শিরোনাম:
●   মিরসরাইয়ে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ●   মোক্তার আলী ফাউন্ডেশন মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দশম কংগ্রেস ৬ - ৯ জানুয়ারী ২০২৩ পুনঃনির্ধারণ ●   মহালছড়ি সেনাবাহিনী কর্তৃক ১০০ বিঘা গাঁজা ক্ষেত ধ্বংস ●   মিজোরামে আশ্রিত শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনুন : ইউপিডিএফ ●   রাউজান সিটি প্লাজায় প্রবাসীর বাসায় দুর্ধষ চুরি ●   লুটপাটের ধারা চলতে দিলে দেশ দেউলিয়া হয়ে পড়তে পারে ●   গুইমারায় যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার ●   ঢাকায় পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপিত হলো ●   সালাম মুর্শেদী অবৈধভাবে বাড়ী দখল করেননি, তদন্ত রিপোর্ট অসম্পূর্ণ ও অনুনোমোদিত ●   নিখোঁজের ২১দিন পর শিশু ইব্রাহিমের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার ●   পানছড়িতে ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ ৫ পেয়েছে ●   ঈশ্বরগঞ্জে কৃষকের কচু খেত কেটে বিনষ্ট ●   শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টায় রাউজানে বখাটে আটক ●   বিশ্বনাথে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে ঘাতক কার্তিক ●   পার্বত্য চুক্তি সংশোধনের দাবিতে নাগরিক পরিষদের সংবাদ সম্মেলন ●   সরকারের দ্বিমুখী নীতির কারণে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি : সাইফুল হক ●   মিরসরাইয়ে মাড়াইয়ের জন্য রাখা ধানে অগ্নিকাণ্ড ●   চুয়েটে শেখ হাসিনার উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ●   বগুড়ায় সবজি প্রদর্শনী ও কৃষক মাঠ দিবস ●   পার্বত্য চুক্তির রজত জয়ন্তী : রাষ্ট্রিয় সুযোগ সুবিধা ৯০% ভোগ করছেন তিন জনগোষ্ঠীর লোকজন বাকিরা ১০% পার্বত্য চুক্তিতে বিশাল ধরনের বৈষম্যে ●   রাঙামাটিতে ২৮টি পাড়াকেন্দ্রে ডিজিটাল ক্লাসরুম উপকরণ বিতরণ ●   সাংবাদিক কণ্যা জেরিন এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ ৫ ●   মিরসরাইয়ে ১০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি ●   বিয়ের আগের দিন লন্ডন প্রবাসী তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু ●   ঘোড়াঘাটে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যা ●   দরিদ্র ঘরের মেয়ে সাদিয়ার জিপিএ-৫ পাওয়ার সাফল্য ●   মোরেলগঞ্জে শেখ রাসেল শিশু পার্ক উদ্বোধন ●   পার্বত্য চুক্তির ২৫ বছর পূর্তিতে সাংবাদিক মকছুদ আহমেদকে সম্মাননা প্রদান প্রয়োজন মনে করেন সুশীল সমাজ ●   বরিশালের ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা মামলা
রাঙামাটি, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৯



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ১৯ নভেম্বর ২০২২
প্রথম পাতা » খুলনা বিভাগ » মোরেলগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪০ পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন
প্রথম পাতা » খুলনা বিভাগ » মোরেলগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪০ পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন
২৫ বার পঠিত
শনিবার ● ১৯ নভেম্বর ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মোরেলগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪০ পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন

ছবি : সংবাদ সংক্রান্ত এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট প্রতিনিধি :: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে কুঠিবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪০টি পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। দুইটি ব্যারাকে ২০টি ঘরের জরাজীর্ণ অবকাঠামো। যে কোন সময়ে দূর্ঘটনার আশঙ্কায় আশ্রয়ণ বাসিন্দাদের। প্রতিটি পরিবারের ১০শতকের দলিল থাকলেও খাজনা নিচ্ছেনা ইউনিয়ন ভুমি অফিস। আশ্রয়ণ বাসিন্দাদের দাবী জরাজীর্ন ঘরগুলো সংস্কার করে বসবাসের উপযোগী করা ও সরকারিভাবে তাদের প্রাপ্ত দলিল অনুযায়ী খাজনা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার পৌরসভার নদীর তীরবর্তী কুঠিবাড়ী এলাকায় ২০০০ সালে ৪ একর জমির উপরে নির্মিত হয় আশ্রয়ণ প্রকল্পটি। এ প্রকল্পে ৪টি ব্যারাকে ৪০টি পরিবারের বসবাস। এখানে ৭/৮টি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারসহ ভুমিহীন পরিবার গুলোর জন্য ২০০১ সালে প্রতিটি পরিবারের জন্য সরকারিভাবে ১০ শতক করে জমি দলিল হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে আশ্রয়ণের বাসিন্দারা দলিল অনুযায়ী তাদের নামে মিউটেশন করে ২০১৪ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করে আসছে হঠাৎ করে তাদের খাজনা নেয়া বন্ধ করে দেয় ভূমি অফিস।
২০০৪ সালে দুটি ব্যারাকে ২০টি ঘর ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে পুড়ে যায়। পরে সরকারি বরাদ্দে ২০১৫ সালে ক্ষতিগ্রস্থ ২০টি ঘর পুনরায় নির্মাণ করা হয়। বাকী দুটি ব্যারাকের ২০টি ঘর এখন জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিটি ঘরের খুটি ভেঙ্গে গিয়ে নড়বড়ে অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘরের ছাউনির টিনগুলো ছিদ্র হয়ে ঝাজড়া হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পনিতে তলিয়ে যায়, পুর্ণিমার অতিরিক্ত জোয়ারে হাটু পানি সৃষ্টি হয়ে রান্না খাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। অভুক্ত থাকতে হয় পরিবার পরিজন নিয়ে। প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ঝড়-বন্যায় ঘর ছেড়ে যেতে হয় অন্যত্র। নেই কোন স্যানিটেশন ব্যবস্থা, সুপেয় পানির রয়েছে অভাব। আশ্রয়নের অফিস ঘরটিও ভাঙ্গা চুড়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে এখন দুর্বিসহ জীবন যাপন আশ্রয়নের বাসিন্দাদের।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি সেকেন্দার আলী খান, সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র বাউল, নুরজাহান বেগম, সালেহা বেগম, মোসাম্মত লিজা আক্তার, রুস্তম কাজী, অসীম দত্তসহ একাধিক আশ্রয়নের বাসিন্দারা বলেন, ২০০১ সালে সরকারিভাবে প্রত্যেককে ১০ শতক জমির দলিল দেন। পরবর্তীতে নিজ নামে মিউটেশন করে ২০১৪ সাল পর্যন্ত নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করেছি। হঠাৎ ভূমি অফিস কর্মকর্তা বলছেন ৫ শতক জমির খাজনা দিতে পারবেন। আমাদের খাজনা নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আশ্রয়নের শুরু থেকেই জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ মাঠ জরিপে বি আর এস রেকর্ডেও আমাদের নামে রেকর্ড হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের জমি বুঝিয়ে দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বললেও অদ্যবদি পর্যন্ত কোনর সুরহা হয়নি। ব্যারাক দুটি ২০টি পরিবারের ঘরগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ন জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

এ সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কুঠিবাড়ি আশ্রয়ন প্রকল্পটি দলিল ও জমি নিয়ে জটিলতা রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী পৌরসভায় ব্যারাক হাউজে বসবাসকৃত প্রতিটি কক্ষে হাফ শতক করে জমি প্রাপ্ত। কিভাবে ১০ শতকের জমির দলিল হস্তান্তর হয়েছে খুজে দেখা হচ্ছে। আশ্রয়নের দুটি ব্যারাকে ২০টি ঘরের সংস্কারের জন্য গত বছর প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে সংস্কার করা হবে।





google.com, pub-4074757625375942, DIRECT, f08c47fec0942fa0

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)