শিরোনাম:
●   মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দালাল আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ●   পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সুষম উন্নয়নে কাজ করবে সরকার : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ●   পেশার মর্যাদা রক্ষায় আত্রাইয়ে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন ●   পার্বতীপুরে সাংবাদিকদের সাথে ভূমিহীনদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মতবিনিময় সভা ●   তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের ●   ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ●   আত্রাইয়ে হেরোইনসহ ২জন মাদক কারবারি গ্রেফতার ●   রাঙামাটি জেলা চ্যাম্পিয়ন রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল দল ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী হাসপাতালে ভর্তি ●   পার্বতীপুরে ব্রক্ষোত্তর সোনাপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তার বেহাল অবস্থা ●   গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা ●   গাঁজাসহ আটক যুবককে কোস্টগার্ডের মারধরের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ●   বিজিবির আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মারিশ্যায় নবনির্মিত রিভারঘাট পোস্ট উদ্বোধন ●   ঝালকাঠিতে বোরো ধানে ধস, ঝড়-বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ক্ষেত ●   নদী রক্ষায় ঈশ্বরগঞ্জে পিএফজি’র মানববন্ধন ●   খাগড়াছড়িতে ইমন নামে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার ●   বিজয়ী বিজেপি নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশবিরোধী উসকানি থেকে বিরত থাকার আহবান ●   ঝালকাঠিতে আমির হোসেন আমুর পরিত্যাক্ত বড়ির প্রধান ফটক কেটে উন্মুক্ত করে দিয়েছে ●   ঝালকাঠি সদরে হাম-রুবেলা : ৭৩ সন্দেহভাজন চিকিৎসা নিয়েছে, বাড়ছে নতুন ভর্তি ●   হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি ●   তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে রাঙামাটি জেলা কমিটি অনুমোদন ●   সন্ত্রাসী, দূর্বৃত্ত ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করুন ●   ঝালকাঠিতে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ●   ঝালকাঠির সড়ক টেন্ডার হলেও কাজ শুরু না করায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ ●   নবীগঞ্জে কাভার ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাত বৃদ্ধ নিহত ●   পার্বতীপুরে ডেইরি খামার উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প’র সহায়তা ●   ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় ●   জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি মানতে হবে ●   ধান কেটে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১০
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
মঙ্গলবার ● ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
প্রথম পাতা » কৃষি » চাটমোহরে গবাদী পশুর খাদ্য সংকট : দিশেহারা কৃষক
প্রথম পাতা » কৃষি » চাটমোহরে গবাদী পশুর খাদ্য সংকট : দিশেহারা কৃষক
মঙ্গলবার ● ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

চাটমোহরে গবাদী পশুর খাদ্য সংকট : দিশেহারা কৃষক

গরুর খাদ্য ভাসমান কচুরীপানামো. নূরুল ইসলাম, পাবনা জেলা প্রতিনিধি :: পাবনার চাটমোহরের খাল বিল জলাশয়ের পানি কমলেও কমছে না গবাদী পশুর খাদ্য সংকট। বর্ষায় বিলগুলোতে বন্যার পানি প্রবেশ করার ফলে গোচারণ ভূমি ও ঘাস খেত ডুবে যাওয়ায় গবাদী পশুর খাদ্য সংকট শুরু হয়। এক দিকে খড়ের মূল্য বৃদ্ধি অন্য দিকে চাষ কৃত উন্নত জাতের ঘাস ক্ষেতগুলো পানিতে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া নিয়ে বিপাকে পরেছেন চাটমোহরের পশু মালিকেরা। বিশেষত গরু মহিষের খাদ্য চাহিদা মেটাতে বিকল্প হিসেবে পশু মালিকেরা পানিতে ভাসমান কচুরী পানা ও রাস্তার পার্শ্ববর্তী লতা গুল্ম ও গাছের পাতার উপর নির্ভরশীল হয়ে পরছেন। এ এলাকার অনেক পশু মালিক অর্থ সাশ্রয়ের জন্য অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি গরু মহিষকে এখন এসব খাবার খাওয়াচ্ছেন।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাটমোহরে ৩শ ২৮ টি গাভীর খামার, ২শ ৩২ টি গরু মোটা তাজাকরণ খামার, ৩৮ টি ছাগলের খামার ও ৩২ টি ভেড়ার খামার রয়েছে। এসব খামারসহ অন্যান্য কৃষকের মিলে মোট ৯৯ হাজার গরু, দুই হাজার ৭শ মহিষ, ১ লাখ ২৪ হাজার ছাগল ও ৪ হাজার ৭শ ভেড়া রয়েছে।
আষাঢ়-শ্রাবন মাসে চাটমোহরের বিল গুলোতে বর্ষার পানি প্রবেশ করে। বছরের অন্যসময় গুলোতে দিনের বেলা গরু মহিষকে মাঠে নিয়ে পতিত গোচারণ ভূমিতে খাওয়ানো সম্ভব হলেও বর্ষা ও শরতের প্রায় চার মাস মাঠে পানি থাকায় গরু মহিষকে মাঠে নিয়ে খাওয়ানো সম্ভব হয় না। এসময় পুরোপুরি খড় খইল ভুশিসহ অন্যান্য দানাদার খাবারের উপর নির্ভর করতে হয় পশু মালিকদের। বৈশাখ জৈষ্ঠ্য মাসে কৃষক বোরো ধান কাটলে বোরো ধানের কিছু খড় পাওয়া গেলেও তা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। ভাটি এলাকায় খড়ের দাম অপেক্ষাকৃত বেশি হওয়ায় সেসব এলাকার খড় ব্যবসায়ীরা চলনবিল অধ্যুষিত এলাকায় এসে চড়া দামে বোরো ধানের খড় কিনে নিয়ে যান। কুষ্টিয়া যশোর ঝিনাইদহসহ দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের উঁচু অঞ্চল থেকে খড় ব্যবসায়ীরা কিছু খড় কিনে অতিরিক্ত ট্রাক ভাড়া দিয়ে চাটমোহর এলাকায় এনে বেশি দামে বিক্রি করছেন। বর্তমান এ এলাকায় ছোট ছোট একশ আটি খড় প্রায় ৮শ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পশু মালিকেরা চড়া দামে পশুখাদ্য কিনে খাওয়াতে হিম শিম খাচ্ছেন। অনেকে পশু পালন ছেড়ে ও দিচ্ছেন।
চাটমোহরের পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের শুকরভাঙ্গা গ্রামের মোসলেম সরদার জানান, তিনটি গরু রয়েছে তার। গরুর খড় খইল ভুষি বাবদ তাকে প্রতিদিন প্রায় ৬শ টাকা ব্যয় করতে হয়। গো খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় গবাদী পশু পালন করে লাভবান হতে পারছেন না তিনি। বাধ্য হয়ে গরুর খাদ্য ব্যয় কমাতে প্রতিদিন কচুরী পানা কেটে খাওয়াচ্ছেন। একই গ্রামের মানিক হোসেনের মেয়ে মুন্নী ষষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী। বৃহস্পতিবার দুপুরে মায়ের সাথে কলার ভেলায় চড়ে রামের বিলে কচুরীপানা কাটতে দেখা যায়। চারটি গরু তাদের। মুন্নী জানায়, কচুরীপানা খাওয়ালে অন্যান্য ঘাস কম লাগে। তাই খরচ বাঁচাতে কচুরী পানা কাটছি। ক্ষুদ্র গোখামারী আনিসুর রহমান জানান, খড় খইল ভুশি ভুট্রাসহ গরুর প্রায় প্রতিটি খাবারের দামই বেশি। এ অবস্থায় গরু পালন করা আমাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পরেছে।
একজন ভেটেরেনারী সার্জন জানান, কচুরীপানা গবাদী পশুর আদর্শ খাবার নয়। গবাদী পশুর খাদ্য সংকটের কারণে অনেকে কচুরী পানা, লতা পাতা খাওয়ান। কিন্তুু কচুরী পানাতে পানির পরিমান বেশি থাকে। গবাদী পশুকে মাত্রাতিরিক্ত কচুরী পানা খাওয়ালে পাতলা পায়খানা বা বদ হজম হতে পারে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)