শিরোনাম:
●   নওগাঁ-৬ আত্রাই-রাণীনগর আসনের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা; কে হাসবে জয়ের হাসি? ●   ঝালকাঠিতে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা: নারীর দুই বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা ●   মিরসরাইয়ে ভোট কেন্দ্র থেকে ছাত্রদল কর্মী আটক ●   নওগাঁ-৬ আত্রাই-রাণীনগর আসনে সৎ ও উন্নয়নমুখী প্রার্থীর খোঁজে ভোটাররা ●   দিনাজপুর-৫ পার্বতীপুরে ৮৯ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ ●   ঝালকাঠিতে ২৩৭টি ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনী সরঞ্জামাদি বিতরণ ●   কাউখালীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী স্ত্রীর বিষপান ●   বেতবুনিয়ায় সিকান্দর তাহেরা মেমোরিয়াল হেলথ কেয়ারের শুভ উদ্ভোধন ●   ঢাকা-১২ আসনে কোদাল মার্কায় গণজোয়ার কোদাল মার্কায় ভোট দিয়ে ভোটের মর্যাদা রক্ষা করুন : জননেতা সাইফুল হক ●   ঈশ্বরগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা ●   বেগম খালেদা জিয়ায় আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাগবাড়ীতে মানুষের ঢল ●   দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে ভোটারদের মুখ কালো : জুঁই চাকমা ●   হুমকি-ধমকি দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা যাবে না : জুঁই চাকমা ●   রাঙামাটি আসনের ভোটকেন্দ্র গুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেছেন জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ দোকান পুড়ে ছাই ●   নানিয়ারচর উপজেলাকে আধুনিকায়ন করে মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব : জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে হাতপাখা কর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদ ●   খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ●   ৫৪ বছরে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে ●   বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ ●   ঢাকা ১২ আসনে নির্বাচন হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,জুলুম ও মাদকের বিরুদ্ধে ●   শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ●   বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা ●   বাবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ গৃহবধু, সন্ধানে পরিবারের আকুতি ●   বেতবুনিয়া পিএসটিএস টিআরসিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ●   ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন ●   ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন, অন্যথায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও করবো : সাইফুল হক ●   জুরাইছড়ি একটি দুর্গম উপজেলা সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন : জুঁই চাকমা ●   খোলা ড্রামের ভোজ্যতেল অনিরাপদ ●   পার্বতীপুরে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা
রাঙামাটি, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১
প্রথম পাতা » অপরাধ » বিয়ে করা স্ত্রীদের ইরাক পাচার করতেন এটাই ছিল লিটনের পেশা
প্রথম পাতা » অপরাধ » বিয়ে করা স্ত্রীদের ইরাক পাচার করতেন এটাই ছিল লিটনের পেশা
রবিবার ● ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বিয়ে করা স্ত্রীদের ইরাক পাচার করতেন এটাই ছিল লিটনের পেশা

ছবি : সংগৃহীত নিজেকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের একটি হাসপাতালের বড় কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন লিটন মিয়া। তারপর বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যেতেন পাত্রীর বাড়ি। বিয়ে করে কিছুদিন সংসার করতেন। আবার অনেক সময় সংসার করতেনও না। বিয়ে করা স্ত্রীকে বিদেশ নেওয়ার নাম করে পাঠাতেন বাগদাদ। তারপর সেই স্ত্রীকে বিক্রি করে দিতেন। এটাই ছিল লিটনের এক ধরনের পেশা। এভাবে পাঁচ স্ত্রীকে পাচার করেন তিনি। ষষ্ঠ বিয়ের পর পাচারের আগেই আরেক সহযোগীকে নিয়ে ধরা পড়েন।
অভিনব কায়দায় নারী পাচারের অভিযোগে তাকে আটক করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা র‌্যাব। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেন লিটন সিন্ডিকেটের কান্ড। বিলাসবহুল গাড়ি, বিয়ার, দেশি-বিদেশি জাল টাকা পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয় তার কাছ থেকে।
লিটনের বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে অভিযোগ অনেক দিন থেকে। সিন্ডিকেট তৈরি করে লিটন চক্র নারী পাচারে সংশ্লিষ্ট ছিল। বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে লিটন একটি হাসপাতালের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করত। অনৈতিক কারণে চাকরি চলে যায়। তারপর চলে যান ইরাক। বেশি দিন থাকেননি। ২০১৩ সালে চলে যান ইতালি। পাশাপাশি ইরাক ও দুবাইতে গড়ে তোলেন নারী পাচার সিন্ডিকেট। বিউটি পারলার, সুপারশপ ও নার্সিং পেশায় চাকরির প্রলোভন দিয়ে নারীদের পাঠানো হতো বিদেশে। তাদের কাছ থেকে নেওয়া হতো চার লাখ করে টাকা।
র‌্যাব জানায়, লিটন ২০১৮ সাল পর্যন্ত ইতালি ছিলেন। এই সময়ের ভিতরে দেশে এসে বা ফোনে বিয়ে করেন ৬ নারীকে। ৫ জনকে বিদেশ নেওয়ার নাম করে পাঠিয়ে দেন ইরাক। মোট শতাধিক নারী পাচারে সম্পৃক্ত লিটন সিন্ডিকেট।
র‌্যাব জানায়, চাকরির আশ্বাস দিয়ে নারীদের দুবাই পাঠানো হতো ট্যুরিস্ট ভিসায়, আর ইরাক ভিজিট ভিসায়। বলত, গেলেই চাকরি মিলবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি মিলত না। কিছুদিন নিজেদের কাছে রেখে পরে সুযোগ বুঝে বিক্রি করে দেওয়া হতো।
র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, অনেক সময় বিদেশ নিয়ে তারা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে জিম্মি করত। নির্যাতন থেকে রক্ষার কথা বলে টাকা নিত পরিবারগুলোর কাছ থেকে। দীর্ঘদিন থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লিটন ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে শনিবার। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চেষ্টা চলছে তাদের সিন্ডিকেটকে ধরার।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)