়েছিল উৎসবের নগরীতে। যান্ত্রিকতার যাতাকল আর করোনা অতিমারিতে যেন ভুলতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্য লাঠিখেলার খবরে মঙ্গলবার শহরের খাজুরা পুর্বপাড়ায় দুপুর থেকেই ভীড় করে অসংখ্য নারী-পুরুষ। শহর ছাড়িয়ে গ্রাম থেকেও আসতে শুরু করে দর্শকরা। দুপুরের পর থেকে খেলা শুরু হলেও সুর্য পশ্চিমে হেলে পড়লে যেন মেতে ওঠে খেলা প্রাঙ্গণের দর্শকরা। শুরুতে ঢাক-ঢোল আর কাসার ঘন্টার সাথে নৃত্য আর অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শণ করে খেলোয়াড়রা। এর পরই শুরু হয় মুল আকর্ষণ। দুই জন লাঠিয়াল বাদ্যের তালে তালে ঝাপিয়ে পড়েন একে অন্যের উপর। আত্মরক্ষার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে কাবু করতে মেতে ওঠেন তারা। আর তা দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকরা। শহুরে ব্যস্ত জীবন আর করোনা মহামারিতে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল এই আয়োজন। অনেকদিন পর হারানো এই ঐহিত্য দেখতে পেয়ে খুশি দর্শকরা। আব্দুল কাদের নামের এক দর্শক বলেন, অনেকদিন পর লাঠিখেলা দেকচি। মাঝে তো করোনা গেল, সবই তো বন্দ ছিলো। মেলাদিন পর এই খেলা দেখে খুব ভালোই লাগছে। রাশেদ উদ্দিন নামের আরেক দর্শক বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এই লাঠিখেলা দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে। মাঝে মাঝে খেলার আয়োজন করা হয়। এজন্য বর্তমান প্রজন্ম বিশেষ করে শহরের ছেলেমেয়েরা এ খেলা সম্পর্কে জানে না। তাই তাদেরকে গ্রামীন ঐতিহ্য জানাতে নিয়মিত এ ধরনের খেলার আয়োজন করা উচিত। ঝুমুর নামের এক দর্শক বলেন, অনেকদিন পর লাঠিখেলা দেখলাম। প্রতিনিয়ত যদি এই খেলা আয়োজন করা হয় তাহলে সবাই আনন্দ করে দেখতে পারতাম। তাই নিয়মিত এ খেলা আয়োজন করার দাবি জানাচ্ছি। আনোয়ার উদ্দিন নামে এক খেলোয়াড় বলেন, আমরা লাঠিখেলা করে কোন টাকা-পয়সা পাইনে। খেলা করলি আমাগের খেলা দেখে মানুষ হাততালি দেয়, আনন্দ পায়, তাই দেকে আমারও আনন্দ লাগে। এই জন্যি দ্যাশ-বিদ্যাশে খেলা করে বেরাই। সরকার যদি আমাগের দিকি একটু তাকাতো তাইলে আমাগের পক্ষে এই খেলা ধরে রাখা সম্ভব হতো। এ ব্যাপারে আয়োজক খাজুরা গ্রামের সামাদ মল্লিক বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখতে আর মানুষকে একটু আনন্দ দেওয়ার জন্য এই আয়োজন করেছি। আগামী প্রজন্ম যেন বাঙালী ঐহিত্য সম্পর্কে ধারণা পায় এইজন্য আমাদের এই প্রচেষ্টা।



google.com, pub-4074757625375942, DIRECT, f08c47fec0942fa0

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)