শিরোনাম:
●   আত্রাই প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান ●   ঝালকাঠিতে সন্তানের লাশ নিয়ে মানববন্ধনের দাড়িয়ে বিচার চাইলেন মা ●   কাউখালীতে পুকুরে ডুবে কিশোরের মৃত্যু ●   পার্বতীপুরে দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও শাড়ি বিতরণ ●   মিরসরাইয়ে উত্তরণ’র ৭ম ঈদ উপহার বিতরণ ●   ঝালকাঠির ঈদবাজার পরিদর্শনে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের নিয়োগ ক্ষমতার ভারসাম্য : পাহাড়ী-বাঙালি বিভেদ থাকবে না ●   কাপ্তাইয়ে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ইফতার মাহফিল ●   ১৬ বছর পর পায়ে জুতা পড়লেন ঈশ্বরগঞ্জের বিএনপি কর্মী সবুজ ●   হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার ৯ ডাকাতকে চট্টগ্রামের রাউজানে জনতার গণপিটুনি ●   নবীগঞ্জে শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যা : পুত্রবধূ গ্রেপ্তার ●   রাজধানীতে ফোর্টিস হসপিটালের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ●   মহা বারুণী স্নানে কাপ্তাই সীতাঘাটে ভক্তদের ঢল ●   মিরসরাইয়ে পাহাড়ের মাটি চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু ●   ঈশ্বরগঞ্জে কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে পুরাতন ইটের ব্যবহার ●   কারখানায় মেরামত ৫টি রেলইঞ্জিন ঈদে যুক্ত হলো রেলবহরে ●   বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হলেন রাঙামাটির দুই কৃতি শিক্ষার্থী ●   কাপ্তাইয়ে চম্পাকুঁড়ি খেলাঘর আসরের ঈদ উপহার বিতরণ ●   রঙ্গিলা ফুলকপি চাষে সফল ঈশ্বরগঞ্জের কৃষক আব্দুস সালাম ●   তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় পার্বতীপুরে শুকরিয়া ●   বারইয়ারহাট ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতির ইফতার ●   নবীগঞ্জে ৭১ লাখ টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ ●   বড়পুকুরিয়ার মজুদ কয়লা নিয়ে বিপাকে কর্তৃপক্ষ ●   কাপ্তাইয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ●   চলে গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তফাদার ●   গৌরীপুরে বাড়িঘর লুটপাট, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ●   তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের দাবি ●   মার্কিন - ইজরায়েল অশুভ জোট সারা দুনিয়াকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে চলেছে ●   রাউজানে এবার বৌদ্ধ বিহারে অগ্নিসংযোগ ●   ভারত থেকে পার্বতীপুরে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ২২ মে ২০১৯
প্রথম পাতা » কৃষি » রাজশাহীতে সময়ের পেরিয়েও পাড়া হচ্ছে না গোপালভোগ
প্রথম পাতা » কৃষি » রাজশাহীতে সময়ের পেরিয়েও পাড়া হচ্ছে না গোপালভোগ
বুধবার ● ২২ মে ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাজশাহীতে সময়ের পেরিয়েও পাড়া হচ্ছে না গোপালভোগ

---রাজশাহী প্রতিনিধি :: রাজশাহীতে এ বছর জ্যৈষ্ঠের প্রথম দিনেই আম পাড়া শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময় মেনে অনেকেই আগাম গুটি জাতের আম ভাঙেন গাছ থেকে। কিন্তু এরপরও আমের রাজধানী রাজশাহী এখনও ‘আম’ শূন্য। কথা ছিল ২০ মে থেকে জাত আম গোপালভোগ ভাঙা হবে বাগান থেকে। কিন্তু সেখানেও ব্যতিক্রম! বলতে গেলে কেউই গোপালভোগ আম ভাঙেননি।

প্রশ্ন জাগতে পারে যে, যেখানে প্রতিবছর আমের মৌসুমে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ না আসতেই তড়িঘড়ি করে আম পাড়া শুরু হয়ে যায়, সেখানে এবার ব্যত্যয় কেন? তার সহজ উত্তরে আম চাষিরা বলছেন, জেলা প্রশাসন ছক কষে আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করে দিলেও আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে বিভিন্ন জাতের আম এখনও গাছে পরিপক্বতা পায়নি। এর ওপর তাপদাহের মধ্যে রমজান মাস চলছে।

ফলে আমের পরিপক্বতার এই সময়টাকে মুনাফা হিসেবেই দেখছেন তারা। সাধারণত রমজান মাসে আমের ব্যবসায় ভাটা থাকে। আর আমের পরিপক্বতায় আরও সময় হাতে আছে। তাই এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে ঈদের পর মৌসুমের পুরো বাজারটা ধরতে চান রাজশাহীর আমচাষিরা।

রাজশাহীর ছোটবনগ্রাম এলাকার আমচাষি ও ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী এখনও অনেক গাছ থেকে আম নামানো যাবে। কিন্তু গাছে রাখলেও ক্ষতি নেই, বরং লাভই আছে। একদিকে আমে পরিপক্বতা আসবে অন্যদিকে ঈদের পরের বাজারে কেবল আমই থাকবে। তরমুজ ও লিচুসহ অন্য মৌসুমী ফল শেষের দিকে যাবে। ফলে বাজারে তখন কেবলই আমের রাজত্ব থাকবে। এতে ব্যবসাও জমে উঠবে, মুনাফাও বাড়বে।

রাজশাহীর বাগানে ঝুলছে আম/ছবি: বাংলানিউজপবার মথুরা গ্রামের আমচাষি নূরুল আমিন বাংলানিউজকে বলেন, রমজান মাসে গাছ থেকে আম নামানোর জন্য শ্রমিক সংকট থাকে। এর ওপর ধান কাটারও মৌসুম চলছে। তার ওপরে আবার তাপদাহ। আর গাছে আম থাকলে যেহেতু এখন অসুবিধা নেই, তাই সবাই একটু সময় নিচ্ছে।

এদিকে, মঙ্গলবার (২১ মে) রাজশাহী জেলার সবচেয়ে বড় আমের মোকাম পুঠিয়ার বানেশ্বর ছাড়াও শহরের শালবাগান ও নওদাপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে আমের হাট একদম ফাঁকা। তরমুজসহ বিভিন্ন মৌসুমী ফলে এখনও ভরে আছে প্রতিটি আড়ৎ। এই আড়ৎগুলোই গতবছর আমে ভরা ছিল।

সময় বেঁধে দেওয়া ও আম ভাঙা প্রসঙ্গে রাজশাহী ফল গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিম উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, সময় বেঁধে দেওয়ায় কোনো ক্ষতি হয়নি। আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে গাছে এখনও আম পরিপক্ব হচ্ছে, এটা হতেই পারে। যা স্বাভাবিকভাবে দেখা উচিত। চাষিরা ইচ্ছে করলে ভাঙতে পারবেন আবার কিছুটা বিলম্বও করতে পারবেন।

ভেবে দেখলে আমচাষি ও ভোক্তা উভয়ই লাভবান হবেন বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ।

এদিকে, রাজশাহীতে সাধারণত সবার আগে পাকে গুটি জাতের আম। এবার জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ মে থেকে গুটি আম নামাতে পারছেন চাষিরা। আর উন্নতজাতের আমগুলোর মধ্যে গোপালভোগ ২০ মে, রাণীপছন্দ ২৫ মে, খিরসাপাতা বা হিমসাগর ২৮ মে এবং লক্ষণভোগ বা লখনা নামানো যাবে ২৬ মে থেকে। এছাড়া ল্যাংড়া আম ৬ জুন, আম্রপালি এবং ফজলি ১৬ জুন থেকে নামানো যাবে। আর সবার শেষে ১৭ জুলাই থেকে নামানো যাবে আশ্বিনা জাতের আম।

তবে কোনো গাছের আম আগে পাকলে নিজ নিজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) তা জানাতে হবে। তার পরিদর্শন শেষে মতামতের ভিত্তিতে ওই গাছ থেকেও নামানো যাবে আম।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এসএম আবদুল কাদের বলেন, বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী কেবল গাছে পাকলেই যে কোনো জাতের আম পাড়তে পারবেন চাষিরা। আর বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ীও আম ভাঙতে পারবেন গাছ থেকে। যদি কোনো আম আগেই পেকে যায় তবে সেই সম্পর্কে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বিষয়টি জানাতে হবে।

তিনি বাগান পরিদর্শন করে আম পাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই চাষিরা তাদের গাছ থেকে নির্ধারিত সমেয়র আগেও আম নামাতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক।

আম ভাঙার বিষয়টি মনিটরিংয়ের জন্য সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও কৃষি কর্মকর্তাদের এরই মধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শামসুল হক বাংলানিউজকে জানান, চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাপদাহ কেটে গেলে আর নতুন কোনো প্রকৃতিক দুর্যোগ না আসলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো সমস্যা হবে না।

কৃষকের বাড়ি গিয়ে ধান কিনলেন রাজশাহীর ডিসি

রাজশাহী :: গ্রামে গিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি মূল্যে ধান কিনলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের। বুধবার দুপুরে জেলার পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার মধুসুদনপুর গ্রামে গিয়ে তিনি ধান কেনেন।

পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ নেওয়াজ বলেন, কৃষকেরা সরকারি মূল্যে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। এমন খবরের ভিত্তিতে রাজশাহীর ডিসি যেকোনো উপায়ে ধান কেনাবেচায় কৃষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেন। এর অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে ডিসি এসএম আব্দুল কাদের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নাজমুল হোসেন ভূইয়াকে সঙ্গে নিয়ে নওহাটা পৌরসভার মধুসুদনপুর গ্রামে যান। সেখানে তিনজন কৃষকের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে আড়াই মেট্রিক টন ধান কেনা হয়।

মজিবর রহমান নামের এক কৃষক বলেন, ডিসি উপস্থিত থেকে ধান কেনার কথা শুনে তিনি ১৫ মন ধান বিক্রি করেছেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যে তিনি ধানের দাম পেয়েছেন। ধানের এমন মূল্য পেলে কৃষকরা উপকৃত হবে।

জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের বলেন, ‘কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন সব সময় তৎপর থাকবে। তিনি ও তাঁর কর্মকর্তারা কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার তদারকি করবেন। কোনো ব্যবসায়ী কৃষক সেজে ধান বিক্রির চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

তিনি বলেন, ‘আজ প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে ধার ক্রয় করা হচ্ছে। কৃষকদের কৃষিকার্ড ও ব্যাংক একাউন্ট করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও ব্যাংকে তাগিদ দেয়া হবে’।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পবা উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকিলা নাসরিন, কৃষক আলহাজ্ব মাইনুদ্দিন, আব্দুল আওয়াল, মনিরুল ইসলাম, বাবু আলী প্রমুখ।





আর্কাইভ