শনিবার ● ১০ আগস্ট ২০১৯
প্রথম পাতা » গুনীজন » আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সম্পাদকের খোঁজ কেউ রাখেনি
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সম্পাদকের খোঁজ কেউ রাখেনি
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক চিরনিদ্রায় টাঙ্গাইলের মাটিতে ঘুমিয়ে আছেন। দীর্ঘদিনেও আওয়ামী লীগের এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সম্পাদকের খোঁজ কেউ রাখেনি। বর্তমান সময়ে কোন কমিটিতে নেই আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সম্পাদকের কোনো ছেলে সন্তান এমন কি কোনো আত্মীয়স্বজন।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলীর কেএম দাস লেন রোডের রোজ গার্ডেন প্যালেসে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যার সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক হন টাঙ্গাইলের শামসুল হক। পরবর্তীকালে ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানীর উদ্যোগে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ করা হয়।
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ইন্তেকাল করেন। তিনি টাঙ্গাইলের সন্তোষে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তিনি ১৯৪৭ এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে মজলুম জননেতা হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে মওলানা ভাসানী ছিলেন অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময় মাওপন্থি কমিউনিস্ট তথা বামধারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার অনুসারীদের অনেকেই এ জন্য তাকে লাল মওলানা নামেও ডাকতেন। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানকে পশ্চিমা শাসকদের ‘ওয়ালাইকুমুসসালাম’ বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক ১৯১৮ সালে ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। আর ১৯৬৫ সালের দিকে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর সঠিক তারিখ জানা যায়নি। শামসুল হক একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ যার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল বিভাগ-পূর্ব ভারতবর্ষে এবং যিনি পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের পূর্বসূরি আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। তিনি পাকিস্তানের গণপরিষদের সংসদীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৫০ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলা ভাষার পক্ষে সংগ্রাম করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রথম এবং তৃতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের সরকারবিরোধী রাজনীতিতে তিনি ছিলেন প্রথম সারির নেতা। তার জনপ্রিয়তা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে কারামুক্তির পর ঘরোয়া ষড়যন্ত্রের পরিণতিতে আওয়ামী লীগ তাকে বহিষ্কার করে। যার ফলশ্রুতিতে তিনি চিরকালের জন্য মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। আওয়ামী লীগ থেকে তাকে বহিষ্কার, তার মস্তিষ্ক বিকৃতি, নিখোঁজ হওয়া এবং অকাল মৃত্যুর রহস্য দীর্ঘকাল ধরে উন্মোচিত হয়নি। ১৯৬৪ সালে শামসুল হক হঠাৎ করেই নিখোঁজ হন এবং ১৯৬৫ সালে ইন্তেকাল করেন। শামসুল হক গবেষণা পরিষদ অনেক খুঁজে মৃত্যুর ৪২ বছর পর ২০০৭ সালে কালিহাতি উপজেলার কদিম হামজানিতে মরহুমের কবর আবিষ্কার করেন।





ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর শোক
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শোক
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মূস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি শোক
চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংবিধান প্রণেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
চলে গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তফাদার
আগামীকাল বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গণসংগীত শিল্পী এপোলো জামালীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আয়োজনে রাঙামাটিতে বেগম খালেদা জিয়া’র শোক সভা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির শোক