শিরোনাম:
●   সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য গ্রেফতার-৩ ●   পানছড়িতে পিস্তল, গুলি ও ভারতীয় মাদকসহ ২ লাখ ৬১ হাজার টাকার পণ্য জব্দ ●   ঈশ্বরগঞ্জে মেধাবীদের সম্মাননা ●   পার্বতীপুরে গৃহবধূ বাবলি রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ●   বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার ●   পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম ●   হাটহাজারীতে ১২০০ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ ●   ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেফতার-৭ ●   নানিয়ারচর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ●   রাজধানীর আইসিসিবি লেদার এক্সপোতে ‘Bene লেদার’এর চামড়াজাত পণ্যের ব্যাপক সমাহার ●   চুয়েটে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ●   আত্রাইয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিকসভা অনুষ্ঠিত ●   মাদক একে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ●   পার্বতীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে নির্মল বড়ুয়া মিলন এর পদত্যাগ ●   করেরহাটের গেড়ামারা স্কুলের গভির নলকূপের মোটর চুরি ●   গাজীপুরে ২১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিবন্ধনের দাবি ●   চামড়া শিল্পে অপার সম্ভাবনা : এনেক্স লেদারের এমডি দিপু ●   তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ওসমানগঞ্জে ফুটবল বিতরণ ●   কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ ●   ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের আয়োজনে কাউখালীতে দিন ব্যাপি কর্মশালা ●   নবীগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান : হত্যা, ধর্ষণ ও মাদকসহ গ্রেপ্তার-৭ ●   ধর্ষণ মামলার আসামীকে স্বামী হিসেবে পেতে ট্রাইব্যুনালে বাদিনীর বিষখেয়ে আত্মহত্যার হুমকি ●   বারইয়ারহাট পৌরসভা স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ●   নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকে জুলাই যোদ্ধা সংসদ এর সম্মাননা ●   বিশ্ব পর্যটন দিবসে ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ●   বান্দরবানে শিশুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে ●   তরুণদের উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির আহ্বান ●   নাইক্ষ্যংছড়িতে মসজিদের টয়লেট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ●   রাঙ্গামাটিতে আল আমীন সুন্নী যুব সংঘের আজিমুশশান মাহফিল
রাঙামাটি, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ১১ মে ২০২২
প্রথম পাতা » ঢাকা » সিগারেট ট্যাক্স স্কোরকার্ডে সেরা দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে বাংলাদেশ
প্রথম পাতা » ঢাকা » সিগারেট ট্যাক্স স্কোরকার্ডে সেরা দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে বাংলাদেশ
বুধবার ● ১১ মে ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সিগারেট ট্যাক্স স্কোরকার্ডে সেরা দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

--- সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :: সিগারেটের কর সংক্রান্ত স্কোরকার্ডে সেরা দেশগুলোর তুলনায় এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালে বাংলাদেশের প্রাপ্ত স্কোর ২.৬৩ (৫ এর মধ্যে)। সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি খুচরামূল্যে করের অংশ বৃদ্ধি এবং করকাঠামোয় সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশের আরো উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। ১৬০টি দেশের সিগারেট করনীতির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়েস শিকাগো (ইউআইসি) এর হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইনস্টিটিউটের অধীনে টোব্যাকোনমিকস এই স্কোরকার্ড প্রকাশ করেছে। এটি ২য় প্রতিবেদন। আজ ১১ মে ২০২২ তারিখে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশের ফলাফল বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস (সিটিএফকে) এর সহযোগিতায় গবেষণা ও তামাকবিরোধী অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

টোব্যাকোনমিকস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদন গ্লোবাল টোব্যাকো ইপিডেমিক এর ২০২০ সালের তথ্য ব্যবহার করে ১৬০টি দেশের সিগারেট কর নীতিমালা মূল্যায়ন করেছে। সিগারেটের দাম, সহজলভ্যতা, করকাঠামো এবং খুচরা মূল্যে করের অংশ এই চারটি মূল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে ট্যাক্স স্কোর কার্ডে বাংলাদেশ ২০১৮ সালের (২.৩৮) তুলনায় ২০২০ সালে (২.৬৩) কিছুটা উন্নতি করলেও সিগারেটের দাম ও করকাঠামোর দিক থেকে কোনো অগ্রগতি লাভ করে নাই। এবারেও উভয় ক্ষেত্রে ১ পেয়েছে। ক্রটিপূর্ণ একাধিক মূল্যস্তরবিশিষ্ট অ্যাডভেলোরেম করকাঠামো এবং সিগারেটের দাম খুবই কম থাকার কারণে বাংলাদেশ সর্বোত্তম দেশগুলোর কাতারে পৌঁছাতে পারে নাই।

গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে ২০১৮ সালের তুলনায় ২০২০ সালে সার্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে খুব সামান্যই, বৈশ্বিক গড় স্কোর ২.০৭ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.২৮। ১৬০টি দেশের মধ্যে ১১৩টি দেশই তিন বা এর নিচে স্কোর পেয়েছে। সবচেয়ে ভালো করেছে নিউজিল্যান্ড এবং ইকুয়েডর (উভয়ই ৪.৬৩), এবং এরপরে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৪.৩৮) ও কানাডা (৪.২৫)। এসব দেশে সিগারেটে করারোপের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে বিবেচিত একক সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ কর ব্যবস্থা অথবা মিশ্র কর পদ্ধতি (সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ কর এবং অ্যাডভেলোরেম কর) চালু রয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমদ বলেন, “এই গবেষণার ফলাফল আমাদের নীতিনির্ধারকদের কার্যকর তামাক কর পদক্ষেপ গ্রহণে ভূমিকা রাখবে। করারোপের মাধ্যমে সিগারেটসহ সকল তামাকপণ্যের দাম বাড়িয়ে জনগণের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে হবে, তা নাহলে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জন সম্ভব হবে না।”

টোব্যাকোনমিকস টিমের অন্যতম সদস্য আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির সিনিয়র সাইন্টিফিক ডিরেক্টর, টোব্যাকো কন্ট্রোল রিসার্চ ড. নিগার নার্গিস গবেষণার ফলাফল তুলে ধরে বলেন, “সিগারেটে করারোপের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উচিত মূল্য স্তরভিত্তিক অ্যাডভেলোরেম কর পদ্ধতির পরিবর্তে একক সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ কর পদ্ধতি অথবা মিশ্র পদ্ধতি গ্রহণ করা এবং মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে নিয়মিতভাবে করহার সমন্বয় করা। একইসাথে সিগারেটে উল্লেখযোগ্য হারে কর বাড়িয়ে দাম বৃদ্ধি করা।”

অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিড্স (সিটিএফকে) এর সাউথ এশিয়া প্রোগ্রামের রিজিওনাল ডিরেক্টর বন্দনা শাহ বলেন,“ তামাক নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সার্বিকভাবে উন্নতি করলেও তামাকপণ্যে কর ও মূল্য পদক্ষেপ গ্রহণে এখনও অনেক পিছিয়ে আছে। এফসিটিসি আর্টিকেল ৬ অনুসরণ করে কার্যকর তামাককর ও মূল্য পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সরকার জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের পাশাপাশি রাজস্ব আয় বাড়াতে পারে।”

প্রজ্ঞা’র তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রকল্প প্রধান মো. হাসান শাহরিয়ারের উপস্থাপনায় তামাকপণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য পদক্ষেপ বাস্তবায়নে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপকে অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে দায়ি করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটিএফকে, বাংলাদেশ এর লিড পলিসি অ্যাডভাইজার মো. মোস্তাফিজুর রহমান। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মো. শফিকুল ইসলাম, হেড অব প্রোগ্রাামস- বাংলাদেশ, পলিসি অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন, ভাইটাল স্ট্রাটেজিস; সৈয়দ মাহবুবুল আলম, কারিগরি পরামর্শক, দ্য ইউনিয়ন এবং এবিএম জুবায়ের, নির্বাহী পরিচালক প্রজ্ঞা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ৩৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন, ধূমপান না করেও প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ বিভিন্ন পাবলিক প্লেস, কর্মক্ষেত্র ও পাবলিক পরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে ১ লক্ষ ৬১ হাজার মানুষ মারা যায়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারের অর্থনৈতিক ক্ষতির (চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারানো) পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৫৬০, যা উক্ত বছরে জিডিপির ১.৪ শতাংশ।





ঢাকা এর আরও খবর

পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম
রাজধানীর আইসিসিবি লেদার এক্সপোতে ‘Bene লেদার’এর চামড়াজাত পণ্যের ব্যাপক সমাহার রাজধানীর আইসিসিবি লেদার এক্সপোতে ‘Bene লেদার’এর চামড়াজাত পণ্যের ব্যাপক সমাহার
চামড়া শিল্পে অপার সম্ভাবনা : এনেক্স লেদারের এমডি দিপু চামড়া শিল্পে অপার সম্ভাবনা : এনেক্স লেদারের এমডি দিপু
তরুণদের উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির আহ্বান তরুণদের উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির আহ্বান
তামাক ও নিকোটিনমুক্ত হোক তরুণ প্রজন্মের ফুসফুস তামাক ও নিকোটিনমুক্ত হোক তরুণ প্রজন্মের ফুসফুস
শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান সেফওয়ে টেকনোলজিসের এমডি ফারুক খানের শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান সেফওয়ে টেকনোলজিসের এমডি ফারুক খানের
পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর
বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সাথে রাবিপ্রবি’র ভিসি’র সৌজন্য সাক্ষাৎ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সাথে রাবিপ্রবি’র ভিসি’র সৌজন্য সাক্ষাৎ
এসডিজি অর্জনে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বড় বাধা এসডিজি অর্জনে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বড় বাধা

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)