শিরোনাম:
●   কুষ্টিয়া আলাউদ্দিন নগরে ওয়াজ মাহফিল ●   বিশ্বনাথে ‘দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে বাসিয়া’ নদী ●   সাংবাদিক পুত্র সিয়ামের মৃত্যুতে শোক ●   বাজারের লাগাম টেনে ধরুন : শ্রমজীবী মানুষের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করুন ●   প্রবাসী এমদাদ খুনের ঘটনার স্বীকারোক্তি দিলো স্ত্রী নারগিস ও ভাড়াটে খুনি নবী ●   মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের উদ্যোগে অগ্নিঝরা ২৩শে মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা ●   রাঙামাটি আরপিটিআইতে কোভিড-১৯ মহামারি প্রতিরোধ বিষয়ে ৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনি ●   কাগইল করুনাকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা ●   বরেণ্য ভাস্কর শিল্পী শামীম সিকদার এর মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক ●   খাজাঞ্চী একাডেমী এন্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ●   সুগন্ধা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে জরিমানা ●   বৈদ্যুতিক শক দিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মিরসরাইয়ে স্ত্রী আটক ●   রাঙামাটিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ●   ঘোড়াঘাটে গৃহহীন ২৯৯ পরিবার পেল বাড়ির চাবি ●   পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ ●   ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রী ধর্ষণ, ৭ মাসের গর্ভবতী : ধর্ষক আটক ●   নবীগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেল ২৭০ গৃহহীন পরিবার ●   আত্রাইয়ে নৈশ বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু ●   পানছড়িতে গৃহহীন পরিবারের মাঝে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর হস্তান্তর ●   গাবতলীর আলিম মাদ্রাসায় বিদায় সংবর্ধনা ●   কাউখালীতে সরকারি কর্মচারী সমিতির পরিচিত সভা ●   বাংলাদেশ কোন অঙ্গরাজ্য নয় : মোমিন মেহেদী ●   বিশ্বনাথে লক্ষ টাকার ফুটবল টুর্ণামেন্টে পৌরসভা ১নং ওয়ার্ড চ্যাম্পিয়ন ●   ঈশ্বরগঞ্জে নতুন ঘর পাবে আরও ৬১ পরিবার ●   আত্রাই নদীর তীরে ‘মরিচ’ চাষে অভাবনীয় সাফল্য ●   বরকল উপজেলায় মাসব্যাপি ভলিবল প্রশিক্ষণ সমাপনি ●   রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা নিশ্চতকরণে মতবিনিময় সভ ●   লোগাং বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ ●   কলাকোপা আতপজান মেমোরিয়াল বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ●   কুষ্টিয়ায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত বিষয়ক কর্মশালা
রাঙামাটি, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩, ১০ চৈত্র ১৪২৯



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
মঙ্গলবার ● ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
প্রথম পাতা » অর্থ-বাণিজ্য » রাঙামাটিতে নিত্যপণ্যের পাগলা ঘোড়া লাগামহীন ভাবে চলছে : স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা
প্রথম পাতা » অর্থ-বাণিজ্য » রাঙামাটিতে নিত্যপণ্যের পাগলা ঘোড়া লাগামহীন ভাবে চলছে : স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা
৬১ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাঙামাটিতে নিত্যপণ্যের পাগলা ঘোড়া লাগামহীন ভাবে চলছে : স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা

ছবি : সংবাদ সংক্রান্তছবি : সংবাদ সংক্রান্ত নির্মল বড়ুয়া মিলন :: রাঙামাটি শহরের বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস। ৩০ টাকায় মিলছে প্রায় সবজি। কাঁচা মরিচের ঝাল একটু বেশি। পেঁয়াজের বাজারেও কিছুটা স্বস্থি ফিরেছে। আর চালের বাজারও চড়া। সবমিলিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্থিতে নেই ক্রেতারা। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের লোকজনই পড়েছেন বেশি বিপাকে। রাঙামাটি শহরের রিজার্ভবাজার, তবলছড়ি, কলেজ গেইট ও বনরুপা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে ২৫-৩০ টাকা কেজিতে বিক্রয় হচ্ছে শীতকালিন সবজি। সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা কমেছে। কাঁচা মরিচ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৬০ টাকায়। যেখানে গত সপ্তাহে দাম ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। একই ভাবে বাজারের বিভিন্ন ধরনের সবজি থাকলেও সবধরনের সবজির দামই কিছুটা কমেছে।
শহরের বনরুপা বাজারে প্রতি কেজি ইরি মোটা চাউল ৪৫-৫০ টাকা, ২৮ মিনিকেট চাউল ৭০ টাকা, ২৯ মিনিকেট ৬৫ টাকা, কাটারী ভোগ ৯০ টাকা, সিদ্ধ ৫৮ টাকা, বাসমতি ৭৫ টাকা, পোলাও চাউল ১৪৫ টাকা, চিনি ১১২ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৮-৪০ টাকা, চায়না রসুন ১৮০ টাকা, দেশী আদা ১০০-১৬০ টাকা, মুসারির ডাউল ১০০-১২০ টাকা, হুইল পাউডার ১৪০ টাকা, জিরা ৬৫০ টাকা, শুকনা মরিচ ৪৫০ টাকা, লবংঙ্গ ১৫০০ টাকা, কিসমিস ৫০০-৩৫০ টাকা,গুড়া দুধ ৯০০-৭০০ টাকা, ১০০ গ্রাম লাক্স সাবান ৬০ টাকা, ৩৫ টাকার টিসু পেপার ১মাসের ব্যবধানে ৫৮ টাকা, প্রতি লিটার সোয়াবিন তৈল ১৮৭ টাকা, ডালডা ১৮০ টাকা, ১নং বাঘাবাড়ি ঘি ১১০০ টাকা ধরে বিক্রয় করা হচ্ছে।
এবিষয়ে রামভান্ডার ষ্টোর এর মালিক আশু চৌধুরী বলেন,পাইকারি বাজারে দাম বেশি। তাই তার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও । প্রতিনিয়ত পাইকারি বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। এই ব্যবসায়ী জানান ৩ মাসের ভিতর অস্বভাবিক হারে বৃদ্ধি হয়েছে জিরা,লং, শুকনা মরিচ ও কিসমিসের দাম। নিত্যপণ্যের দাম কেন এত বৃদ্ধি করা হয়েছে জানতে চাইলে, রামভান্ডার ষ্টোর এর মালিক আশু চৌধুরী বলেন, গাড়িভাড়া বেশী, কোম্পানী গুলো বলছে উৎপাদন খরচ বেশী ইত্যাদি এসব কারণে বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ্যের দামের পাগলা ঘোড়ার মত লাগামহীন ভাবে চলছে।

বাজারে আসা প্রতিকেজি ফুলকপি ২০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, ক্ষিরা ৩০ টাকা, থিতকরলা ১২০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ডেড়শ ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, লাল আলু ৩০ টাকা, লাউ প্রতিপিস ৪০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চারটি কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। কাঁকরোল, ধুন্দুলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। সাদা মাসরুম ২৪০ টাকা, কালো মাসরুম ২৮০ টাকা, এক হালি লেবু ১০ টাকা করে প্রতি আটি লালশাক, পুঁইশাক, লাউয়ের ডগাসহ বিভিন্ন প্রকারের শাক ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস ৯০০-১১০০ টাকা, গরুর মাংস ৭০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, দেশী মুরগী ৪৮০ টাকা, সোনালী ৩০০ টাকা, কক ২৭০ টাকা, হাঁস ২০০ টাকা, ছ্যাকা লেয়ার মুরগি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, দেশী ছ্যাকা মুরগি ৬৫০ টাকা, শুকরের মাংস ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা এবং দেশী মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, লাল ডিম ১৪০ ও সাদা ডিম ১৩০ টাকা দরে মিলছে।
প্রতি কেজি ছরী শুটকি বড় সাইজ ১৩০০ টাকা, মাঝারী সাইজ ১২০০ টাকা, ছোট সাইজ ১০০০ টাকা, একেবারে ছোট ৪৫০ টাকা, লইট্টা শুটকি ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি শুটকি ১৭০০ থেকে ১২০০ টাকা, হাঙ্গর শুটকি ৪৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও শুকনা নুনা ইলিশ প্রতিটি ৪৫০ থেকে ৪০০ টাকা ধরে বিক্রয় করা হচ্ছে।
মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই কাপ্তাই হৃদের প্রতি কেজি চাপিলা ৩০০ থেকে ১২০ টাকা, কাছকি ৪০০ টাকা, বড় রুই ৮০০ টাকা, ছোট রুই ৪০০ টাকা, বড় কাতাল ৬৫০ টাকা, ছোট কাতাল ৩৫০ টাকা, আইড় মাছ ৯০০ থেকে ৬০০ টাকা, কালো বাউস ৯০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাছামাছ ৮০০ থেকে ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা ও ফলাই মাছ ৩০০ থেকে ২৮০ টাকা, সাগরের রুপচাঁদা ৭০০ থেকে ৫০০ টাকা, কোরাল ৬০০ টাকা, মাঝারি বাগদা চিংড়ি ৭০০ টাকা, ছোট বাগদা চিংড়ি ৬০০ টাকা, বড় গলদা চিংড়ি ৮০০ টাকা, ছোট গলদা চিংড়ি ৭০০ টাকা ও হরিণা মাছ ৬০০ টাকা ধরে দাম হাকছে।
ফলের বাজারে আপেল প্রতি কেজি ২৮০ টাকা, আপেল কুল ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বল সুন্দরী কুল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, মোসাম্মি ২২০ টাকা, কমলা ২২০ টাকা, কালো আঙ্গুর ৪০০ টাকা, সাদা আঙ্গুর ২৫০ টাকা ও ডালিম ৩২০ থেকে ২৮০ টাকা ধরে পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে স্বস্তি মিলছে না রসুনের দামেও। দেশি রসুন কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। আমদানি করা বড় আকারের ভারতীয় বা চায়না রসুন কেজির জন্যেও গুনতে হচ্ছে ১৮০ টাকা।
তবে ক্রেতারা স্বস্তিতে আছে শিতকালীন সবজি বাজারে, দাম অনেক কম। বাজার মোটেও স্থিতিশীল নেই মাছ ও মাংস, মুরগি ও ডিমের দামে। তবে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধানের দাম বাড়ায় চালের দাম বেড়েছে। বাজার স্থিতিশীল করতে হলে চাল আমদানি প্রয়োজন।





google.com, pub-4074757625375942, DIRECT, f08c47fec0942fa0

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)