শিরোনাম:
●   বান্দরবানকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব করার ডাক পার্বত্য মন্ত্রীর ●   ভারত পার্বতীপুরে এলো ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল ●   হেফাজতে আমিরের মাইক্রোবাস দুর্ঘটনার কবলে : অক্ষত বাবুনগরী ●   ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতে শিশু আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটিতে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটিতে জেলা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ●   ভারত থেকে ৭২ দফায় পার্বতীপুরে এলো ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল ●   সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি বিকৃত করে ফেইজবুকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ●   শুধু সভা করে সময় নষ্ট করলে চলবে না :গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ●   ঈশ্বরগঞ্জে গাঁজাসহ আটক যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড ●   আত্রাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল,দুর্ঘটনার আশংকা ●   প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নিযুক্ত ●   ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হৃদয় গ্রেফতার, ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা ●   রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্ট ইউকে’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন থেকে শ্যামল চৌধুরী বহিষ্কার ●   কুষ্টিয়া কুমারখালীতে ২২ বছর ধরে চলছে বিনামূল্যের চক্ষু সেবা ক্যাম্প ●   পার্বতীপুর ৯২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার: নেপথ্যে কারা, উঠছে নানা প্রশ্ন ●   ঈশ্বরগঞ্জে জাতীয় যুবশক্তি’র আহ্বায়ক কমিটি ●   রাউজানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট যুবকের মৃত্যু ●   মিরসরাইয়ে ইয়াবা সহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ●   গাজীপুরে কেজি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ●   ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ●   আত্রাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন ●   সুমনালঙ্কার মহাথেরোর মহাপ্রয়াণে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর শোক ●   বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার ●   কাউখালীতে রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিএনপির সংবর্ধনা ●   পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিন নতুন কমিটি স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে পিসিএনপির সংবাদ সম্মেলন ●   পাহাড়ের শান্তিতে বিএনপি সরকারের বড় উদ্যোগ : প্রধানমন্ত্রীকে পিসিএনপির অভিনন্দন ●   হৃদরোগে আক্রান্ত ৬ মাসের শিশু অভ্রনীলের পাশে বাবৌযুপ ●   এমপি মাজেদ বাবুর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
রাঙামাটি, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ৪ ডিসেম্বর ২০১৯
প্রথম পাতা » পাবনা » চাটমোহরে জমি নিয়ে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত-১০
প্রথম পাতা » পাবনা » চাটমোহরে জমি নিয়ে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত-১০
বুধবার ● ৪ ডিসেম্বর ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

চাটমোহরে জমি নিয়ে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত-১০

---পাবনা প্রতিনিধি :: পাবনার চাটমোহরের বড় শালিখা এলাকায় বিরোধ পূর্ন জমি নিয়ে সংঘর্ষে আজ বুধবার সন্ধ্যায় ২ পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়েছে।
এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ২ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আহতরা হলেন, পুলিশের এএসআই ওয়াসিম (৩৫), কনস্টেবল আলমগীর হোসেন (৩০), বড় শালিখা এলাকার মোসলেম উদ্দিনের মেয়ে উম্মে সৈয়দা মুর্শিদা (২০), আঃ বাতেনের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৪৬), হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী সোহাগী খাতুন (২০),হাবিবুর রহমানের মেয়ে কনা (২৬), ইমন আলীর ছেলে রফিক আলী (৩৯), মৃত কাশেম আলীর ছেলে হোসেন আলী (৩০) । আহতদের চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয় হয় ।

এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা গেছে, বড় শালিখ এলাকার মৃত ইমান আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন কায়েম গং ও মৃত দিরাজ প্রাঃ ছেলে মোসলেম, আমজাদ ও জামাই হাবিবুর গং এর মধ্যে ৫ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার বিকেলে উভয়পক্ষ উত্তেজিত হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশের কথা না শুনে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েপরে।

চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাসির উদ্দিন জানান, ঘটনায় পুলিশ সহ ১০/১২ জন আহত হয়েছে। আমরা পরিবেশ শান্ত করতে বাতেন প্রামানিকের ছেলে সাদ্দাম (৩০) ও হাফিজুর রহমানের ছেলে সোহেল আলী (৩৫) কে আটক করেছি। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।

চলনবিল অঞ্চলে বিনাহালে রসুন চাষ নিয়ে ব্যস্থ নারীরা

পাবনা প্রতিনিধি :: চলনবিলের দু্িক্ষণ অঞ্চল জুড়ে চাটমোহর, গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম বিনাচাষে কৃষক রসুনের আবাদ করেন। বিলের পানি কার্তিকের শেষে নদীতে নেমে যায়। অগ্রাহায়নের শুরুতে বিলের পলিমাটি শুকিয়ে ওঠে। তখন কৃষক কোন রকম হালচাষ ছাড়াই রসুন রোপন করেন। এবার ত্রুটিপূর্ণ স্লাইসগেটের কপাট খুলতে দেরী ও বাঁধের কারনে বিল থেকে পানি নেমেছে বিলম্বে। তাই রসুনের আবাদ শুরু করতে হয়েছে দেরীতে। এখন চলছে রসুন রোপনের ভরা মৌসুম। বিলের যেদিকে চোখ মেলা যায় সেদিকেই দেখা যাবে নারী-পুরুষ মিলে জমিতে লাইন ধওে বসে বসে রসুনের কোয়া রোপন করছেন। এ সময় বোনা আমন ধান কাটার পর কৃষি শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যায়। এখন আর রসুন আবাদ তেমন লাভজনক না হলেও কৃষক ছাড়তে পারেনি রসুনচাষ।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে রসুন আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ২৪৫ হেক্টর জমিতে।
কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতি বছরই রসুনের উৎপাদন খরচ বাড়ছে। উপসহকারী কর্মকর্তা জানান, উৎপাদন খরচ বাড়লেও রসুনের দাম বড়ছে না। ফলে কৃষক লাভবান হতে পারছে না। তবুও যদি দাম বাড়ে এই আশায় প্রতিবছর কৃষক রসুন আবাদ করছে। বীজ সংরক্ষন করছে।
চাটমোহর উপলোর ছাইকোলা ইউনিয়ন দক্ষিণ পাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান সরকার জানান, এবার বীজ, শ্রমিক, সার, কীটনাশক, সেচসহ মোট করচ হবে বিঘায় প্রায় ২১ হাজার টাকা। তিনি আরো জানান, অনেক কৃষকই এখন রসুনের ভেতর সাথী ফসল হিসেবে বাঙ্গি চাষ করছেন। এতে রসুন-বাঙ্গি মিলে লাভবান হচ্ছেন।

বিনা হালে উৎপাদন পদ্ধতি ঃ ছাইকোলা বাজার পাড়ার বাসিন্দা রসুন আবাদী ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার অবসরপ্রাপ্ত আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, কার্তিক মাসের শেষে বিল থেকে পানি নেমে গেলে পলি জমা কাঁদা মাটিতে বিনা হালে/চাষে সারিবদ্ধভাবে রসুনের কোয়া রোপন করা হয়। রোপন শেষে ধানের নাড়া(খড়) বিছিয়ে দেওয়া হয়। এরও আগে জমিতে প্রতি বিঘা ২৫-৩০ কেজি টিএসপি, ২৫ কেজি পটাশ, ২০ কেজি জিপশাম ও ২ কেজি বোরন সার প্রয়োগ করা হয়। রোপনের ২৫-৩০ দিন পর বিঘা প্রতি ১৫-২০ কেজি ইউরিয়া সার দিয়ে পানি সেচ দেওয়া হয়। ৫০ দিন পর আবার দ্বিতীয় দফা ১২-১৫ কেজি ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হয়।
রোপনের ৯৫-একশো দিন পর ফালগুন মাসের ১৫ তারিখ থেকে চৈত্র মাস পুরো চলে রসুন উত্তোলনের কাজ। রসুন মাঠ থেকে তুলে এনে উঠোনে বা খোলায় চড়া রোদে শুকোনো হয়। তারপর কৃষক রসুন গাছ সমেত ঝুটি বা বিয়েনী বেঁধে ঘরে সংরক্ষন করেন।
লাভ-ক্ষতি ঃ চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোকসেদ আলী রসুন চাষে লাভ-ক্ষতির একটা হিসেব দিলেন এভাবে- একবিঘা রসুন চাষে করচ হয় ১. বীজ ১০০ কেজি ৬ হাজার টাকা ২. সার- ইউরিয়া, টিএসপি, পটাশ, জিপশাম ও বোরন সব মিলিয়ে ৩ হাজার টাকা ৩. শ্রমিক ৬ হাজার টাকা ৪. সেচ ২ হাজার টাকা ৫. নাড়া(খড়) ১ হাজার টাকা। মোট খরচ প্রতি বিঘায় ২১ হাজার টাকা। রসুন বর্তমানে বিঘায় উৎপাদন হচ্ছে গড়ে ১৪/১৫ মন। সে হিসেবে প্রতি মন বর্তমান মূল্য ৬ হাজার টাকা ধরে হিসেব কসলে মূল্য দাঁড়ায় প্রায় লাখ টাকা। তিনি আরো বলেন, তাঁর মানে খরচ বাদে লাভ প্রতি বিঘাতে দাঁড়াচ্ছে ৮০ হাজার টাকা।





আর্কাইভ