শিরোনাম:
●   ঢাকা ১২ আসনে নির্বাচন হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,জুলুম ও মাদকের বিরুদ্ধে ●   শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ●   বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা ●   বাবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ গৃহবধু, সন্ধানে পরিবারের আকুতি ●   বেতবুনিয়া পিএসটিএস টিআরসিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ●   ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন ●   ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন, অন্যথায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও করবো : সাইফুল হক ●   জুরাইছড়ি একটি দুর্গম উপজেলা সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন : জুঁই চাকমা ●   খোলা ড্রামের ভোজ্যতেল অনিরাপদ ●   পার্বতীপুরে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা ●   ঝালকাঠিতে ভুয়া আইনজীবী আটক ●   নির্বাচনকে ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে খাগড়াছড়িতে ৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ●   ঈশ্বরগঞ্জে বিএনপি নেতার মৃত্যু ●   জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার্থে আমি নির্বাচন করছি : জুঁই চাকমা ●   অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা সচেতনতা জরুরি ●   মিরসরাইয়ে বাড়ির উঠান থেকে মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা ●   চাঁদাবাজির জুলুম বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা হবে ●   নির্বাচনকে সামনে রেখে কঠোর অবস্থানে ৪১ বিজিবি ●   স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় রক্তাক্ত গৃহবধু ●   পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়তে জনগণকে আমার পাশে চাই : জুঁই চাকমা ●   জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হয়েও ঝালকাঠি-২ আসনে নির্বাচন করছেন রাজ্জাক সেলিম ●   দেশের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতায় এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ ●   শিক্ষিত বেকাররা কোন ধরনের ঘুষ ছাড়া চাকরি পাবেন : জুঁই চাকমা ●   কোদালেই ভোট দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে আনব : জননেতা সাইফুল হক ●   বান্দাইখাড়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ●   নির্বাচনী প্রচারণায় জুঁই চাকমার রাঙামাটি শহরে জনসংযোগ ●   নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : সাইফুল হক ●   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : আত্রাইয়ে প্রস্তুত ৬০টি ভোটকেন্দ্র ●   তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আসন্ন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান ●   আসুন দল,মত, ধর্ম -বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ রাঙামাটি গড়ি : জুঁই চাকমা
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ১৯ আগস্ট ২০১৭
প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » সৌন্দর্যের অারেক নাম সোনার চর
প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » সৌন্দর্যের অারেক নাম সোনার চর
শনিবার ● ১৯ আগস্ট ২০১৭
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সৌন্দর্যের অারেক নাম সোনার চর

---হাসান আলী,পটুয়াখালি প্রতিনিধি :: (৪ ভাদ্র ১৫২৪ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় সকাল ১১.৫৫মি.) পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলাধীন তেঁতুলিয়া ও বুড়া গৌরাঙ্গ নদীর মোহনার বিশাল একটি দ্বীপচরের নাম সোনার চর।সম্ভাবনাময় সোনার চর হয়ে উঠতে পারে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র। জেলা সদর থেকে ১২০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে এবং কুয়াকাটা থেকে সোজা পূর্বে ৫০ কিমি দূরে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের বুক চিড়ে জেগে ওঠা এ চরটি রাঙ্গাবালী উপজেলার দক্ষিণ সীমা তথা শেষ ভূখণ্ড। বিংশ শতাব্দীর ৩০ এর দশকে জেগে ওঠা এ মায়াবী দ্বীপটিতে সোনা নেই বটে। কিন্তু অপার সম্ভাবনাময় দ্বীপটিতে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো গেলে এটি হয়ে উঠতে পারে সোনার মতো মূল্যবান। এখানকার বালুকারাশির উপর সোনালী সূর্যের ঝলমলে আলো যখন প্রতিবিম্বিত হয় তখন তা দেখতে অনেকটা সোনার মতো মনে হয়। এ থেকেই লোকজন চরটির নাম দেয় সোনার চর। প্রায় ১০ হাজার একর আয়তন বিশিষ্ট উত্তর-দক্ষিণে লম্বা কিছুটা ডিম্বাকৃতির এ চরটির দিকে ২০০৪ সালে নজর দেয় সরকার। এরই প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী উপকূলীয় বনবিভাগ বনায়ন শুরু করে এবং পরে এখানে কিছু প্রাণী উন্মুক্ত করা হয়। ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংরক্ষিত এ বনভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়।
নয়ানাভিরাম সৌন্দর্যের নানা আয়োজন রয়েছে এ দ্বীপটিতে। সোনার চরের ভিতরে মাকড়সার জালের মতো ছড়ানো অসংখ্য সোতা-খাল। এসব খালের দুপাশে সবুজের নিশ্ছিদ্র দেয়াল হয়ে দাড়িয়ে আছে প্রকৃতি তথা বনবনানীর নিপুণ কারুকাজ। সাগর, নদী, ঢেউ, সাত কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ, লাল কাঁকড়ার অসাধারণ শিল্পকর্ম ও ছোটাছুটির দৃশ্য আপনার ভ্রমণক্লান্ত মনটাকে দিতে পারে অনাবিল আনন্দের এক কোমল পরশ। এখানে ঘুরতে ঘুরতে আপনার চোখের সামনে এসে পড়তে পারে বুনো মহিষ, হরিণ, শুকর, বানর, মেছো বাঘসহ আরো কোন বন্য প্রাণীর দল। এ চরে প্রচুর দেশী-বিদেশী পাখির বিচরণ রয়েছে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসে এখানে।
এখানে অস্থায়ী ভিত্তিতে গড়ে ওঠা জেলে পল্লীর জেলেদের জীবনাচরণ আপনার চিন্তার জগতকে দোলা দিবে নিঃসন্দেহে। প্রতি বছর অক্টোবর নভেম্বর মাসে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জেলেরা এখানে আসেন এবং ঘর তোলেন পাঁচ-ছয় মাসের জন্য। তারা বিশেষ ধরনের কিছু মাছ ধরেন এবং তা শুকিয়ে শুটকি তৈরি করেন।
সোনার চরের যাতায়াতের সমস্যা ও কাঙিক্ষত প্রচার-প্রচারণার অভাবে পর্যটক প্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি অপার সম্ভাবনাময় এ দ্বীপটি। দ্বীপটির অবস্থানগত বৈশিষ্ট্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে এখানে গড়ে উঠতে পারে মালদ্বীপ, বালি ও পাতায়ার মতো বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র। এজন্য দরকার সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)